মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য কোনটি?
A. পদ্মবতী
B. মেঘনাদবধ কাব্য
C. বীরাঙ্গনা
D. কৃষ্ণকুমারী
সঠিক উত্তরঃ
C.
বীরাঙ্গনা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের "মেঘনাদবধ" কাব্যে মেঘনাদের উপাধি কোনটি?
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের "বঙ্গভাষা" কোন শ্রেণির কবিতা?
- নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' অংশে প্রতি চরণে মাত্রাবিন্যাস কত?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাক হানাদার বাহিনী বাংলার নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। এতে দখলদার পাক হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল এ দেশীয় দোসর ঘরের শত্রু রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনী। যদিও যুদ্ধের নীতিতে নিরস্ত্র মানুষ হত্যা কাপুরুষোচিত।'নিরস্ত্র মানুষ হত্যা কাপুরুষোচিত' উদ্দীপক ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আলোকে উক্তিটি বিচার কর।
- "স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থানুর ললাটে" কবিতার এই চরণ দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- বিভীষণের মায়ের নাম কী?
- বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তক কে?
- ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ কার রচনা?
- 'চন্ডালে বসাও আনি ___ আলয়ে' শূন্যস্থানে কোন শব্দ বসবে?
- শমন-ভবন কী?
- 'উত্তরিলা কাতরে রাবণি'- কাকে রাবণি বলা হয়েছে?
- বাসবত্রাস কে?
- 'স্থাপিলা বিধুরে ........স্থাণুর ললাটে'শূণ্যস্থানে কি বসবে?
- চতুর্দশপদী কবিতার অর্থ-
- সনেটের কটি অংশ?
- কোন বিশেষ ছন্দরীতিকে ভেঙ্গে মধুসূদন অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন করেন?
- হাজার হাজার সৈন্য যুদ্ধক্ষেত্রে পুতুলের মত দাঁড়িয়ে থাকে, মোহনলাল ও মীরমর্দান প্রাণপণে যুদ্ধ করেও মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কাছে পরাজিত হয়। ব্রিটিশ সৈন্যরা অনায়াসেই বাংলা দখল করে নেয়। এভাবেই ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার স্বাধীনতার অবসান ঘটে।"উদ্দীপকের মূলভাব 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাবের সাথে আংশিক সামঞ্জস্যপূর্ণ"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- ‘ যার নীচসহ, নীচ সে দুর্মতি’ -শুন্যস্থানে বসবে-
- রাবণি বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
- ‘নিজ কর্ম-দোষে হায়, মজাইলা/ এ কণক-লঙ্কা রাজা, মজিলা আপনি!’ কার উক্তি?
- 'সনেট' কাব্যরীতির মূল প্রবর্তক কে?
- মেঘনাদ যজ্ঞাগারে বিষাদ অনুভব করেছিল কেন?
- বাংলা ভাষায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?
- একসময় ঈশা খাঁর ??ঙ্গে মানসিংহের যুদ্ধ হয়। রণনিপুণ ঈশা খাঁর তরবারির আঘাতে মানসিংহের তরবারি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মানসিংহ অসহায় হয়ে পড়েন। ঈশা খাঁ চাইলে এই অবস্থায় মানসিংহকে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু, বীরযোদ্ধা ঈশা খাঁ তা না করে নিজের কোষ থেকে একখানি ভালো, তলোয়ার বের করে মানসিংহকে উপহার দিয়ে পুনরায় যুদ্ধে আহবান জানালেন। মানসিংহ ঈশা খাঁর এই মহানুভবতা, ঔদার্য ও বীরধর্মের আদর্শ দেখে মুগ্ধ হলেন এবং যুদ্ধের পরিবর্তে সন্ধি স্থাপনে এগিয়ে এলেন।উদ্দীপকের ঈশা খাঁ ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার লক্ষ্মণের আদর্শগত বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।