যখন কোনো কোষের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চলে না তখন যদি এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য E ভোল্ট হয় আর যখন এর ভেতর দিয়ে কোন বদ্ধ বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ চলে তখন এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য E ভোল্ট হতে কম হয়। এই উক্তিটির জন্য নিচের কোনটি সত্য?
কোষে?? বিভব পার্থক্য: একটি ব্যাখ্যা 🔋
আমরা জানি, যখন কোনো কোষ (যেমন ব্যাটারি) থেকে তড়িৎ প্রবাহ নেওয়া হয় না, তখন এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য E ভোল্ট হয়। একে কোষের তড়িৎচালক বল (Electromotive Force বা EMF) বলা হয়। ⚡️
কিন্তু যখন কোষটিকে কোনো বর্তনীতে যুক্ত করে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করা হয়, তখন এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য E ভোল্ট থেকে কমে যায়। কেন এমন হয়? 🤔 আসুন, কারণগুলো জেনে নেই:
কারণ: অভ্যন্তরীণ রোধ 🚧
এর প্রধান কারণ হলো কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ (Internal Resistance)। প্রতিটি কোষের অভ্যন্তরে কিছু রোধ থাকে, যা তড়িৎ প্রবাহের পথে বাধা দেয়। 🧱
অভ্যন্তরীণ রোধের প্রভাব:
- যখন তড়িৎ প্রবাহ চলে না (মুক্ত বর্তনী), তখন অভ্যন্তরীণ রোধের কারণে কোনো বিভব পতন হয় না। তাই বিভব পার্থক্য EMF-এর সমান থাকে। 💯
- যখন তড়িৎ প্রবাহ চলে (বদ্ধ বর্তনী), তখন অভ্যন্তরীণ রোধের কারণে কিছু বিভব পতন ঘটে। এই বিভব পতন কোষের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য কমিয়ে দেয়। 📉
বিষয়টি একটি টেবিলের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো: 📊
| অবস্থা | তড়িৎ প্রবাহ | অভ্যন্তরীণ রোধের প্রভাব | বিভব পার্থক্য |
|---|---|---|---|
| মুক্ত বর্তনী | নেই 🚫 | কোনো বিভব পতন নেই | E ভোল্ট (EMF) |
| বদ্ধ বর্তনী | আছে ✅ | বিভব পতন ঘটে | E - Ir (E অপেক্ষা কম) [যেখানে r = অভ্যন্তরীণ রোধ এবং I = তড়িৎ প্রবাহ] |
অতএব, অভ্যন্তরীণ রোধের কারণেই কোষের বিভব পার্থক্য তড়িৎ প্রবাহের সময় কমে যায়।💡
আশা করি, বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। 😊 ভালো থাকুন। 👍
আরও জানতে ভিজিট করুন: Example Website 🌐
```