Report a question
1 / 25
1.
মানুষের লোহিত কণিকায় ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অযৌন জননকে কী বলে?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “মানুষের লোহিত কণিকায় ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অণুজননকে কী বলে?”
এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়া পরজীবী (Plasmodium) এর জীবচক্র সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। Plasmodium পরজীবী বিভিন্ন পর্যায়ে বিভাজন ও বৃদ্ধির মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে, এই প্রশ্নটি স্পোরোজোনি এবং এর প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্ররোচিত করছে।
অপশন বিশ্লেষণ:
“এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি”:
সঠিক অপশন:
ম্যালেরিয়া পরজীবী মানুষের লোহিত রক্তকণিকায় প্রবেশ করে এবং সেখানে বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, যা সাইজোগোনি নামে পরিচিত। যখন এই প্রক্রিয়াটি লোহিত রক্তকণিকায় ঘটে, তখন এটিকে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায়, পরজীবী বিভাজিত হয়ে নতুন মেরোজোইট সৃষ্টি করে, যা আরও লোহিত কণিকায় সংক্রমণ ঘটায়।
“এক্সো- এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি”:
ভ???ল অপশন:
এক্সো- এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি সেই প্রক্রিয়া বোঝায় যা লোহিত কণিকার বাইরে ঘটে। এটি লিভারে ঘটে এবং এর ফলস্বরূপ পরজীবী লোহিত কণিকায় প্রবেশ করে। তাই এই প্রক্রিয়া লোহিত কণিকায় ঘটে না এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
“হেপাটিক সাইজোজোনি”:
ভুল অপশন:
হেপাটিক সাইজোজোনি সেই প্রক্রিয়া বোঝায় যা লিভারে ঘটে। এটি ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রের একটি প্রাথমিক পর্যায়ে ঘটে, যখন পরজীবী লিভার কোষে প্রবেশ করে এবং বিভাজন শুরু করে। তবে, প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে লোহিত কণিকা, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
“শ্রী- এরিট্রোসাইটিক সাইজোজোনি”:
ভুল অপশন:
এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এখানে ‘শ্রী’ শব্দটি প্রশ্নের প্রসঙ্গে ভুলভাবে ব্যবহার হয়েছে। শ্রী- এরিট্রোসাইটিক সাইজোজোনি বলে কিছু নেই, এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর ??তে পারে না।
নোট:
এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবচক্র এবং তার বিভিন্ন পর্যায় সম্পর্কে গভীর ধারণা দেওয়া হচ্ছে। এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি ম্যালেরিয়া রোগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়, যেখানে পরজীবী লোহিত কণিকায় বিভাজিত হয়ে ম্যালেরিয়া রোগের লক্ষণ সৃষ্টি করে। সঠিক উত্তর হলো “এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি,” যা লোহিত রক্তকণিকায় ম্যালেরিয়া পরজীবীর বিভাজন প্রক্রিয়া নির্দেশ করে।
2 / 25
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “কোনটি হ্যাপ্লয়েড?”
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের হ্যাপ্লয়েড এবং ডিপ্লয়েড কোষের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয???েছে। হ্যাপ্লয়েড কোষে একগুণ ক্রোমোজোম থাকে, যা সাধারণত জনন কোষে দেখা যায়।
অপশন বিশ্লেষণ:
জাইগোট:
ভুল অপশন:
জাইগোট হলো ডিপ্লয়েড কোষ, যা দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট (স্পার্ম ও ডিম্বাণু) এর মিলনের ফলে তৈরি হয়। এতে দুটি ক্রোমোজোম সেট থাকে, তাই এটি হ্যাপ্লয়েড নয়।
উকিনেট:
ভুল অপশন:
উকিনেট হলো পরজীবী জীবাণুর একটি বিশেষ দশা, যা হ্যাপ্লয়েড নয়। এটি ডিপ্লয়েড কোষ হতে পারে, তবে এটি হ্যাপ্লয়েড কোষ নয়।
স্পোরাঞ্জিয়াম:
সঠিক অপশন:
স্পোরাঞ্জিয়াম হলো হ্যাপ্লয়েড কোষের উদাহরণ, যা মাইোসিসের মাধ্যমে তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে জনন কোষে পরিণত হয়। এটি সাধারণত উদ্ভিদ ও ফাঙ্গাসে দেখা যায়। তাই এই অপশনটি সঠিক।
অফস্প্রিং:
ভুল অপশন:
অফস্প্রিং বা সন্তান হলো ডিপ্লয়েড কোষের একটি উদাহরণ, যা মাতৃ ও পিতৃ কোষের মিলনের ফলে তৈরি হয়। এটি হ্যাপ্লয়েড নয়।
নোট:
হ্যাপ্লয়েড এবং ডিপ্লয়েড কোষের পার্থক্য বোঝা জীববিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হ্যাপ্লয়েড কোষের মধ্যে একগুণ ক্রোমোজোম থাকে, যা প্রধানত জনন কোষ হিসেবে কাজ করে। স্পোরাঞ্জিয়াম একটি হ্যাপ্লয়েড কোষের উদাহরণ যা শিক্ষার্থীদের জন্য মাইোসিস এবং জনন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট করতে সহায়ক।
3 / 25
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “ক্যাপসিডের একক কোনটি?”
