মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোন ভাইরাসে দ্বিসূত্রক RNA থাকে?



A.

ডেঙ্গু

B.

রিও

C.

পোলিও

D.

র‍্যাবিস

জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাস (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B.

রিও

Explanation:

Another Explanation (5):

দ্বিসূত্রক RNA ভাইরাস: রিওভাইরাস🦠

রিওভাইরাস (Reovirus) নামক ভাইরাসে দ্বিসূত্রক RNA (dsRNA) থাকে। এটি রিওভিরিডি (Reoviridae) পরিবারের সদস্য। রিওভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণী ও উদ্ভিদে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে। এই ভাইরাসগুলো সাধারণত শ্বাসতন্ত্র এবং পরিপাকতন্ত্রকে🦠🤢আক্রমণ করে।

রিওভাইরাসের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • জিনোম: দ্বিসূত্রক RNA (dsRNA)🧬
  • আকার: প্রায় 60-80 ন্যানোমিটার
  • আকৃতি: আইকোসাহেড্রাল (icosahedral)
  • এনভেলপ: নেই (non-enveloped)
  • প্রোটিন কোট: দুটি বা তিনটি স্তর বিশিষ্ট প্রোটিন কোট (capsid) দ্বারা আবৃত
  • সংক্রমণের প্রক্রিয়া: এন্ডোসাইটোসিস (endocytosis) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে

রিওভাইরাসের প্রকারভেদ:

রিওভাইরাসের🦠👾 প্রধান কয়েকটি প্রজাতি নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. ম্যামেলিয়ান অর্থোরিওভাইরাস (Mammalian orthoreovirus): স্তন্যপায়ী প্রাণীদের🦠🤒 মধ্যে সংক্রমণ ঘটায়।
  2. এভিয়ান অর্থোরিওভাইরাস (Avian orthoreovirus): পাখির মধ্যে সংক্রমণ ঘটায়।
  3. অ্যাকুয়াটিক অর্থোরিওভাইরাস (Aquareovirus): জলজ প্রাণীদের🐠🐟🐡 মধ্যে সংক্রমণ ঘটায়।
  4. Coltivirus: কলোরাডো টিক ফিভার ভাইরাস এই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত।
  5. Orbivirus: ব্লুটং ভাইরাস এই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত।

রিওভাইরাসের সংক্রমণ এবং রোগ:

রিওভাইরাস বিভিন্ন উপায়ে ছড়াতে পারে, যেমন:

  • দূষিত খাবার ও জল 💧🍔থেকে
  • শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে কাশি বা হাঁচি🤧🤮 থেকে
  • সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে🤝

রিওভাইরাসের🦠👾 কারণে সৃষ্ট কিছু সাধারণ রোগ:

রোগের নাম লক্ষণ
সাধারণ ঠান্ডা 🤧 নাক দিয়ে জল পড়া, কাশি, হালকা জ্বর
ডায়রিয়া 🤢 পেট ব্যথা, বমি, জলের মতো পায়খানা
শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ 🫁 শ্বাসকষ্ট, কাশি, বুকে ব্যথা
জ্বর🤒 শরীর গরম, দুর্বলতা

প্রতিরোধ ও চিকিৎসা:

  • প্রতিরোধ:
    • নিয়মিত হাত ধোয়া🧼
    • দূষিত খাবার ও জল পরিহার করা
    • টিকাদান (কিছু ক্ষেত্রে)💉
  • চিকিৎসা:
    • ভাইরাস🦠👾 বিরোধী ঔষধ (অ্যান্টিভাইরাল)
    • সাপোর্টিভ চিকিৎসা (যেমন: জ্বর ও ব্যথানাশক)💊
    • পর্যাপ্ত বিশ্রাম🛌

আরও তথ্যের জন্য, অনুগ্রহ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অথবা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (CDC) ওয়েবসাইট দেখুন।🌐

Option A Explanation:
  • প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
  • কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
  • প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
  • প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
  • চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
  • রিও ভাইরাস: রিও ভাইরাস একটি এন্টেরোভাইরাস, যা সাধারণত শরীরে সংক্রমণ সৃষ্টি করে।
  • RNA ধরণ: এটি দ্বিসূত্রক RNA (positive-sense single-stranded RNA) দ্বারা গঠিত।
  • সংক্রমণের পদ্ধতি: মূলত প্যারাসিটিক বা খাদ্য ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়।
  • প্রভাব: এটি সাধারণত ফ্লু-সদৃশ লক্ষণ সৃষ্টি করে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগ কম গুরুতর হয়।
  • উপসংহার: রিও ভাইরাসের দ্বিসূত্রক RNA থাকায় এটি দ্রুত জৈবিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশ ও প্রতিলিপি করতে সক্ষম।
Option C Explanation:
  • পোলিও: পোলিও বা পোলিওমাইলাইটিস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা হয়।
  • এটি সাধারণত প্রধানত শিশুদের মধ্যে ঘটে, তবে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
  • রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জ্বর, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্যারালাইসিস বা অক্ষমতা হয়ে থাকে।
  • বিশেষ করে, পোলিও ভাইরাসের কারণে পেরেক বা পা এর অস্থিরতা বা পক্ষাঘাত দেখা দিতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
  • প্রতিরোধের জন্য মূল উপায় হলো পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা (ইনজেকশন বা ওরাল ভ্যাকসিন)।
  • সাধারণত, সঠিক চিকিৎসা না থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে রোগের প্রভাব স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অক্ষমতা হতে পারে।
Option D Explanation:
  • র‍্যাবিস ভ্যাক্সিন জীবাণুর নিষ্ক্রিয় বা অকার্যকর কিটোড (killed) ভাইরাস থেকে উৎপন্ন হয়।
  • এটি সাধারণত জীবাণুর জন্য ক্ষতিকর নয়, তবে শরীরে প্রতিরোধক ক্ষমতা সৃষ্টি করে।
  • র‍্যাবিস ভ্যাক্সিনের মাধ্যমে ভাইরাসের জীবাণু নিষ্ক্রিয় বা মৃত অবস্থায় থাকায়, এটি শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা সতর্ক করে।
  • এই ভ্যাক্সিনটি মূলত প্রাণীর রক্তচাপ বা কামড়ের মাধ্যমে সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।

একাউন্টে প্রবেশ করুন

Logo

স্টাডি ট্র্যাকার এবং অন্যান্য প্রিমিয়াম ফিচার ব্যবহার করতে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।