সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মোট কয়টি দৃশ্য রয়েছে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর 'পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরোহণের পরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সাথে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তাঁর অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও শক্ত, হাতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।'আংশিক সাদৃশ্য থাকলেও হুমায়ুন ও সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক নয়'- বিশ্লেষণ করো।
- ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা। উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান ধানমন্ডির বাসায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকষড়যন্ত্রে সপরিবার শাহাদাত বরণ করেন। কিছু বিপথগামীসেনা সদস্য এ কাজে নিয়োজিত ছিল এবং তারাই হাজারবছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মেরে ফেলল। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাসকরতে পারেননি যে, তাঁকে কেউ মারতে পারে।উপর্যক্ত চরিত্রের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে- নিষ্ঠুরতাকৃতজ্ঞতাবিশ্বাসঘাতকতানিচের কোনটি সঠিক?
- মিরজাফর কোন দেশ হতে ভারতে আসেন?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।'-এর তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।
- যুদ্ধক্ষেত্রে সাদা নিশান ওড়ানো হয় কেন?
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহাধনবান,অসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান।……………………………………………হউক বীরেন্দ্র সে যেন রোস্তমশত শত দাস তার সেবুক চরণকরুক স্তাবকদল স্তব সংকীর্তন।কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমি হিত,স্বজাতির সেবা যে করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সত্বরঅতীব ঘৃণিত সে পাষণ্ড বর্বর।উদ্দীপকের শেষ চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রধান সেনাপতিকে নির্দেশ করে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তখন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন মোনায়েম খাঁ। বাঙালি হয়েও তিনি স্বদেশ ও স্বজাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। তার সাথে নানা অপতৎপরতায় যুক্ত হয় এ দেশের কিছু দালাল-দোসর। মোনায়েম খাঁ ও তার সহযোগী কুলাঙ্গারদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় হানাদার বাহিনী লাখ লাখ দেশপ্রেমিক বাঙালিকে হত্যা করে।উদ্দীপকের মোনায়েম খাঁ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়। চরিত্রটি কার এবং কেন? ব্যাখ্যা কর।
- "শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়" কে কী প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
- 'এতক্ষণে-অরিন্দম কহিলা বিষাদে-'জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিলরক্ষঃপুরে। হায়, তাত, উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী।নিজ গৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?'উদ্দীপকের তস্কর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘আপনাকে আমরা মায়ের মতো ভালোবাসি।’ -ঘসেটি বেগমকে উদ্দেশ্য করে এ কথাটি বলেছিল-
- মনা, লোভা, সুমিসহ মোট বারোজন নিজেদের আর্থিক উন্নতির জন্য একটি সমবায় সমিতি গঠন করে। সবাই প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে মনার কাছে জমা রাখে। কি??ুদিন পর মনা সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।উদ্দীপকে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- 'বিসর্জন' নাটকে সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ার কারণে শোকার্ত ভিখারি অপর্ণা। সে রাজা গোবিন্দ মাণিক্যের কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারির দুঃখ রাজচিত্তকে আহত করে। রাজা রাজ্যে পশুবলি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন কিন্তু তাঁর এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজ-পুরোহিত রঘুপতি। তিনি রাজার অনুজ নক্ষত্র রায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান।উদ্দীপকের নক্ষত্র রায়ের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমের সাদৃশ্য দেখাও।
- যতিন শেখ বহু বছর ধরে প্রবাসী। থাকা-খাওয়াসহ মাসিক বেতনের বিনিময়ে তার গ্রামের বাড়ি ও সম্পদ দেখাশুনা করে মোহন। প্রচন্ড অর্থলোভী মোহন যতিন শেখের সহায়-সম্পদের যথেচ্ছা ব্যবহার ও তা আত্মসাৎ করলেও যতিন শেখের কাছে সে ভীষণ বিশ্বাসভাজন। এবার দেশে এলে মোহন ডাকাত দলের সাথে মিলে যতিন শেখের বাড়ি ডাকাতি করে বিপুল অর্থ আত্মসাতের পরিকল্পনা করেছে। সে মনে করে অর্থই সব, অর্থের চেয়ে বড় আর কিছু নেই।উদ্দীপকের মোহন চরিত্রের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌল' নাটকের কোন ঘটনা ও চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা কর।
- 'আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু।'- উক্তিটি কার?
- পলাশি যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে কত হাজার সৈন্য ছিল?
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্যাপিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের অসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।'উদ্দীপকের প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রেক্ষাপটে কতটুকু সাদৃশ্য বহন করে?' আলোচনা করো।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে হানাদার বাহিনীর লোকেরা এদেশের ঘুমন্ত মানুষের উপর গুলি চালায় আর সেই রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ফলে এদেশের হাজার হাজার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশমাতাকে রক্ষা করতে। কিন্তু কিছু লোক ছিল যারা পাকিস্তানের দালালে পরিণত হয়ে রাজাকার, আলবদর নাম ধারণ করে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল। রমজাম এদের মধ্যে অন্যতম। রমজান ও তার সহযোগীরা ১৪ ডিসেম্বর দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের দেখিয়ে দিয়েছিল, আর পাকিস্তানিরা তাদের মূল্যবান জীবন কেড়ে নিয়েছিল। তবুও মুক্তিযোদ্ধারা সকল বাধা অতিক্রম করে ছিনিয়ে এনেছেন আমাদের স্বাধীনতা। প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে কখনো কুণ্ঠাবোধ করেন না।উদ্দীপকের রমজান 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রকে সমর্থন করে বলে তুমি মনে কর? ব্যাখ্যা কর।
- রোমের একচ্ছত্র অধিপতি জুলিয়াস সিজার। তাঁর সিনেটরয়া ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এমনকি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাসও এই হীন চক্রান্তে যোগ - দেয়। সিনেটে নৃশংসভাবে নিহত হন সিজার। মৃত্যুকালে বন্ধু ব্রুটাসের হাতেও উদ্যত ছুরি দেখে - বিস্মিত সিজার বলে ওঠেন, 'ব্রুটাস, তুমিও!'উদ্দীপকের জুলিয়াস সিজার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'-এ উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাঁর নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযোদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।'নিকটজনের দ্বারা 'বিপর্যয়ের শিকার রফিক উদ্দিন ও সিরাজউদ্দৌলা।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- "বাংলাদেশের নাটকে "বর্ণনাত্মক রীতি" এর সার্থক প্রয়োগ কে ঘটান ?
- তাই আজ হে স্বদেশ, হে জনতা, হাতিয়ার ধরো। শত্রুর শিবিরে আজ জোট বেঁধে প্রত্যেকেই পদাঘাত করো।উক্ত সাদৃশ্যের অন্তর্নিহিত কারণ- বাঙালির প্রতি সিরাজের আহ্বান ইংরেজদের সাথে যুদ্ধ ঘোষণাইংরেজদের প্রত্যক্ষভাবে হুমকি দেওয়ানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘সাজাহান’ নাটকের প্রথম রচয়িতা কে?
- “সবাই উচ্চাবিলাষী । সবাই সুযোগ খুঁজছে ৷ ” ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে এ উক্তিটি কার?