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাসের কাঠামোগত উপাদান সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ভাইরাসের ক্যাপসিড হলো প্রোটিনের একটি স্তর, যা ভাইরাসের জিনোমকে রক্ষা করে। ক্যাপসিডের গঠনমূলক একক হলো ক্যাপসোমিয়ার, যা ছোট প্রোটিন সাবইউনিট দ্বারা তৈরি।
অপশন বিশ্লেষণ:
কনিডিয়া:
ভুল অপশন: কনিডিয়া হলো ছত্রাকের অযৌন স্পোর। এটি ভাইরাসের ক্যাপসিডের সাথে কোনো সম্পর??ক রাখে না।
গ্যাস্টোসাইট:
ভুল অপশন: গ্যাস্টোসাইট হলো পরিপাকতন্ত্রের কোষ, যা হজমে সহায়ক। এটি ভাইরাসের ক্যাপসিডের সাথে সম্পর্কিত নয়।
স্পোরোজোয়েট:
ভুল অপশন: স্পোরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া পরজীবির একটি স্টেজ। এটি ভাইরাসের ক্যাপসিডের সাথে সম্পর্কিত নয়।
ক্যাপসোমিয়ার:
সঠিক উত্তর: ক্যাপসোমিয়ার হলো ক্যাপসিডের গঠনমূলক একক। এটি ভাইরাসের প্রোটিন স্তর তৈরি করে, যা ভাইরাসের জিনোমকে রক্ষা করে।
নোট:
এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাইরাসের গঠন সম্পর্কে আরও সঠিক ধারণা লাভ করবে। ক্যাপসোমিয়ার হলো ক্যাপসিডের মূল গঠনমূলক একক, যা ভাইরাসের জিনোমকে সুরক্ষা দেয়। এটি ভাইরাসের কাঠামো সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। সঠিক উত্তর হলো ক্যাপসোমিয়ার ।
4 / 25
4.
নিচের কোনটি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পা???ে?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “নিচের কোনটি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে?”
এই প্রশ্নটি ভাইরাসের কার্যকারিতা এবং এটি কিভাবে বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় করা যায়, সেই বিষয়ে জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ভাইরাস একটি জীবাণু যা জীবিত কোষে প্রবেশ করে এবং সেখানে নিজেকে প্রতিলিপি করতে সক্ষম হয়। কিছু রাসায়নিক পদার্থ এবং শারীরিক পদ্ধতি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম।
অপশন বিশ্লেষণ:
রাইবোযোম:
ভুল অপশন:
রাইবোযোম একটি কোষীয় অঙ্গাণু, যা প্রোটিন সংশ্লেষণের কাজ করে। এটি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে না। বরং, ভাইরাস প্রায়শই রাইবোযোম ব্যবহার করে তার প্রোটিন উৎপাদন করে। তাই, এই অপশনটি সঠিক নয়।
ইন্টারফেরন:
সঠিক অপশন:
ইন্টারফেরন একটি প্রাকৃতিক প্রোটিন, যা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি থামিয়ে তাকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
হরমোন:
ভুল অপশন:
হরমোন সাধারণত শরীরের বিভিন্ন কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু এটি ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করার সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। তাই, এই অপশনটি সঠিক নয়।
ব্যাকটেরিয়া:
ভুল অপশন:
ব্যাকটেরিয়া একটি পৃথক জীবাণু, যা ভাইরাসের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ব্যাকটেরিয়া নিজে ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে না। তাই, এই অপশনটিও সঠিক নয়।
নোট:
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ভাইরাস সংক্রমণ এবং এর প্রতিরোধের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন করে। ইন্টারফেরন শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। শিক্ষার্থীদের ভাইরাস এবং অন্যান্য জীবাণু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার জন্য এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।
5 / 25
5.
ভাইরাসের গঠন কোন জোড়াটি সঠিক?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “ভাইরাসের গঠন কোন জোড়াটি সঠিক?”
