Report a question
1 / 25
1.
ব্যাকটেরিওফাজ এক ধরনের-
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “ব্যাকটেরিওফাজ এক ধরনের-“
এই প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানের মূল বিষয়বস্তুর মধ্যে পড়ে, বিশেষ করে মাইক্রোবায়োলজির ধারণাগুলি নিয়ে আলোচনা করে। ব্যাকটেরিওফাজ এমন এক ধরনের ভাইরাস, যা ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করে। এই ভাইরাসটি ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে প্রবেশ করে এবং সেটিকে ধ্বংস করে। প্রশ্নটির উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কে তাদের জ্ঞান যাচাই করা, পাশাপাশি ভাইরাসের বিশেষ প্রকারের সাথে পরিচিত করানো।
অপশন বিশ্লেষণ:
“ব্যাকটেরিয়া”:
ভুল অপশন:
ব্যাকটেরিওফাজ নামের মধ্যে “ফাজ” (phage) শব্দটি এসেছে “ফাজিন” (phagein) থেকে, যার অর্থ “খাওয়া।” এটি ব্যাকটেরিয়াকে খাওয়া বা ধ্বংস করার জন্য পরিচিত একটি ভাইরাস। তাই, এটি কোনো ব্যাকটেরিয়া নয়। ব্যাকটেরিওফাজ একটি ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবেশ করে এবং তাদের ধ্বংস করে।
“ভাইরাস”:
সঠিক অপশন:
ব্যাকটেরিওফাজ হলো একটি ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করে এবং ধ্বংস করে। এটি এমন একটি ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়া কোষে তার জিনগত উপাদান প্রবেশ করায় এবং ব্যাকটেরিয়ার কোষযন্ত্রকে ব্যবহার করে নতুন ভাইরাস তৈরি করে। এটি মূলত ভাইরাসের একটি বিশেষ প্রকার।
“ছত্রাক”:
ভুল অপশন:
ব্যাকটেরিওফাজ কোনো ছত্রাক নয়। ছত্রাক একটি আলাদা রাজ্যের জীব, যা ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের থেকে ভিন্ন। ছত্রাক সাধারণত ডিকম্পোজার হিসেবে কাজ করে এবং এটি মাটি ও অন্যান্য বস্তুতে থাকে। ব্যাকটেরিওফাজ একটি ভাইরাস, যা ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে, তাই এটি ছত্রাক হতে পারে না।
“এককোষী উদ্ভিদ”:
ভুল অপশন:
এককোষী উদ্ভিদ বলতে সাধারণত অ্যালগি বা শৈবাল বোঝায়, যা পানিতে বসবাস করে এবং ফটোসিনথেসিস করে। ব্যাকটেরিওফাজ কোনো উদ্ভিদ নয়; এটি একটি ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়ার ওপর নির্ভরশীল। এককোষী উদ্ভিদ এবং ব্যাকটেরিওফাজের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।
নোট:
ব্যাকটেরিওফাজ নিয়ে প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সম্পর্কিত ধারণা সম্পর্কে সচেতন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাকটেরিওফাজ জীবাণুবিজ্ঞানের একটি বিশেষ ধরনের ভাইরাস যা শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করে এবং তাদের ধ্বংস করে। এই ধরনের ভাইরাস প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯১৭ সালে এবং এটি আজকের দিনেও বিভিন্ন গবেষণায় ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যাকটেরিওফাজের সঠিক পরিচয় বোঝা শিক্ষার্থীদের জীববিজ্ঞানে ভাইরাসের ভূমিকা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান প্রদান করবে।
সঠিক উত্তর হলো “ভাইরাস,” কারণ ব্যাকটেরিওফাজ এক ধরনের ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করে এবং ধ্বংস করে।
2 / 25
2.
ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠিত-
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠন?”
এই প্রশ্নটি ব্যাকটেরিয়া কোষের গঠন এবং এর প্রাচীরের রাসায়নিক গঠনের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীর তাদের রক্ষা করে এবং আকৃতি প্রদান করে, যা তাদের পরিবেশের কঠোর অবস্থার বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠন সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা যাচাই করার জন্য এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।
অপশন বিশ্লেষণ:
কাইটিন:
ভুল অপশন:
কাইটিন হলো এক ধরনের পলিস্যাকারাইড, যা প্রধানত ফাঙ্গি এবং কিছু আর্থ্রোপোডের এক্সোস্কেলিটন গঠনের উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীরে পাওয়া যায় না, তাই এই উত্তরটি ভুল।
কাইটিন: প্রোটিন:
ভুল অপশন:
এই অপশনটিও ভুল কারণ ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরে কাইটিন নেই। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান হলো পেপটাইডোগ্লাইকান, যা পলিস্যাকারাইড এবং প্রোটিনের মিশ্রণ।
প্রোটিন: ফসফোপ্রোটিন:
ভুল অপশন:
প্রোটিন এবং ফসফোপ্রোটিন ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীরের প্রধান গঠনমূলক উপাদান নয়। এটি একটি ভুল উত্তর।
লিপিড: প্রোটিন:
সঠিক অপশন:
ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর প্রধানত পেপটাইডোগ্লাইকান দিয়ে গঠিত, কিন্তু কিছু ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে, যেমন গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া, প্রাচীরের বাইরের দিকে লিপিড এবং প্রোটিনের স্তর থাকে। এই লিপিড স্তর লিপোপলিস্যাকারাইড দ্বারা গঠিত, যা ব্যাকটেরিয়ার সুরক্ষা প্রদান করে এবং এর পরিবেশের সাথে ইন্টারেক্ট করে। তাই এই অপশনটি সঠিক।
নোট:
ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীরের গঠন এবং এর উপাদানগুলির জ্ঞান শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাদের ব্যাকটেরিয়ার শ্রেণীবিন্যাস এবং এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা বুঝতে সাহায্য করে। সঠিক উত্তর হলো “লিপিড: প্রোটিন,” যা কিছু ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
3 / 25
3.
