১. রেজিস্ট্রার ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসে দ্রুত অটোমেশন বাস্তবায়ন করা
প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য অনলাইনে নিজস্ব ড্যাশবোর্ড থাকবে, যেখান থেকে তারা এডুকেশন ফি, এক্সাম ফি সহ বিবিধ ফি পে করতে পারবে। সহজেই তাদের প্রাপ্য স্কলারশিপের টাকা উত্তোলন করতে পারবে এবং প্রভিশিনাল সার্টিফিকেট তুলতে পারবে।
২. মেডিকেল ডাটাবেজ তৈরি করা
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য অনলাইন পোর্টালভিত্তিক একটি মেডিকেল ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। যেখানে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সকল বেসিক তথ্যের পাশাপাশি, বিগত দিনে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার হতে কোন অসুস্থতার কারণে, কি সেবা নিয়েছে সেটির যাবতীয় তথ্য থাকবে। কেবলমাত্র শিক্ষার্থী নিজে এবং ইমারজেন্সি পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে ডাক্তারেরা এই পোর্টালে এক্সেস পাবে।
৩. লাইব্রেরির অত্যাধুনিক ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্টের জন্য কাজ করা
বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি অনলাইনভিত্তিক লক্ষাধিক বইয়ের সমাহার সম্পন্ন লাইব্রেরির ওয়েব পোর্টাল তৈরি করা হবে। ওয়েব পোর্টালে এক্সেস করে বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির বইয়ের তালিকা এবং বইগুলোর অফলাইন অ্যাভেইলেবিলিটি সম্পর্কে জানা যাবে। এছাড়াও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও রেজিস্ট্রার এর সাথে সংযোগ করে অনলাইনে লাইব্রেরি ক্লিয়ারেন্স করা যাবে।
৪. Edu-Mail এর কার্যপরিধি বৃদ্ধি
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ই-মেইল আইডির স্টোরেজ লিমিট বৃদ্ধি এবং তা ব্যবহার করে বিশ্বমানের অনলাইন জার্নাল, এডটেক প্ল্যাটফর্ম ও প্রোডাক্টিভ ওয়েবসাইটগুলোর অ্যাকসেস নিশ্চিত করা ।
৫. সমগ্র ক্যাম্পাস জুড়ে ফ্রি ওয়াইফাই সার্ভিস চালু করা
পুরো ক্যাম্পাসকে ওয়াইফাই জোনের আওতায় আওতায় আনা। একজন শিক্ষার্থী তার জন্য বরাদ্দকৃত নির্দিষ্ট আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ক্যাম্পাসের যে কোন স্থান থেকে সহজেই ওয়াইফাই এর এক্সেস পাবে।