এই প্রশ্নটি ভাইরাসের গঠন নিয়ে আলোচনা করে। ভাইরাস হল এক ধরনের জৈব অণু যা প্রোটিন ও নিউক্লিয়িক এসিড (DNA বা RNA) দিয়ে তৈরি হয়। এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত জীববিজ্ঞানের বেসিক ধারণাগুলি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা পরীক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
অপশন বিশ্লেষণ:
প্রোটিন ও নিউক্লিয়িক এসিড:
সঠিক অপশন: ভাইরাসের মূল গঠন প্রোটিন কোট এবং এর ভেতরে থাকা নিউক্লিয়িক এসিড দিয়ে তৈরি। প্রোটিন কোটটি ক্যাপসিড নামে পরিচিত যা ভাইরাসের জিনগত উপাদান (DNA বা RNA) সুরক্ষা দেয়। তাই, এটি সঠিক উত্তর।
শর্করা ও নিউক্লিয়িক এসিড:
ভুল অপশন: ভাইরাসের গঠনে শর্করা থাকে না। ভাইরাস সাধারণত প্রোটিন এবং নিউক্লিয়িক এসিড দ্বারা গঠিত হয়।
প্রোটিন ও অ্যামাইনো এসিড:
ভুল অপশন: প্রোটিন গঠিত হয় অ্যামাইনো এসিড দিয়ে, কিন্তু ভাইরাসের মূল গঠন তৈরি হয় প্রোটিন কোট এবং নিউক্লিয়িক এসিড দিয়ে। তাই, এটি সঠিক উত্তর নয়।
শর্করা ও অ্যামাইনো এসিড:
ভুল অপশন: শর্করা এবং অ্যামাইনো এসিড উভয়ই ভাইরাসের গঠনের অংশ নয়। ভাইরাসের মূল উপাদান হল প্রোটিন এবং নিউক্লিয়িক এসিড।
নোট:
এই প্রশ্নটির মাধ্যমে ভাইরাসের গঠন সম্পর্কি?? মূল ধারণাগুলি যাচাই করা হচ্ছে। ভাইরাসের সঠিক গঠন বোঝা জীববিজ্ঞানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ভাইরাসের প্রজনন প্রক্রিয়া এবং জীবাণুবিদ্যার বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক উত্তর হল “প্রোটিন ও নিউক্লিয়িক এসিড,” কারণ ভাইরাস মূলত এই দুটি উপাদান দ্বারা গঠিত।
6 / 25
6.
বিনাইন টারশিয়ান ম্যালেরিতা পরজীবী কোনটি?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “বিভাইনে টারশিয়ান ম্যালেরিয়া পরজীবী কোনটি?”
এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়া রোগের বিভিন্ন পরজীবী এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীর জ্ঞান যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। ম্যালেরিয়া হল একটি সংক্রামক রোগ যা Plasmodium পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট, এবং এটি প্রধানত মশার মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। ম্যালেরিয়ার বিভিন্ন ধরনের পরজীবী রয়েছে, যেগুলি বিভিন্ন ধরনের ম্যালেরিয়া সংক্রমণের কারণ হতে পারে।
অপশন বিশ্লেষণ:
Plasmodium vivax:
সঠিক অপশন: Plasmodium vivax হল টারশিয়ান ম্যালেরিয়া পরজীবী যা ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। এটি সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ম্যালেরিয়া সংক্রমণের জন্য দায়ী। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
Plasmodium malariae:
ভুল অপশন: Plasmodium malariae হল কোয়ার্টান ম্যালেরিয়ার কারণ, যা টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
Plasmodium ovale:
ভুল অপশন: Plasmodium ovale একটি বিরল প্রজাতি যা মূলত আফ্রিকায় পাওয়া যায় এবং এটি টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
Plasmodium falciparum:
ভুল অপশন: Plasmodium falciparum হল সবচেয়ে মারাত্মক ম্যালেরিয়া পরজীবী যা প্রাণঘাতী সংক্রমণের কারণ হতে পারে। এটি টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। তাই, এই অপশনটি ভুল।
নোট:
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া রোগের বিভিন্ন পরজীবী এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক উত্তর এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ম্যালেরিয়ার বিভিন্ন ধরনের পরজীবী এবং তাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও গভীর জ্ঞান অর্জন করতে পারে।
7 / 25
7.
নিচের কোনটির দ্বারা গনোরিয়া রোগ হয়?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “নিচের কোনটির দ্বারা গনোরিয়া রোগ হয়?”