ডেঙ্গু ভাইরাসের আকৃতি কেমন?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “ডেঙ্গু ভাইরাসের আকৃতি কেমন?”
এই প্রশ্নটি মূলত ডেঙ্গু ভাইরাসের শারীরিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীর জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস, যা ফ্ল্যাভিভিরিডি (Flaviviridae) পরিবারের অন্তর্গত। এর আকার গোলাকার, এবং এই বৈশিষ্ট্যটি ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে নির্ধারণ করা হয়। প্রশ্নটি তৈরি করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থী ভাইরাসের আকার সম্পর্কে সঠিক ধারণা অর্জন করতে পারে এবং ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে গোলাকার আকৃতির সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়।
অপশন বিশ্লেষণ:
গোলাকার:
সঠিক উত্তর: ডেঙ্গু ভাইরাসের আকৃতি গোলাকার, যা ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক জ??ঞান সরবরাহ করার উদ্দেশ্যে এই অপশনটি রাখা হয়েছে। ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে গোলাকার আকৃতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
দন্ডাকার:
ভুল অপশন: দন্ডাকার আকৃতি সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা কিছু নির্দিষ্ট ভাইরাসের ক্ষেত্রে দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, ব্যাকটেরিয়া ই-কোলাই দন্ডাকার আকৃতির হয়। কিন্তু ডেঙ্গু ভাইরাস দন্ডাকার নয়। এই অপশনটি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য রাখা হয়েছে, যা তাদের জানার গভীরতা পরিমাপ করতে সাহায্য করে।
ডিস্কাকার:
ভুল অপশন: ডিস্কাকার আকৃতি সাধারণত লাল রক্তকণিকার ক্ষেত্রে দেখা যায়। কিছু ভাইরাসও ডিস্কাকার হতে পারে, কিন্তু ডেঙ্গু ভাইরাস এই আকৃতির নয়। এই অপশনটি শিক্ষার্থীদের সঠিক ধারণা পাওয়ার জন্য দেয়া হয়েছে, যাতে তারা সঠিকভাবে চিন্তা করতে পারে এবং গোলাকার আকৃতির সঠিক উত্তরে পৌঁছাতে পারে।
ঘনক্ষেত্রাকার:
ভুল অপশন: ঘনক্ষেত্রাকার আকৃতি সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট ভাইরাস বা অন্যান্য মাইক্রোস্কোপিক অংশের ক্ষেত্রে দেখা যায়। কিন্তু ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে এই অপশনটি রাখা হয়েছে, যাতে তারা সঠিক উত্তরটি বেছে নিতে পারে।
নোট:
এই প্রশ্ন এবং এর অপশনগুলি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের আকার সম্পর্কে গভীর জ্ঞান এবং বোঝাপড়া গড়ে তুলতে সহায়ক। সঠিক উত্তর গোলাকার , যা ডেঙ্গু ভাইরাসের বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত আকার। ভুল অপশনগুলি শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিকভাবে সঠিক উত্তরের দিকে মনোনিবেশ করতে সহায়তা করে, এবং একই সঙ্গে তাদের চিন্তাশক্তি উন্নত করে। এভাবে শিক্ষার্থীরা তাদের উত্তরকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারে এবং বৈজ্ঞানিক ধারণাগুলি সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে শিখে।
4 / 25
4.
যক্ষ্মা রোগের জীবাণু কোনটি?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “যক্ষ্মা রোগের জীবাণু কোনটি?”
