'পাগলে কিনা বলে' নিম্নরেখা শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
A. কর্তায় ৬ষ্ঠী
B. কর্তায় ২য়া
C. কর্তায় ৭মী
D. করণে ৭মী
সঠিক উত্তরঃ
C.
কর্তায় ৭মী
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই রাখিনি সন্ধান।'- কবির এই উদাসীনতার প্রকৃত ধারণ কী?
- কবিতার কবির ব্যক্তি জীবন কীভাবে ধরা পড়েছে?
- প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের সম্পর্কের দিকটি কোন কবিতায় স্পষ্ট?
- 'অর্ঘ্য' শব্দের অর্থ কী?
- চারদিকে উৎসবের রঙ। নতুন বছরকে বরণ করার প্রাণান্তপ্রয়াস। সপ্তাহ দুয়েক আগে মাকে হারানো মেয়েটিকে শোকভোলাতেই নিয়ে এসেছে বান্ধবীরা। মায়ের স্মৃতি বুকে নিয়েওধীরে ধীরে মেয়েটি সহজ হয়ে উঠছে; উপভোগ করছে বর্ষবরণ। উদ্দীপকের 'বর্ষবরণ' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনবিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- আজ কবিতা উৎসব। দেশের প্রধান কবি হাসান বশির অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। চারিদিকে হৈ হৈ রব। এর মধ্যে খবর এলো হাসান বশিরের অতি আদরের এক নাতনি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। আয়োজকগণ অনুষ্ঠান স্থগিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে হাসান বশির অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত। মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, আমার নাতনি দুর্ঘটনাকবলিত হওয়ায় আমি গভীরভাবে শোকাহত । কিন্তু আমি চাই অনুষ্ঠানটি চলুক। উদ্দীপকের কবি হাসান বশির এবং 'তাহারেই পড়ে মনে'কবিতার কবির চিন্তা-চেতনায় প্রকাশ পেয়েছে— স্মৃতিকাতরতা মানবমনের রহস্যময়তাবৈপরীত্যনিচের কোনটি সঠিক?
- দরিদ্র রিকশাচালক রাশেদুলের মেয়ে রেবেকা এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী। সে মেধাবী ছাত্রী। রাশেদুলের স্বপ্ন রেবেকা বড় ডাক্তার হবে। মেয়ের পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য সে দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করে। রেবেকাও স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দিনরাত এক করে নিজেকে প্রস্তুত করছে। কিন্তু হঠাৎ আসা কালবৈশাখী ঝড়ের মতো বাবার মৃত্যু রেবেকার জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। রেবেকা তার লক্ষ্য থেকে ছিটতে পড়ে। বাবার মৃত্যুশোক তাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। অতঃপর ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে নিয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে চলে ইট-পাথরের যান্ত্রিক জীবনের পথে।উদ্দীপকের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।
- 'উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।উদ্দীপকের সুচিত্রা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- 'যে করে সেই কর্তা/কর্তা যাহা করে _____ বলে জানি তাহা কারকের বিচারে’ শূন্যস্থানে কী বসবে?
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।"উদ্দীপকের দুঃখবোধ আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার অনুভূতি একইসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- জীবনের সবক্ষেত্রে সফল আকাশ কিন্তু তার সাফল্য তার মাকে আলোড়িত করে না। মায়ের সমস্ত অন্তর জুড়ে অকালে হারিয়ে যাওয়া আবির ।উদ্দীপকের আবির 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কীসের প্রতিনিধিত্ব করে?
- 'পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।"প্রিয়জনের বিয়োগব্যথা আমাদের আনন্দ-আয়োজনের গতি ভিন্ন পথে ধাবিত করতে পারে।"- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা ও উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- কলেজ থেকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার গেল গালিবসহ তার বন্ধুরা। সাগরের পানিতে নেমেছে সবাই, খুবখুব হৈচৈ আর লাফালাফি করে গোসল করছে তারা। হিমছড়ি পাহাড়ে উঠে আনন্দে আত্মহারা সবাই। কিন্তু গালিব এক কোণে বসে আছে, তার মনে কোনো-আনন্দ নেই, কারণ পাঁচ বছর আগে সে তার বাবার সাথে এখানে এসেছিল, অনেক আনন্দ করেছিল সবাই মিলে। এখন তার বাবা নেই, কিন্তু বাবার রেখে যাওয়া সেই স্মৃতি তাকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে সমস্ত আনন্দই তার কাছে ম্লান হয়ে আসে।উদ্দীপকের গালিব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন দিকটি ধারণ করেছে? আলোচনা করো।
- একুশের বইমেলায় প্রতিবছর সবুজ সাহেবের কবিতার নতুন বই প্রকাশিত হয়। এ বছর তা হয়নি। গত ঈদে গ্রামের বাড়ির পুকুরে ডুরে সবুজ সাহেবের একমাত্র পুত্র ফয়সাল মারা যায়। কবি পুত্রশোকে শোকগ্রস্ত। বইমেলা উপলক্ষ্যে নতুন বই প্রকাশে কয়েকজন প্রকাশক কবি সবুজ সাহেবের কাছে পাণ্ডুলিপি চেয়েছেন। কিন্তু কবি কারো কথা রাখতে পারেননি।"উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বিষণ্ণতার সুর স্পষ্ট হয়েছে।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির উদাসীনতার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- 'মাঘের সন্ন্যাসীর' সাথে কবি নিজেকে তুলনা করেছেন মাঘের যে বৈশিষ্ট্যের কারণে-
- 'কোথা তব নব পুষ্প সাজ?' উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- পানের বনে হাওয়া যখন চঞ্চলতা জাগায়, তখন কে চঞ্চল হয়ে উঠে?
- জাতীয় দলের খেলোয়াড় মুন্না তিন বছরের শিশুপুত্রকেহারিয়ে শোকে মোহ্যমান। না ফেরার দেশে চলে যাওয়াপুত্রের শোক সামলাতে না পেরে সে খেলাধুলা ছেড়েদিয়েছে। তাইতো সে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ানগেমসে ফুটবল খেলায় অংশতো নেয়ই নি, এমনকি খেলাদেখতেও যায় নি।উদ্দীপকের মুন্না 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়?
- সুফিয়া কামালের পৈত্রিক নিবাস কোথায় ছিল?
- কোন কবিতায় কবির ব্যক্তি জীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে?
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-/দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?" এখানে কবির কোন অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে?
- 'কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?