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের যৌনবাহিত রোগ সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। গনোরিয়া একটি যৌনবাহিত রোগ যা নিসেরিয়া গনোরিয়া নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয়। এই ধরনের প্রশ্ন যৌনবাহিত রোগের সংক্রমণ এবং এর কারণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক।
অপশন বিশ্লেষণ:
ছত্রাক:
ভুল অপশন: গনোরিয়া রোগ ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট হয় না। ছত্রাক দ্বারা কিছু সংক্রমণ হতে পারে, তবে গনোরিয়া এর মধ্যে পড়ে না। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
ভাইরাস:
ভুল অ??শন: গনোরিয়া একটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ। এটি কোনো ভাইরাসজনিত রোগ নয়। তাই এই অপশনটিও সঠিক নয়।
ব্যাকটেরিয়া:
সঠিক অপশন: গনোরিয়া রোগ নিসেরিয়া গনোরিয়া (Neisseria gonorrhoeae) নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট। তাই এই অপশনটি সঠিক।
প্রটোজোয়া:
ভুল অপশন: গনোরিয়া রোগ প্রটোজোয়া দ্বারা সৃষ্ট নয়। প্রটোজোয়া বিভিন্ন ধরনের রোগ সৃষ্টি করতে পারে, তবে গনোরিয়া এর মধ্যে পড়ে না।
নোট:
এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যৌনবাহিত রোগ এবং তার কারণ সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানতে পারবে। গনোরিয়া রোগটি একটি সাধারণ যৌনবাহিত রোগ যা নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয়। এই ধরনের প্রশ্ন যৌন স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
8 / 25
8.
কোনটি পানি বাহিত রোগ ?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “কোনটি পানি বাহিত রোগ?”
এই প্রশ্নটি মানুষের স্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত, বিশেষত কোন রোগগুলি পানির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তা নির্ধারণ করার জন্য। পানি বাহিত রোগগুলির মধ্যে অনেকগুলি রোগ রয়েছে, যা দূষিত পানি পান বা ব্যবহারের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে। প্রশ্নটির উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের পানির মাধ্যমে ছড়ানো রোগ সম্পর্কে সচেতন করা।
অপশন বিশ্লেষণ:
ম্যালেরিয়া:
ভুল অপশন: ম্যালেরিয়া হলো একটি মশাবাহিত রোগ, যা প্লাজমোডিয়াম নামক এককোষী জীবাণু দ্বারা হয় এবং এটি সাধারণত মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। এটি কোনো পানি বাহিত রোগ নয়।
লেপ্রসি:
ভুল অপশন: লেপ্রসি বা কুষ্ঠরোগ একটি ব্যাকটেরিয়াল রোগ, যা হ্যানসেনের রোগ নামেও পরিচিত। এটি দীর্ঘমেয়াদে সংক্রমিত হয়, কিন্তু এটি কোনো পানি বাহিত রোগ নয়। এই রোগটি সাধারণত দীর্ঘ সময়ের জন্য সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে ছড়ায়।
টাইফয়েড:
সঠিক অপশন: টাইফয়েড একটি পানি বাহিত রোগ, যা সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে হয়। দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায় এবং এতে ডায়রিয়া, জ্বর, ওষ্ঠপাকস্থলীর সমস্যা দেখা দেয়।
ডেঙ্গু:
ভুল অপশন: ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। এটি পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয় না, বরং এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়।
নোট:
পানি বাহিত রোগগুলি মানব স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, এবং টাইফয়েড হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পানি বাহিত রোগ। তাই, সঠিক উত্তর হলো “টাইফয়েড,” কারণ এটি দূষিত পানি বা খাদ্যের মাধ্যমে সংক্রমিত হয় এবং এর প্রাদুর্ভাব সাধারণত এমন অঞ্চলে ঘটে যেখানে পানি বিশুদ্ধকরণের অভাব রয়েছে।
9 / 25
9.
ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরকে কি বলে?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরকে কি বলে?”