এই প্রশ্নটি যক্ষ্মা রোগের কারণ এবং এর জন্য দায়ী জীবাণু সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। যক্ষ্মা রোগটি একটি ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ, যা মূলত ফুসফুসকে আক্রমণ করে এবং এটি একটি গুরুতর সংক্রমণজনিত রোগ হিসেবে পরিচিত।
অপশন বিশ্লেষণ:
Mycobacterium tuberculosis:
সঠিক অপশন:
যক্ষ্মা রোগের প্রধান জীবাণু হলো Mycobacterium tuberculosis , যা যক্ষ্মা সংক্রমণের মূল কারণ। এটি একটি ব্যাকটেরিয়া, যা মানবদেহের ফুসফুস এবং অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে আক্রমণ করে।
Escherichia tuberculosis:
ভুল অপশন:
Escherichia একটি ব্যাকটেরিয়ার জেনাস, তবে এটি যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী নয়। যক্ষ্মা রোগের কারণ Mycobacterium tuberculosis ।
Clostridium tuberculosis:
ভুল অপশন:
Clostridium একটি ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতি, তবে এটি যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী নয়। যক্ষ্মা রোগের কারণ হলো Mycobacterium tuberculosis ।
নোট:
এই প্রশ্নটি যক্ষ্মা রোগের জীবাণু সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক। যক্ষ্মা রোগটি একটি মহামারী হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, তাই এর সঠিক জীবাণু চিহ্নিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Mycobacterium tuberculosis হলো যক্ষ্মা রোগের প্রধান কারণ, যা শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে বুঝতে হবে।
5 / 25
5.
নিচের কোনটি সংক্রামক ব্যাধি ?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “নিচের কোনটি সংক্রমক ব্যাধি?”
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের সংক্রমণযোগ্য এবং অসংক্রমণযোগ্য রোগ সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। সংক্রমক ব্যাধি হলো সেই সব রোগ যা জীবাণুর দ্বারা সৃষ্ট হয় এবং এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ছড়ায়। এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের সংক্রমণযোগ্য রোগ এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক।
অপশন বিশ্লেষণ:
যক্ষ্মা:
সঠিক উত্তর: যক্ষ্মা (টিবি) একটি সংক্রমক ব্যাধি, যা মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। এটি সাধারণত ফুসফুসকে আক্রমণ করে এবং এটি বাতাসের মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়াতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপ:
ভুল অপশন: উচ্চ রক্তচাপ একটি অসংক্রমণযোগ্য রোগ। এটি সাধারণত হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে এবং সংক্রমণের কারণে হয় না।
ডায়াবেটিস:
ভুল অপশন: ডায়াবেটিসও একটি অসংক্রমণযোগ্য রোগ, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা সৃষ্টি করে। এটি কোনো সংক্রমণের কারণে হয় না।
রেইন স্ট্রোক:
ভুল অপশন: রেইন স্ট্রোক একটি অসংক্রমণযোগ্য সমস্যা, যা মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের বাধার কারণে ঘটে। এটি সংক্রমণজনিত রোগ নয়।
নোট:
এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সংক্রমণযোগ্য এবং অসংক্রমণযোগ্য রোগের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে জানতে পারবে। সঠিক উত্তর যক্ষ্মা , যা একটি সংক্রমক ব্যাধি এবং ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট হয়। এটি এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়ায় এবং এটি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সঠিক চিকিৎসার প্রয়োজন।
6 / 25
EXPLANATION:
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “ভাইরাসজনিত রোগ কোনটি?”
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসজনিত এবং ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য কারণ দ্বারা সৃষ্ট রোগের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ভাইরাসজনিত রোগগুলো বিশেষভাবে ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয় এবং এগুলো সাধারণত সংক্রামক প্রকৃতির হয়।
অপশন বিশ্লেষণ:
ক্যাপসি সারকোমা:
সঠিক উত্তর: ক্যাপসি সারকোমা হলো একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা হিউম্যান হার্পেস ভাইরাস ৮ (HHV-8) দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি সাধারণত ইমিউন সিস্টেম দুর্বল ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা যায়, যেমন এইচআইভি/এইডস রোগীদের ক্ষেত্রে।
ডিপথেরিয়া:
ভুল অপশন: ডিপথেরিয়া একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যা Corynebacterium diphtheriae নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়।
টিটেনাস:
ভুল অপশন: টিটেনাসও একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যা Clostridium tetani ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি ভা??রাসজনিত রোগ নয়।
ব্রঙ্কোমাইকোসিস:
ভুল অপশন: ব্রঙ্কোমাইকোসিস হলো ছত্রাকজনিত সংক্রমণ, যা ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়।
নোট:
এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাইরাসজনিত রোগ এবং অন্যান্য সংক্রমণজনিত রোগের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে ধারণা পাবে। সঠিক উত্তর ক্যাপসি সারকোমা , যা একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসজনিত রোগ এবং তাদের লক্ষণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক হবে।
7 / 25
7.
কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া কোনটি?”
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার আকার এবং তাদের শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন আকার রয়েছে, যেমন গোলাকার (কক্কাস), দন্ডাকার (ব্যাসিলাস), স্পাইরাল (স্পিরিলাম), এবং কমা আকৃতির (ভিব্রিও)। এই প্রশ্নটি বিশেষভাবে শিক্ষার্থীদের কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া সনাক্ত করতে সাহায্য করবে।
অপশন বিশ্লেষণ:
Spirillium:
ভুল অপশন: Spirillium হলো স্পাইরাল বা পেঁচানো আকারের ব্যাকটেরিয়া। এটি কমা আকৃতির নয়।
Pseudomonas:
ভুল অপশন: Pseudomonas হলো একটি দন্ডাকার ব্যাকটেরিয়া, যা ব্যাসিলাস হিসেবে পরিচিত। এটি কমা আকৃতির নয়।
Vibrio:
সঠিক উত্তর: Vibrio হলো কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকটেরিয়া প্রকার, যা বিশেষত Vibrio cholerae এর জন্য পরিচিত, যা কলেরা রোগের কারণ।
Sarcina:
ভুল অপশন: Sarcina হলো একটি গোলাকার ব্যাকটেরিয়া, যা কোষের গুচ্ছ আকারে থাকে। এটি কমা আকৃতির নয়।
নোট:
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন আকার এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর Vibrio , যা কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়ার একটি উদাহরণ। Vibrio ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে এবং এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ব্যাকটেরিয়ার শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারবে।
8 / 25
8.
