সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।
"মাসি-পিসি' গল্পের 'মাসি-পিসি'র মতো অভিভাবক থাকলে উদ্দীপকের সাফিয়ার পরিণতি এমন হতো না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।উদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্য দেখাও।
- জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের গ্রামীণযুবক আবুল বউ পিটিয়ে আনন্দ উপভোগ করে‘মাসি-পিসি' গল্পের উক্ত চরিত্রের সাথে উদ্দীপকেরআবুলের সাদৃশ্য কোথায়?
- 'আয় না হারামজাদা, এগিয়ে আয় না? কাটারির কোপে গলা কাটি দু-একটার।'- উক্তিটি কার?
- বিধবা মরিয়ম সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে। পনেরো বছরের একমাত্র সন্তান শাহানাকে নিয়ে তার ছোট সংসার। মরিয়মের এখন একটাই সংগ্রাম- মেয়েকে লেখাপড়া শিখিয়ে স্বাবলম্বী করানো। কিন্তু চতুর্দিকে বখাটেদের উৎপাত লেগেই আছে। তাইতো কাপড়ের আড়ালে ধারালো ছোট ছুরিটা নিতে 'কখনো ভুলে না সে। এতে বখাটেরা আজকাল আর সামনে এগুচ্ছে নাএবং অন্য নারীরাও এখন অনেক বেশি সচেতন। সংঘবদ্ধ মরিয়মরা এখন লাঞ্ছিত নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস।'সংঘবদ্ধ মরিয়মরা এখন লাঞ্ছিত নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস।' - উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে কথাটি বিশ্লেষণ কর।
- দীপ শিখা গার্মেন্টসের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয় গার্মেন্টস কর্মী দম্পতি জলিল ও রাবেয়া। তাদের একমাত্র মেয়ে জোবাইদা অনাথ হয়ে আশ্রয় নেয় বৃদ্ধ নানা-নানির সংসারে। গরিব নানা-নানি তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে তাকে বিয়ে দেয় পাশের গ্রামের আকিবের সাথে। কিন্তু সুখের মুখ দেখা হলো না জোবাইদার। আকিব তাকে মারধর করে এবং সারাদিন কিছু না' খেতে দিয়ে ঘরে আটকে রাখে। স্বামীর এই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সে আবার ফিরে আসে নানা-নানির কাছে। নানা-নানি এতে ভীষণ কষ্ট পায় তবু পরম যত্নে আগলে রাখে অসহায় জোবাইদাকে।"উদ্দীপকের নানা-নানির অবস্থা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি ও পিসির মতোই হৃদয় বিদারক।”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- ‘আজও’ শব্দের 'ও' প্রত্যয় কোন অর্থে ব্যবহৃত?
- রহিমার স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে বিধবা ফুফু রাহেলাবেগমের নিকট চলে আসে। গ্রামের মাতব্বরের ছেলেজগলুর কুদৃষ্টি পড়ে তার ওপর। দৃঢ় প্রত্যয়ী রাহেলা বেগমমা-পাখির মতো আগলে রাখে অনাথ রহিমাকে।রাহেলা বেগম 'মাসি-পিসি' গল্পের কার প্রতিনিধিত্বকরছেন?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- আহ্লাদি পরিবারের তিনজন সদস্য কোন অসুখেমারা গিয়েছিল?
- এইখানে তোর বুজির কবর পরীর মতন মেয়ে, বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।এত আদরের বুজিরে যে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের মূলভাব কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতামত দাও।
- ‘দুজনে মিলে কাজ করছে যেন একজন করছে।' -- উক্তিটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে মাসি-পিসির-
- ‘মাসি-পিসি' গল্পটি কোন গ্রন্থভুক্ত?
- 'বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাই তো।'— 'মাসি-পিসি'গল্পের পিসির এই উক্তির মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে-
- "নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি নিচের কোন গ্রন্থে সংকলিতহয়েছে?
- ‘প্রধানমন্ত্রী’ শব্দের ‘প্রধান ও মন্ত্রী’ অংশ যুক্ত হয় -
- 'দুর্ভিক্ষ'র সঠিক ব্যাসবাক্য-
- "নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে"- কার, কেন?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে কোন রোগটি মহামারির অন্তর্ভুক্ত?
- যে শক্তির দ্বারা মাসি-পিসি আহ্লাদিকে প্রতিকূলপরিবেশ থেকে বাঁচাতে সক্ষম হয়েছিল তা হচ্ছে—সাহসঐক্যগায়ের জোরনিচের কোনটি সঠিক?
- বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা :
- বাবা-মা হারা রাইনার শেষ আশ্রয় বুড়ো দাদু। কিন্তু সমস্যা হয় বাবার রেখে যাওয়া সম্পদের কারণে, তার প্রতি শকুনের চোখ পড়ে। সম্পত্তির সবটুকু গ্রাস করেও তৃপ্তি হয় না গ্রামের মাতব্বরের ছেলের। তার লোভ জাগে রাইনার উপর। কিন্তু রাইনার দাদু এই বৃদ্ধ বয়সেই রুখে দাঁড়ায় সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে।উদ্দীপকের মাতব্বরের ছেলে ও 'মাসি-পিসি' গল্পের গোকুল একই চরিত্রের অধিকারী- বিশ্লেষণ করো।
- 'চায়ের দোকান না কীসের দোকান তা বুঝিছি কৈলাশ'- কথাটি দ্বারা যা বোঝানো হয়েছে-দোকানটি আসলে চায়ের দোকান ছিল নাদোকানটি ছিল নেশাজাতীয় দ্রব্যেরদোকানটি ছিল মনোহর জিনিসেরনিচের কোনটি সঠিক?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে 'বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাই তো।'-বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- কার জন্য নুরুলহুদাকে এক্সট্রা তটস্থ থাকতে হয়?