এই প্রশ্নটি ব্যাকটেরিয়া সংক্রান্ত মাইক্রোবায়োলজির মৌলিক ধারণা সম্পর্কে। ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের অংশটি কী নামে পরিচিত, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এটি ব্যাকটেরিয়ার প্রতিরক্ষা ও পরিবেশের সাথে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়ার গঠন ও ফাংশন সম্পর্কে ধারণা যাচাই করা হয়।
অপশন বিশ্লেষণ:
Typical layer:
ভুল অপশন: এটি কোনো বৈজ্ঞানিক নাম নয় যা ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরকে বর্ণনা করে। “Typical” শব্দটি সাধারণ বা প্রাথমিক কিছু নির্দেশ করে, তবে ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরকে এই নামে ডাকা হয় না।
Particular layer:
ভুল অপশন: “Particular” শব্দটি নির্দিষ্ট বা বিশেষ কিছু বোঝায়, তবে এটি ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরের সঠিক নাম নয়। এটি প্রশ্নটির সাথে সম্পর্কিত হলেও সঠিক উত্তর নয়।
Slyme layer:
সঠিক অপশন: ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরকে সাধারণত “Slyme layer” বা “Slime layer” বলা হয়। এটি ব্যাকটেরিয়ার বাইরের পলিস্যাকারাইডের স্তর, যা ব্যাকটেরিয়াকে শুষ্ক পরিবেশে বেঁচে থাকতে এবং প্রতিকূল অবস্থায় রক্ষা করতে সাহায্য করে।
Thin layer:
ভুল অপশন: যদিও ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরটি পাতলা হতে পারে, এটি কোনো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক নাম নয় যা এই স্তরকে সঠিকভাবে বর্ণনা করে। এটি সাধারণত কোষের আকার বা গঠনের সাথে সম্পর্কিত একটি শব্দ।
নোট:
ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তর বা স্লাইম লেয়ার তাদের প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা এবং পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষকে শুষ্ক পরিবেশ, আক্রমণকারী প্রোটিন, এবং অন্যান্য প্রতিকূল পরিবেশগত অবস্থার বিরুদ্ধে রক্ষা করে। সঠিক উত্তর হলো “Slyme layer,” যা ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তর হিসেবে পরিচিত।
ব্যাকটেরিয়ার বাইরের স্তরকে স্লাইমার স্থর বলে।
10 / 25
10.
কোন রোগটি ব্যাকটে???িয়া সৃষ্ট?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “কোন রোগটি ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট?”
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ এবং অন্যান্য প্যাথোজেন দ্বারা সৃষ্ট রোগগুলোর মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়া অনেক রোগের কারণ হতে পারে, এবং সঠিক রোগ চিহ্নিত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্যাথোজেন সম্পর্কিত জ্ঞান বাড়াতে পারবে।
অপশন বিশ্লেষণ:
ম্যালেরিয়া:
ভুল অপশন: ম্যালেরিয়া একটি প্রোটোজোয়া পরজীবি (প্লাজমোডিয়াম) দ্বারা সৃষ্ট রোগ, যা মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। এটি ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট রোগ নয়।
ডেঙ্গু:
ভুল অপশন: ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। এটি ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট নয়।
কলেরা:
সঠিক উত্তর: কলেরা একটি ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট রোগ, যা Vibrio cholerae ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। এটি পানির মাধ্যমে এবং খারাপ স্যানিটেশনের কারণে ছড়ায়।
হেপাটাইটিস:
ভুল অপশন: হেপাটাইটিস একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা প্রধানত লিভারকে প্রভাবিত করে। এটি ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট নয়।
নোট:
এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য প্যাথোজেন দ্বারা সৃষ্ট রোগগুলোর মধ্যে পার্থক্য বুঝতে সহায়ক। সঠিক উত্তর হলো কলেরা , যা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি সাধারণ রোগ।
11 / 25
11.
সোয়াইন ফ্লু রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস কোনটি?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “সোয়াইন ফ্লু রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস কোনটি?”
এই প্রশ্নটি সোয়াইন ফ্লু রোগের কারণভিত্তিক জ্ঞান যাচাইয়ের জন্য করা হয়েছে। সোয়াইন ফ্লু একটি ভাইরাস জনিত রোগ, যা সাধারণত শূকর এবং মানব উভয়ের মধ্যেই সংক্রমিত হতে পারে।
অপশন বিশ্লেষণ:
CMV:
ভুল অপশন: CMV বা Cytomegalovirus একটি ভিন্ন ধরনের ভাইরাস যা হারপিস ভাইরাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এটি সোয়াইন ফ্লুর কারণ নয়।
HIV:
ভুল অপশন: HIV (Human Immunodeficiency Virus) হলো এআইডস এর জন্য দায়ী ভাইরাস। এটি সোয়াইন ফ্লুর কারণ নয়।
H1N1:
সঠিক অপশন: H1N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস টাইপ এ-এর একটি স্ট্রেইন, যা সোয়াইন ফ্লু রোগের জন্য দায়ী। এটি মূলত শূকর থেকে মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে এবং মহামারী সৃষ্টি করতে সক্ষম।
রুবেলা:
ভুল অপশন: রুবেলা ভাইরাস হলো জার্মান মিজলস নামে পরিচিত রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস। এটি সোয়াইন ফ্লুর জন্য দায়ী নয়।
নোট:
সোয়াইন ফ্লু একটি বিশেষ ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের কারণে ঘটে, বিশেষত H1N1 ভাইরাসের মাধ্যমে। সোয়াইন ফ্লু রোগ সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখতে এই ধরনের প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক।
12 / 25
12.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত জ্বর নয়?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত জ্বর নয়?”