বিনাইন টারশিয়ান ম্যালেরিতা পরজীবী কোনটি?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “বিভাইনে টারশিয়ান ম্যালেরিয়া পরজীবী কোনটি?”
এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়া রোগের বিভিন্ন পরজীবী এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীর জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ম্যালেরিয়া হল একটি সংক্রামক রোগ যা Plasmodium পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট, এবং এটি প্রধানত মশার মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। ম্যালেরিয়ার বিভিন্ন ধরনের পরজীবী রয়েছে, যেগুলি বিভিন্ন ধরনের ম্যালেরিয়া সংক্রমণের কারণ হতে পারে।
অপশন বিশ্লেষণ:
Plasmodium vivax:
সঠিক অপশন: Plasmodium vivax হল টারশিয়ান ম্যালেরিয়া পরজীবী যা ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। এটি সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ম্যালেরিয়া সংক্রমণের জন্য দায়ী। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
Plasmodium malariae:
ভুল অপশন: Plasmodium malariae হল কোয়ার্টান ম্যালেরিয়ার কারণ, যা টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
Plasmodium ovale:
ভুল অপশন: Plasmodium ovale একটি বিরল প্রজাতি যা মূলত আফ্রিকায় পাওয়া যায় এবং এটি টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
Plasmodium falciparum:
ভুল অপশন: Plasmodium falciparum হল সবচেয়ে মারাত্মক ম্যালেরিয়া পরজীবী যা প্রাণঘাতী সংক্রমণের কারণ হতে পারে। এটি টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
নোট:
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া রোগের বিভিন্ন পরজীবী এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক উত্তর এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ম্যালেরিয়ার বিভিন্ন ধরনের পরজীবী এবং তাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও গভীর জ্ঞান অর্জন করতে পারে।
9 / 25
9.
ফ্লাজেলা ছাড়া ব্যাক্টেরিয়াকে কী বলা হয়?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “ফ্ল্যাজেলা ছাড়া ব্যাকটেরিয়াকে কী বলা হয়?”
এই প্রশ্নটি ব্যাকট???রিয়ার গঠন এবং ফ্ল্যাজেলার প্রকারভেদ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ফ্ল্যাজেলা হলো একটি লম্বা, চাবুকের মতো অঙ্গ যা ব্যাকটেরিয়াকে চলাচলে সহায়তা করে। কিছু ব্যাকটেরিয়ায় ফ্ল্যাজেলা থাকে না, এবং তাদেরকে একটি বিশেষ নামে অভিহিত করা হয়।
অপশন বিশ্লেষণ:
Atrichous:
সঠিক অপশন: “Atrichous” হলো সেই ব্যাকটেরিয়াকে বোঝায় যার কোনো ফ্ল্যাজেলা নেই। এটি ব্যাকটেরিয়ার চলাচল করার ক্ষমতা নেই, তাই এটি ফ্ল্যাজেলা দ্বারা সৃষ্ট গতিশীলতার অভাব রয়েছে।
Monotrichous:
ভুল অপশন: Monotrichous সেই ব্যাকটেরিয়াকে বোঝায় যার একমাত্র একটি ফ্ল্যাজেলা থাকে। এটি সাধারণত এক প্রান্তে অবস্থান করে এবং ব্যাকটেরিয়াকে চলাচল করতে সহায়তা করে।
Petririchous:
ভুল অপশন: Petririchous হলো সেই ব্যাকটেরিয়া, যার শরীরের চারদিকে অনেকগুলো ফ্ল্যাজেলা থাকে। এটি ব্যাকটেরিয়াকে গতিশীলতা প্রদান করে।
Lophotrichous:
ভুল অপশন: Lophotrichous হলো সেই ব্যাকটেরিয়া, যার একটি প্রান্তে একগুচ্ছ ফ্ল্যাজেলা থাকে। এটি ব্যাকটেরিয়াকে একদিকে বা একটি নির্দিষ্ট দিকে চলাচল করতে সাহায্য করে।
নোট:
এই প্রশ্নটির মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়ার চলাচল এবং ফ্ল্যাজেলার বিভিন্ন প্রকার সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করা হয়। “Atrichous” হলো সেই ব্যাকটেরিয়া যার কোনো ফ্ল্যাজেলা নেই এবং সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
10 / 25
10.
ম্যালেরিয়ার জীবাণু কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “ম্যালেরিয়ার জীবাণু কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?”
