সজল জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছে। কত রাত্রি অনুশোচনায় তার ঘুম হয়নি। এখন তার আত্মোপলব্ধি হয়েছে। সে ভাবে আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোটো হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মযন্ত্রণা ভোগ করব না।
উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'আগুনের সম্মার্জনা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'যার ভিতরে ভয়, সেই বাইরে ভয় পায়।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'পৃথিবীতে এমন কেউ কেউ আছেনমিথ্যার সাথে করেন না আপসকোথাও মেকি দেখলেই ঝরেতাদের রোষকেউ কেউ বলে এটা তাদের দোষঅনেকেই, তাদের বাহবা দিয়ে বলেআছে বটে সাহস।'"উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূলভাবের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'ও রকম বিনয়ের চেয়ে অহংকারের পৌরুষ অনেক-অনেক ভালো।'- প্রাবন্ধিকের এ উক্তির কারণ ব্যাখ্যা করো।
- স্বামী বিবেকানন্দ আত্মবিশ্বাসকে একটি অতীব জরুরি গুণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিশ্বের ইতিহাস হলো কয়েকজন আত্মবিশ্বাসসম্পন্ন মানুষের ইতিহাস। নিজের উপর বিশ্বাস থাকলে তবেই অন্তরে দেবত্ব জাগ্রত হয়। তাই তিনি বলেন, 'তেত্রিশ কোটি দেব-দেবীতে বিশ্বাস থাকলেও কারো যদি আত্মবিশ্বাস না থাকে, তবে সে মুক্তি পাবে না।'উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের মানুষ মামুন। ন্যায়-অন্যায়, 'ভালোমন্দ সব বিষয়েই তিনি রেগে যান। এজন্য পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকাবাসীও তার উপর বিরক্ত। কিন্তু মামুনের বক্তব্য তিনি কোনো ভুল বা অন্যায় করছেন না বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন এবং এ কারণে প্রয়োজনেই চিৎকার করেন, রাগ হয়ে যান। তবে একদিন তাকে এই রাগের খেসারত দিতে হয়। মামুনের সন্তান বাবার ভয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এরপর থেকে মামুন সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি বুঝতে পারেন সব সময় রেগে থাকার মাধ্যমে কোনো সমাধান হয় না। তিনি তার ভুল শুধরে নতুনভাবে জীবন যাপন করেন।উদ্দীপকের মামুনের মনোভাবনার মধ্য দিয়ে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।
- বিষয় সম্পর্কে পূর্বধারণা নিয়ে যে সকল শিক্ষার্থী এসেছিল কেবল তারাই শ্রেণিকক্ষের পাঠদান বুঝতে পারল। বোঝানোর জন্য শিক্ষক তো আছেনই, এই ভরসায় যারা শ্রেণিকক্ষে গিয়েছিল তাদের অর্জন শূন্য।উদ্দীপক 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে অনুষঙ্গ ধারণ করে তা হলো-দাসত্বস্বাবলম্বনপরাবলম্বননিচের কোনটি সঠিক?
- সক্রেটিস বলেন, 'নো দাই সেল্ফ।' এ বাপীটি নজরুলের যে কথাকে সমর্থন করে -
- কোন গুচ্ছটি ঠিক?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক কাকে সালাম জানিয়েছেন?
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।'-ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, কিসের মধ্য দিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়?
- 'সোশিয়ালিস্টিক' শব্দটি নিচের কোন ব্যক্তিত্বেরসাথে সম্পর্কযুক্ত?
- মৃত্যু-ক্ষুধা' কোন ধরনের রচনা?
- স্বামী বিবেকানন্দ আত্মবিশ্বাসকে একটি অতীব জরুরি গুণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিশ্বের ইতিহাস হলো কয়েকজন আত্মবিশ্বাসসম্পন্ন মানুষের ইতিহাস। নিজের উপর বিশ্বাস থাকলে তবেই অন্তরে দেবত্ব জাগ্রত হয়। তাই তিনি বলেন, 'তেত্রিশ কোটি দেব-দেবীতে বিশ্বাস থাকলেও কারো যদি আত্মবিশ্বাস না থাকে, তবে সে মুক্তি পাবে না।''বিশ্বের ইতিহাস হলো কয়েকজন আত্মবিশ্বাসম্পন্ন মানুষের ইতিহাস।' মন্তব্যটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস গল্প-
- প্রবন্ধকার পরাবলম্বনকে সবচেয়ে বড় দাসত্ব বলেছেন কেন?
- সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান।সঙ্কটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো,নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনেরে হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।ধর্ম যবে শঙ্খরবে করিবে আহ্বাননীরব হয়ে নম্র হয়ে পণ করিয়ো প্রাণ।মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরে দিয়ো কঠিন পরিচয়। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে শিখনফল হিসেবে দেশের প্রতি তোমার একক দায়িত্ব কী তা বিশ্লেষণ করো।
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়?
- সজল জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছে। কত রাত্রি অনুশোচনায় তার ঘুম হয়নি। এখন তার আত্মোপলব্ধি হয়েছে। সে ভাবে আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোটো হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মযন্ত্রণা ভোগ করব না।"ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের খণ্ডচিত্র।" আলোচনা করো।
- দীর্ঘদিন ভারতের পরাধীনতার কারণ ব্যাখ্যার নজরুলের মতামত লেখো।
- যাকে অপদার্থ, অকর্মণ্য বলে উপহাস করা হচ্ছে, তাকে যদি কেউ সাহস দেয়, এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ এবং সহযোগিতার হাত বাড়ায়, তবে সেই মানুষটির মানসিক ও আত্মিক বিবর্তন ঘটবে। এতে অলস পরিশ্রমী হতে পারে, অপ্রতিভ সপ্রতিভ হবে, ভীরু সাহসী হবে, মূর্খ বিদ্বান হবে, দুর্বল বলবান হতে পারে। এর অন্যতম কারণ, সেই মানুষটির অন্তর্নিহিত সত্যের বিকাশ।"আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে" উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
- "মহত্ত্বের কাহিনী আমাদের অনেক আছে।" এখানে 'মহত্ত্ব' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?