এই প্রশ্নটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের রোগ সংক্রান্ত অংশের একটি বিষয়। এখানে ভাইরাসজনিত জ্বর এমন একটি জ্বর যা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়। তবে, এই প্রশ্নের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ভাইরাসজনিত ও ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য কারণে সৃষ্ট জ্বরের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে সাহায্য করা।
অপশন বিশ্লেষণ:
ডেঙ্গু জ্বর:
ভুল অপশন: ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা মশার মাধ্যমে ছড়ায়। তাই এটি ভাইরাসজনিত জ্বর এবং সঠিক উত্তর নয়।
চিকুনগুনিয়া জ্বর:
ভুল অপশন: চিকুনগুনিয়া একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এটি ভাইরাসজনিত জ্বরের অন্তর্ভুক্ত।
টাইফয়েড জ্বর:
সঠিক অপশন: টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়া (Salmonella typhi) দ্বারা সৃষ্ট জ্বর। এটি ভাইরাসজনিত নয়, তাই সঠিক উত্তর হলো টাইফয়েড জ্বর।
ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর:
ভুল অপশন: ইনফ্লুয়েঞ্জা একটি ভাইরাসজনিত জ্বর যা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি ভাইরাসজনিত জ্বরের একটি উদাহরণ।
নোট:
ভাইরাসজনিত ও ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বরের মধ্যে পার্থক্য বোঝা রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর, যা ভাইরাসজনিত নয়। সঠিক উত্তর হলো টাইফয়েড জ্বর ।
13 / 25
13.
নিচের কোন রোগটি ভাইরাস দ্বারা হয়?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “নিচের কোন রোগটি ভাইরাস দ্বারা হয়?”
এই প্রশ্নটি ভাইরাসজনিত রোগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি। ভাইরাস হলো এক ধরনের সংক্রামক এজেন্ট যা জীবন্ত কোষের ভেতরে প্রবেশ করে এবং সেগুলিকে সংক্রমিত করে বিভিন্ন রোগের কারণ সৃষ্টি করে।
অপশন বিশ্লেষণ:
পোলিও:
সঠিক অপশন: পোলিও একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা পোলিও ভাইরাসের কারণে হয়। এই রোগটি স্নায়ুতন্ত্রের ওপর আক্রমণ করে এবং পঙ্গুত্বের কারণ হতে পারে। তাই, এই অপশনটি সঠিক।
ডিপথেরিয়া:
ভুল অপশন: ডিপথেরিয়া একটি ব্যাকটেরিয়া-জনিত রোগ যা Corynebacterium diphtheriae নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। তাই, এটি ভুল অপশন।
কলেরা:
ভুল অপশন: কলেরা Vibrio cholerae নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংঘটিত হয়, যা একটি ব্যাকটেরিয়া-জনিত রোগ। তাই, এই অপশনটিও ভুল।
টাইফয়েড:
ভুল অপশন: টাইফয়েড রোগ স্যালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংঘটিত হয়, যা ভাইরাস নয়। তাই, এটি ভুল অপশন।
নোট:
ভাইরাসজনিত এবং ব্যাকটেরিয়া-জনিত রোগগুলির মধ্যে পার্থক্য বোঝা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই রোগগুলির চিকিৎসা এবং প্রতিরোধ পদ্ধতি ভিন্ন। পোলিওর মতো ভাইরাসজনিত রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন অত্যন্ত কার্যকর, যা শিক্ষার্থীদের এই বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে সহায়ক।
14 / 25
14.
কোনটি উদ্ভিদদেহের রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাস?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “কোনটি উদ্ভিদের রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাস?”