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া রোগের কারণ এবং তার জীবাণু সম্পর্কিত ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ম্যালেরিয়া একটি প্রোটোজোয়া পরজীবি দ্বারা সৃষ্ট, যা সাধারণত মশার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়।
অপশন বিশ্লেষণ:
Protozoa:
সঠিক উত্তর: ম্যালেরিয়ার জীবাণু প্রোটোজোয়া শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। ম্যালেরিয়া পরজীবি প্লাজমোডিয়াম নামে পরিচিত, যা একটি এককোষী প্রোটোজোয়া এবং এটি মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
Hydrozoa:
ভুল অপশন: Hydrozoa হলো একটি সি-নেটেল জন্তুদের শ্রেণি, যা সাধারণত সাগরে বাস করে। এটি ম্যালেরিয়ার জীবাণুর সাথে সম্পর্কিত নয়।
Sporozoa:
ভুল অপশন: Sporozoa হলো প্রোটোজোয়ার একটি উপশ্রেণি, তবে এটি ম্যালেরিয়ার জীবাণুর সঠিক শ্রেণি নয়। ম্যালেরিয়া পরজীবি সরাসরি Protozoa শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
Insecta:
ভুল অপশন: Insecta হলো পোকামাকড়ের শ্রেণি, যা ম্যালেরিয়া জীবাণু নয়, বরং মশা এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত যা ম্যালেরিয়া সংক্রমণ ঘটায়।
নোট:
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া জীবাণু এবং তার শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর Protozoa , যা ম্যালেরিয়া জীবাণুর সঠিক শ্রেণি। ম্যালেরিয়া পরজীবি প্রোটোজোয়া শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, এবং এটি মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম।
11 / 25
11.
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রােগীর রক্তে কোনটির উপস্থিতি পাওয়া যায়?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর রক্তে কোনটি উপস্থিতি পাওয়া যায়?”
এই প্রশ্নটি মূলত ইমিউনোলজি এবং ডেঙ্গু জ্বরের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ডেঙ্গু জ্বর হলো একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা এডিস মশার কামড়ে সংক্রমিত হয়। ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণে শরীরে বিভিন্ন ধরনের প্রতিরক্ষামূলক অ্যান্টিবডি তৈরি হয়।
অপশন বিশ্লেষণ:
IgA:
ভুল অপশন: IgA হলো একটি অ্যান্টিবডি যা সাধারণত শ্লেষ্মা ঝিল্লি এবং অন্যান্য শরীরের শারীরিক প্রতিবন্ধকে পাওয়া যায়। এটি ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণের ক্ষেত্রে প্রধান প্রতিরক্ষা ভূমিকা পালন করে না।
IgK:
ভুল অপশন: IgK হলো একটি কল্পিত নাম। এর কোনও বাস্তব অস্তিত্ব নেই এবং এটি কোনও অ্যান্টিবডি নয়।
IgM:
সঠিক অপশন: IgM হলো প্রাথমিক অ্যান্টিবডি যা শরীরে নতুন কোনো সংক্রমণের সময় প্রথম তৈরি হয়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর রক্তে IgM এর উপস্থিতি প্রমাণ করে যে সংক্রমণটি নতুন এবং শরীর এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করছে।
IgE:
ভুল অপশন: IgE সাধারণত অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার সাথে যুক্ত এবং এটি ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে প্রধান অ্যান্টিবডি নয়।
নোট:
ডেঙ্গু জ্বরের প্রাথমিক শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে IgM এর উপস্থিতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। IgM এর উপস্থিতি নির্দেশ করে যে রোগী সম্প্রতি ডেঙ্গু ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়েছে এবং শরীর প্রাথমিকভাবে এর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা তৈরি করছে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো “IgM।”
12 / 25
12.
সংক্রমণ ক্ষমতাহীন ভাইরাসকে কী বলে?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “সংক্রমণ ক্ষমতাহীন ভাইরাসকে কী বলে?”
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের গঠন এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ভাইরাসগু???োর সংক্রমণ ক্ষমতা থাকতে পারে বা নাও থাকতে পারে, এবং এদের মধ্যে কিছু ভাইরাস কণা সংক্রমণ ক্ষমতাহীন অবস্থায় থাকতে পারে।
অপশন বিশ্লেষণ:
ভিরিয়ন:
ভুল অপশন: ভিরিয়ন হলো একটি পূর্ণাঙ্গ সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন ভাইরাস কণা, যা নিউক্লিক এসিড এবং প্রোটিন ক্যাপসিড নিয়ে গঠিত। এটি সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম।
নিউক্লিওক্যাপসিড:
সঠিক উত্তর: নিউক্লিওক্যাপসিড হলো ভাইরাসের নিউক্লিক এসিড এবং প্রোটিন ক্যাপসিডের সমন্বয়, যা প্রয়োজনীয় সংক্রমণ ক্ষমতা অর্জন করেনি। এটি সাধারণত সংক্রমণ ক্ষমতাহীন অবস্থায় থাকে।
প্রিয়নস:
ভুল অপশন: প্রিয়নস হলো সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রোটিন কণা, যা ভাইরাস নয় এবং সংক্রমণ ক্ষমতাহীনও নয়। এটি স্নায়ুতন্ত্রের রোগ সৃষ্টি করে।
ভিরয়েড:
ভুল অপশন: ভিরয়েড হলো ছোট সংক্রামক RNA কণা, যা উদ্ভিদে সংক্রমণ ঘটায়। এটি সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন এবং ভাইরাস নয়।
নোট:
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের গঠন এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক। সঠিক উত্তর নিউক্লিওক্যাপসিড , যা সংক্রমণ ক্ষমতাহীন ভাইরাসের অংশ হিসেবে পরিচিত। এটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের গঠন এবং তাদের সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বুঝতে সহায়ক হবে।
13 / 25
13.
ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর মূলত কি দিয়ে গঠিত?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর মূলত কি দিয়ে গঠিত?”
এই প্রশ্নটি ব্যাকটেরিয়া জীববিজ্ঞানের মৌলিক ধারণা নিয়ে তৈরি। ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রাচীরের মূল উপাদান জানতে চাওয়া হয়েছে। এটি ব্যাকটেরিয়ার আকার বজায় রাখা এবং শারীরিক প্রভাব থেকে সুরক্ষা পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
অপশন বিশ্লেষণ:
মুরামিক এসিড:
ভুল অপশন: মুরামিক এসিড একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠনে ভূমিকা পালন করে, তবে এটি একা কোষ প্রাচীর গঠনের জন্য যথেষ্ট নয়। এটি পেপটাইডোগ্লাইকান গঠনের অংশ, কিন্তু প্রধান উপাদান নয়।
কাইটিন:
ভুল অপশন: কাইটিন একটি পলিস্যাকারাইড যা মূলত ছত্রাক ও কিছু অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মধ্যে পাওয়া যায়। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের গঠনে এটি কোনো ভূমিকা পালন করে না।
সেলুলোজ:
ভুল অপশন: সেলুলোজ একটি পলিস্যাকারাইড যা উদ্ভিদ কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের অংশ নয়।
মিউকোপেপটাইড (পেপটাইডোগ্লাইকান):
সঠিক অপশন: ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর প্রধানত পেপটাইডোগ্লাইকান (মিউকোপেপটাইড) দিয়ে গঠিত, যা পলিস্যাকারাইড এবং পেপটাইডের মিশ্রণ। এটি কোষ প্রাচীরকে শক্তিশালী করে এবং ব্যাকটেরিয়াকে পরিবেশগত চাপ থেকে রক্ষা করে।
নোট:
ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর পেপটাইডোগ্লাইকান দিয়ে গঠিত, যা ব্যাকটেরিয়াকে আকার বজায় রাখতে এবং প্রতিকূল পরিবেশ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এটি ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে শক্তিশালী রক্ষাকারী কাঠামো হিসেবে কাজ করে। সঠিক উত্তর হলো মিউকোপেপটাইড (পেপটাইডোগ্লাইকান) ।
14 / 25
14.
ডেঙ্গু রোগ নিচের কোনটির জন্য হয় ?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “ডেঙ্গু রোগ নিচের কোনটির জন্য হয়?”
এই প্রশ্নটি ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ ও এর বাহক সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। সুতরাং, শিক্ষার্থীদের এই রোগের বাহক সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি।
অপশন বিশ্লেষণ:
তেলাপোকা:
ভুল অপশন: তেলাপোকা কোন রোগের বাহক নয় যা ডেঙ্গুর সাথে সম্পর্কিত। তেলাপোকা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা সংক্রমণের বাহক হতে পারে, কিন্তু ডেঙ্গু রোগের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। তাই এই অপশনটি ভুল।
মশা:
সঠিক অপশন: ডেঙ্গু রোগ এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়, যা ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রধান বাহক। ডেঙ্গু মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
মাছি:
ভুল অপশন: মাছি সাধারণত ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণুর বাহক হতে পারে, তবে এটি ডেঙ্গু রোগ ছড়ায় না। তাই, এই অপশনটি ভুল।
মৌমাছি:
ভুল অপশন: মৌমাছি ফুলের রেণু সংগ্রহ করে এবং মধু তৈরি করে, তবে এটি কোন রোগের বাহক নয়, বিশেষ করে ডেঙ্গুর সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। তাই, এই অপশনটি ভুল।
নোট:
এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু রোগের বাহক এবং এর সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেওয়া হয়। ডেঙ্গু রোগ ছড়ানোর প্রধান কারণ এডিস মশা, যা সকাল এবং সন্ধ্যায় বেশি সক্রিয় থাকে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়া এবং মশার প্রজনন স্থান ধ্বংস করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
15 / 25
15.
সায়ানো ব্যাকটেরিয়ার উদাহরণ কোনটি?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “সায়ানো ব্যাকটেরিয়ার উদাহরণ কোনটি?”