এই প্রশ্নটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের উদ্ভিদের রোগ এবং ভাইরাস সম্পর্কে ধারণা যাচাই করতে দেয়। উদ্ভিদের রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসগুলো উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশকে আক্রমণ করে।
অপশন বিশ্লেষণ:
ইমেলো ফিভার ভাইরাস:
ভুল অপশন: এটি উদ্ভিদের রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাস নয়; এটি সাধারণত প্রাণীদের মধ্যে সৃষ্ট ভাইরাস।
টুনবো ভাইরাস:
সঠিক অপশন: এটি একটি উদ্ভিদের রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাস। উদ্ভিদে এটি বিভিন্ন ধরণের রোগ সৃষ্টি করে।
ফুট অ্যান্ড মাউথ ভাইরাস:
ভুল অপশন: এই ভাইরাসটি প্রাণীদের মধ্যে রোগ সৃষ্টি করে এবং এটি উদ্ভিদের রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাস নয়।
ফ্লু ভ্যাক্সিন ভাইরাস:
ভুল অপশন: এটি মানুষের মধ্যে ফ্লু প্রতিরোধের জন্য ব্যবহৃত একটি ভাইরাস। উদ্ভিদের সাথে এর কোনো সম্পর্ক ??েই।
নোট:
উদ্ভিদের রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাসগুলোর মধ্যে “টুনবো ভাইরাস” অন্যতম। এটি উদ্ভিদের মধ্যে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম। সঠিক উত্তর হলো “টুনবো ভাইরাস।”
15 / 25
15.
মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা কোনটি?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা কোনটি?”
এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়া জীবাণুর (Plasmodium) জীবনচক্রের প্রথম ধাপ সম্পর্কে ধারণা যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়ার পর ম্যালেরিয়া জীবাণু মানবদেহে বিভিন্ন ধাপে তার চক্র সম্পন্ন করে। এর মধ্যে প্রথম দশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা জীবাণুর সংক্রমণের সূচনা করে।
অপশন বিশ্লেষণ:
মেরোজোয়েট:
ভুল অপশন: মেরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর একটি দশা, তবে এটি প্রথম ধাপ নয়। মেরোজোয়েট লোহিত রক্তকণিকায় প্রবেশ করে এবং কোষের ভেতরে বিভাজন করে।
ক্রিসপোজোয়েট:
ভুল অপশন: ক্রিসপোজোয়েট নামের কোনো ধাপ ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবচক্রে নেই, তাই এটি ভুল অপশন।
ট্রুফোজোয়েট:
ভুল অপশন: ট্রুফোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর একটি দশা, যা লোহিত রক্তকণিকায় বিভাজন শেষে গঠিত হয়। তবে এটি প্রথম ধাপ নয়।
স্পোরোজোয়েট:
সঠিক উত্তর: স্পোরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা, যা মশার কামড়ের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে। এটি রক্তের মাধ্যমে লিভারে গিয়ে সংক্রমণ শুরু করে।
নোট:
এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবনচক্র এবং এর সংক্রমণ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবে। স্পোরোজোয়েট হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা, যা মশার কামড়ের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
16 / 25
16.
নিচের কোনটি ডিএনএ (DNA) ভাইরাস?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “নিচের কোনটি ডিএনএ (DNA) ভাইরাস?”
এই প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানের ভাইরাসবিজ্ঞান বিভাগের মধ্যে পড়ে, যেখানে ভাইরাসের জিনগত উপাদান (DNA বা RNA) সম্পর্কিত জ্ঞান যাচাই করা হয়। কিছু ভাইরাসের জিনগত উপাদ???ন DNA-তে থাকে, অন্যদিকে কিছু ভাইরাসের RNA-তে থাকে। এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের DNA ভাইরাস চিহ্নিত করতে বলছে।
অপশন বিশ্লেষণ:
র্যাবিস (Rabies):
ভুল অপশন: র্যাবিস হলো একটি RNA ভাইরাস। এটি র্যাবডোভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত, যার জিনগত উপাদান RNA-তে থাকে। তাই এটি DNA ভাইরাস নয়।
হেপাটাইটিস সি (Hepatitis-C):
ভুল অপশন: হেপাটাইটিস সি ভাইরাসও RNA ভাইরাস। এটি ফ্ল্যাভিভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত এবং এর জিনগত উপাদান RNA তে থাকে। তাই এটি DNA ভাইরাস নয়।
পোলিও (Polio):
ভুল অপশন: পোলিও ভাইরাসও একটি RNA ভাইরাস। এটি পিকর্নাভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত এবং এর জিনগত উপাদান RNA তে থাকে। তাই এটি DNA ভাইরাস নয়।
হারপেস (Herpes):
সঠিক অপশন: হারপেস হলো একটি DNA ভাইরাস। এটি হারপেসভিরিডি পরিবারের অন্তর্গত এবং এর জিনগত উপাদান DNA তে থাকে। হারপেস ভাইরাস বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে যেমন হারপেস সিম্প্লেক্স ভাইরাস (HSV) এবং ভ্যারিসেলা-জোস্টার ভাইরাস (VZV)।
নোট:
DNA ভাইরাস সেই ভাইরাসগুলো যা তাদের জিনগত উপাদান হিসেবে ডিএনএ ব্যবহার করে। হারপেস ভাইরাস এদের মধ্যে অন্যতম। সঠিক উত্তর হলো “হারপেস (Herpes)” ।
17 / 25
17.
নিচের কোন ভাইরাসটির বহিঃস্থ আবরণ নেই?
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “নিচের কোন ভাইরাসটির বাহ্যিক আবরন নেই?”
এই প্রশ্নটি ভাইরাসের গঠন ও আবরন (envelope) সম্পর্কিত জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন ভাইরাসের আবরন রয়েছে, আবার কিছু ভাইরাসে বাহ্যিক আবরন নেই।
অপশন বিশ্লেষণ:
Human Immunodeficiency Virus (HIV): ভুল অপশন: HIV একটি এনভেলপড (বাহ্যিক আবরনযুক্ত) ভাইরাস। এটি লিপিড মেমব্রেনের মাধ্যমে আবৃত থাকে, যা এটিকে সংক্রামক ও কার্যকরী করে তোলে।
Influenza Virus: ভুল অপশন: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসও একটি এনভেলপড ভাইরাস। এর বাহ্যিক আবরন রয়েছে যা এটিকে শত্রু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।
Tobacco Mosaic Virus (TMV): সঠিক অপশন: টোব্যাকো মোজাইক ভাইরাস একটি আবরনহীন ভাইরাস। এটি এনভেলপড নয় এবং শুধুমাত্র প্রোটিন কোটের মাধ্যমে সংরক্ষিত থাকে, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
Herpes Virus: ভুল অপশন: হার্পেস ভাইরাসও একটি এনভেলপড ভাইরাস। এর বাহ্যিক আবরন রয়েছে, যা এটিকে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
নোট:
এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাইরাসের গঠন ও এনভেলপ সংক্রান্ত ধারণা অর্জন করতে পারবে। TMV উদ্ভিদ ভাইরাস, যা আবরনহীন এবং বাকি সব ভাইরাস এনভেলপযুক্ত।
18 / 25
প্রশ্ন বিশ্লেষণ:
প্রশ্ন: “IEDCR এর পূর্ণরূপ কী?”
এই প্রশ্নটি জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত এবং বিশেষ করে রোগতত্ত্ব ও রোগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত জ্ঞান যাচাই করার জন্য প্রাসঙ্গিক। IEDCR (Institute of Epidemiology Disease Control and Research) হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যা রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং গবেষণা নিয়ে কাজ করে।
অপশন বিশ্লেষণ:
Institute of Epidemiology Disease Control And Research :
সঠিক অপশন: এটি IEDCR-এর সঠিক পূর্ণরূপ। এটি বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান।
Institution of Epidemiology Disease Control And Research :
ভুল অপশন: এখানে “Institution” শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যা ভুল। IEDCR-এর পূর্ণরূপে “Institute” শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
Institute of Epidemiology Disease Control of Research :
ভুল অপশন: এখানে “of Research” শব্দগুচ্ছ ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। সঠিক শব্দগুচ্ছ হবে “And Research”।
Institute of Epidemic Disease Control And Research :
ভুল অপশন: এখানে “Epidemic Disease” শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয়েছে, যা ভুল। সঠিক হবে “Epidemiology Disease”।
নোট:
IEDCR (Institute of Epidemiology Disease Control And Research) হলো বাংলাদেশ সরকারের রোগতত্ত্ব ও রোগ নিয়ন্ত্রণের মূল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। সঠিক উত্তর হলো “Institute of Epidemiology Disease Control And Research” ।
he Institute of Epidemiology, Disease Control And Research is a Bangladesh government research institute, under the Ministry of Health, responsible for researching epidemiological and communicable disease in Bangladesh as well as disease control. Tahmina Shirin is the head of the organization.
19 / 25
19.
অ্যাথলেট’স ফুট (Athlete’s foot) এর কারন কি?
EXPLANATION:
RESULT
সবার রেজাল্ট একসাথে দেখার জন্য ‘Show’ এর পাশে ‘5’ ক্লিক করার পর ‘All’ এ ক্লিক করেন। ‼ এক্সাম SUBMIT করার পর, রেজাল্টে আপনার মেরিট দেখতে পেজটিকে একবার Reload করুন।
DETAILS
আপনি যদি লগিন করে এক্সাম দেন, তাহলে আপনার দাগানো কোন MCQ সঠিক এবং ভুল ছিল, সব দেখতে পারবেন এখানে।
You must log in to see your results.