এই প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানের সায়ানোব্যাকটেরিয়া সম্পর্কিত ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। সায়ানোব্যাকটেরিয়া বা নীলাভ-সবুজ শৈবাল হলো এক ধরনের ফটোসিনথেটিক ব্যাকটেরিয়া, যা প্রাচীনতম জীবন্ত কোষের মধ্যে একটি এবং প্রাথমিকভাবে জলীয় পরিবেশে পাওয়া যায়।
অপশন বিশ্লেষণ:
Nostoc:
সঠিক অপশন: Nostoc হলো সায়ানোব্যাকটেরিয়ার একটি উদাহরণ, যা জলাশয় এবং স্যাঁতসেঁতে মাটিতে পাওয়া যায়। এটি ফটোসিনথেসিস করতে সক্ষম এবং সাধারণত নীলাভ-সবুজ রঙের হয়।
Rhizobium:
ভুল অপশন: Rhizobium হলো এক ধরনের মাটিতে বসবাসকারী ব্যাকটেরিয়া যা উদ্ভিদের শিকড়ের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে নাইট্রোজেন ফিক্সেশন করে। এটি সায়ানোব্যাকটেরিয়া নয়।
Azotobacter:
ভুল অপশন: Azotobacter হলো এক ধরনের মাটির ব্যাকটেরিয়া, যা নাইট্রোজেন ফিক্সেশনে সক্ষম, তবে এটি সায়ানোব্যাকটেরিয়ার উদাহরণ নয়।
Lactobacillus:
ভুল অপশন: Lactobacillus হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া যা দুধকে ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে। এটি সায়ানোব্যাকটেরিয়া নয়।
নোট:
Nostoc হলো সায়ানোব্যাকটেরিয়ার একটি সঠিক উদাহরণ। এটি ফটোসিনথেটিক ব্যাকটেরিয়া এবং জলীয় পরিবেশে প্রায়ই পাওয়া যায়।
16 / 25
16.
নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে নিচের কোনটি?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে নিচের কোনটি?”
এই প্রশ্নটি নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী জীবাণু সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। নাইট্রোজেন সংবন্ধন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যা নির্দিষ্ট জীবাণুদের দ্বারা বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেনকে উদ্ভিদের জন্য ব্যবহৃত অ্যামোনিয়া বা অন্যান্য যৌগে রূপান্তর করে।
অপশন বিশ্লেষণ:
Azotobacter:
ভুল অপশন: Azotobacter হলো মাটি-বাস্তব জীবাণু যা নাইট্রোজেন সংবন্ধন করতে সক্ষম। এটি ফ্রি-লিভিং নাইট্রো??েন সংবন্ধনকারী ব্যাকটেরিয়া, তবে এটি এককভাবে নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য পরিচিত নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
Pseudomonas:
ভুল অপশন: Pseudomonas হলো একটি প্রকারের ব্যাকটেরিয়া যা বিভিন্ন পরিবেশে বাস করে, তবে এটি নাইট্রোজেন সংবন্ধনে বিশেষজ্ঞ নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
Clostridium:
ভুল অপশন: Clostridium হলো একটি জীবাণু, কিন্তু এটি নাইট্রোজেন সংবন্ধনে অংশগ্রহণ করে না। এটি অন্যান্য কার্যকলাপের জন্য পরিচিত। তাই, এই অপশনটি ভুল।
সবুজলো:
সঠিক অপশন: সবুজলো হলো একটি অ্যানাবিনোসম্পন্ন ব্যাকটেরিয়া যা নাইট্রোজেন সংবন্ধন করতে পারে। এটি উদ্ভিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নাইট্রোজেন যোগান দেয়। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
নোট:
এই প্রশ্নটি নাইট্রোজেন সংবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জৈবিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জীবাণুরা কীভাবে মাটিতে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, তা বোঝা যায়।
17 / 25
17.
নিচের কোনটি DNA ভাইরাস?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “নিচের কোনটি DNA ভাইরাস?”
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের জিনগত উপাদান (DNA বা RNA) সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ভাইরাসের দুটি প্রধান শ্রেণী রয়েছে: DNA ভাইরাস এবং RNA ভাইরাস। এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাইরাসের শ্রেণীবিভাগ বুঝতে শিখবে।
অপশন বিশ্লেষণ:
হেপাটাইটিস বি:
সঠিক উত্তর: হেপাটাইটিস বি হলো একটি DNA ভাইরাস, যা প্রধানত লিভার সংক???রমণ ঘটায়। এর জিনোম ডাবল-স্ট্র্যান্ডেড DNA দ্বারা গঠিত। তাই এটি সঠিক উত্তর।
চিকুনগুনিয়া:
ভুল অপশন: চিকুনগুনিয়া একটি RNA ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ। এটি DNA ভাইরাস নয়, তাই এটি ভুল উত্তর।
টোব্যাকো মোজাইক:
ভুল অপশন: টোব্যাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV) একটি RNA ভাইরাস। এটি উদ্ভিদকে সংক্রমিত করে এবং এটি DNA ভাইরাস নয়।
ডেঙ্গু:
ভুল অপশন: ডেঙ্গু ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস, যা Flaviviridae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এটি DNA ভাইরাস নয়, তাই এটি ভুল উত্তর।
নোট:
এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাইরাসের জিনোম এবং তার শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবে। সঠিক উত্তর হলো হেপাটাইটিস বি , যা একটি DNA ভাইরাস এবং লিভার সংক্রমণের জন্য দায়ী।
18 / 25
18.
মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা কোনটি?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা কোনটি?”
এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়া জীবাণুর (Plasmodium) জীবনচক্রের প্রথম ধাপ সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়ার পর ম্যালেরিয়া জীবাণু মানবদেহে বিভিন্ন ধাপে তার চক্র সম্পন্ন করে। এর মধ্যে প্রথম দশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা জীবাণুর সংক্রমণের সূচনা করে।
অপশন বিশ্লেষণ:
মেরোজোয়েট:
ভুল অপশন: মেরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর একটি দশা, তবে এটি প্রথম ধাপ নয়। মেরোজোয়েট লোহিত রক্তকণিকায় প্রবেশ করে এবং কোষের ভেতরে বিভাজন করে।
ক্রিসপোজোয়েট:
ভুল অপশন: ক্রিসপোজোয়েট নামের কোনো ধাপ ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবচক্রে নেই, তাই এটি ভুল অপশন।
ট্রুফোজোয়েট:
ভুল অপশন: ট্রুফোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর একটি দশা, যা লোহিত রক্তকণিকায় বিভাজন শেষে গঠিত হয়। তবে এটি প্রথম ধাপ নয়।
স্পোরোজোয়েট:
সঠিক উত্তর: স্পোরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা, যা মশার কামড়ের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে। এটি রক্তের মাধ্যমে লিভারে গিয়ে সংক্রমণ শুরু করে।
নোট:
এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবনচক্র এবং এর সংক্রমণ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবে। স্পোরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা, যা মশার কামড়ের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
19 / 25
19.
নিচের কোনটি এডিস (Aedes) মশা বাহিত রোগ নয়?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “নিচের কোনটি এডিস (Aedes) মশা বাহিত রোগ নয়?”
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য এডিস মশা দ্বারা বহনকৃত রোগগুলি সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এডিস মশা কিছু নির্দিষ্ট রোগের বাহক হিসেবে পরিচিত, তবে কিছু রোগ এডিস মশা দ্বারা বহন করা হয় না।
অপশন বিশ্লেষণ:
চিকুনগুনিয়া:
ভুল অপশন: চিকুনগুনিয়া একটি এডিস মশা দ্বারা বহনকৃত ভাইরাসজনিত রোগ। এটি এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। তাই এটি এডিস মশা বহিত রোগ।
জিকা:
ভুল অপশন: জিকা ভাইরাসও এডিস মশা দ্বারা বহন করা হয়। এটি গর্ভবতী নারীদের মাধ্যমে নবজাতকের জন্মগত ত্রুটি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এটি এডিস মশা বহিত রোগ।
ম্যালেরিয়া:
সঠিক উত্তর: ম্যালেরিয়া এডিস মশা দ্বারা বহন করা হয় না। এটি অ্যানোফিলিস মশা দ্বারা বহনকৃত রোগ। তাই এটি সঠিক উত্তর।
ডেঙ্গু:
ভুল অপশন: ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। এটি এডিস মশা বহিত একটি রোগ।
নোট:
এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এডিস মশা দ্বারা বহনকৃত এবং অন্যান্য মশা দ্বারা বহনকৃত রোগের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারবে। সঠিক উত্তর হলো ম্যালেরিয়া , কারণ এটি এডিস মশা বহিত রোগ নয়, বরং অ্যানোফিলিস মশা এর বাহক।
22 / 25
22. হেপাটাইটিস-৪ ভাইরাসের সুপ্তিকাল কতদিন?
Ans B Why হেপাটাইটিস ভাইরাসের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য:
বৈশিষ্ট্য HAV HBV HCB HDV HEV
ভাইরাস এটোরা হেপাডিনেভ ফ্ল্যাভি অপপূর্ণ ক্যালিসি
প্রকার ভাইরাস ভাইরাস ভাইরাস ভাইরাস ভাইরাস
নিউক্লিক RNA DNA RNA RNA RNA
অ্যাসিড
সংক্রমণ 14-28 দিন 45-180 দিন 14-180 দিন 21-49 দিন 21-56 দিন
25 / 25
25. জেনেটিক উপাদানকে সুরক্ষাকারী ভাইরাস এর প্রোটিন আবরণকে কি বলে?
• জেনেটিক উপাদানকে সুরক্ষাকারী ভাইরাসের প্রোটিন আবরণকে বলা হয় ক্যাপসিড।
• ভাইরাসের ক্যাপসিড আবরণী অ্যান্টিজেনিক বৈশিষ্ট্যের।
RESULT
সবার রেজাল্ট একসাথে দেখার জন্য ‘Show’ এর পাশে ‘5’ ক্লিক করার পর ‘All’ এ ক্লিক করেন। ‼ এক্সাম SUBMIT করার পর, রেজাল্টে আপনার মেরিট দেখতে পেজটিকে একবার Reload করুন।
DETAILS
আপনি যদি লগিন করে এক্সাম দেন, তাহলে আপনার দাগানো কোন MCQ সঠিক এবং ভুল ছিল, সব দেখতে পারবেন এখানে।
You must log in to see your results.