১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চিন্তে দেশেই অবস্থান করেছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনী অকারণে মানুষ হত্যা করবে না। অন্তত যুদ্ধের নিয়ম, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী এমনই হওয়ার কথা। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সাহায্যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। যাদের কেউ আর ফিরে আসেননি; লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও বাংলার স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করতে পারেনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।
'পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতা বাঙালির স্বাধীনতাকে দমাতে পারেনি'- উদ্দীপক ও পঠিত গল্পের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- "চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি কার লেখা ?
- 'রেইনকোট' গল্পের কথক নুরুল হুদা কয়বার বাড়ি পাল্টায়?
- 'তুবড়ি ' কী ?
- দেশের যারা শত্রু, দেশের যা-কিছু মিথ্যা, ভণ্ডামি,মেকি— তা দূর করতে কী প্রয়োজন?
- 'রেইনকোট' গল্পটি কোন পরিস্থিতি নিয়ে রচিত?
- 'রেইনকোট' গল্প ভীতু নুরুল হুদার সাহসী হয়ে ওঠার মূল কারণ- গেরিলাদের সঙ্গে আঁতাত কুলিদের আস্তানা চেনা সঞ্চারিত উষ্ণতা ও দেশপ্রেম মিসক্রিয়েন্টদের ঠিকানা জানা
- বাসস্ট্যান্ডে নুরুল হুদাকে দাঁড়াতে দেখলে দোকানদার ছেলেটা যেসব খবর দেয়-মুক্তিযোদ্ধা কর্তৃক খান সেনাদের খতম করার খবরমিলিটারি জিপ উল্টে দেওয়ার খবররংপুর-দিনাজপুরে বেশিরভাগ জায়গা স্বাধীন হওয়ার খবরনিচের কোনটি সঠিক?
- 'এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো' এর অর্থ কী?
- ‘দুধেভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা–
- কোনটিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ রয়েছে?
- জেলে বন্দি থাকাকালে ভগৎ সিং ভারতীয় বন্দিদের সমানাধিকারের দাবিতে ৬৩ দিন অনশন করেন। ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত দুজনই ছিলেন অনশন ধর্মঘটে। তাদের স্ট্রেচারে করে যখন আদালতে আনা হয়, অন্য কারাবন্দিরা অনশনের কথা জানতে পেরে যোগ দেন। ৬৩ দিন অনশনের পর ব্রিটিশশক্তি নতি স্বীকার করে। নিজের দেশকে মুক্ত করার জন্য জীবন বাজি রেখে ভগৎ সিং নানা সংগ্রামে অংশ নেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। পরে হাসিমুখে ব্রিটিশদের দেওয়া ফাঁসির দড়ি তিনি বরণ করে নেন।"উদ্দীপকে বর্ণিত অনশন ধর্মঘটের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় প্রতিফলিত অনশন ধর্মঘটের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
- উর্দুর প্রফেসর আকবর সাজিদকে প্রিনসিপাল আজকাল তোয়াজ করে কেন? ব্যাখ্যা করো।
- মাঠ পেরিয়ে একটু বাঁ দিকে কার কোয়ার্টার?
- 'দুধেভাতে উৎপাত' সাহিত্যকর্মটির রচয়িতা
- 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা মিলিটারি লাগার পর থেকে মোট কয়বার বাড়ি পাল্টেছে?
- শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' উপন্যাসে দেখা যায়, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশকে বিভীষিকাময় নরককুন্ডে পরিণত করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের গোপন তৎপরতার কথাও আছে। মাছে। প্রবীণ স্কুলশিক্ষক গাজী রহমান স্বীয় প্রাণ সংশয়াপন্ন দেখে আত্মগোপনে চলে যান। কিন্তু এ পলাতক জীবন নিয়ে তিনি বিব্রত। তিনি যেন তাঁর নিজের কাছেই কাছেই অপরিচিত ত জন। দেড় মাসের পলাতক জীবনে তাঁর সঙ্গে পরিচয় ঘটে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার। অসীম সাহসী এ সকল মানুষের সাথে মিশে অনুপ্রাণিত হয়ে নিভীকচিত্তে তিনি পা রাখেন বাস্তবের কঠিন কর্তব্যভূমিতে।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের বিষয়বস্তু কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- মেডিকেলের সামনে দিয়ে প্রতিদিনের মতো কর্মস্থলেযাচ্ছিল সদাগরি অফিসের কনিষ্ঠ কেরানি মঞ্জু; হঠাৎ মিছিলআর গুলির শব্দ। ভাষা আন্দোলনকারীদের সাথে মঞ্জুরওপরও বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ বাহিনী। তারপরথেকে মঞ্জুও হয়ে ওঠে ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী |উদ্দীপকের 'পুলিশ বাহিনী' 'রেইনকোট' গল্পে কাকেপ্রতিনিধিত্ব করে?
- জেলে বন্দি থাকাকালে ভগৎ সিং ভারতীয় বন্দিদের সমানাধিকারের দাবিতে ৬৩ দিন অনশন করেন। ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত দুজনই ছিলেন অনশন ধর্মঘটে। তাদের স্ট্রেচারে করে যখন আদালতে আনা হয়, অন্য কারাবন্দিরা অনশনের কথা জানতে পেরে যোগ দেন। ৬৩ দিন অনশনের পর ব্রিটিশশক্তি নতি স্বীকার করে। নিজের দেশকে মুক্ত করার জন্য জীবন বাজি রেখে ভগৎ সিং নানা সংগ্রামে অংশ নেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। পরে হাসিমুখে ব্রিটিশদের দেওয়া ফাঁসির দড়ি তিনি বরণ করে নেন।"উদ্দীপকের বর্ণিত ভগৎ সিং এর ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে নিজের জীবন উৎসর্গ করার সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার প্রেক্ষাপট ও কাহিনির ভিন্নতা রয়েছে।" মন্তব্যটি সমর্থন করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- ‘দেউল’ শব্দের প্রতিশব্দ কোনটি ?
- 'মিসক্রিয়ান্ট' শব্দের অর্থ কী?
- দেশমাতৃকার মুক্তির শপথ নিয়ে মুক্তি বাহিনীতে যোগ দেয় হুমায়ূন সাহেবের পাঁচ ছেলে। রাজাকারের মাধ্যমে এই খবর জানতে পেরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হুমায়ুন সাহেবের ঘর- বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। অবশেষে ক্যাম্পে ধরেও নিয়ে যায় তাকে, বারবার জানতে চায় তাঁর -ছেলেদের ঠিকানা। হুমায়ুন সাহেব চুপ করে করে থাকলে তাঁর পিঠের ওপর প্রচন্ড জোরে চাবুকের আঘাত করে। যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়েন তিনি। রক্তাক্ত ও ক্ষত-বিক্ষত হয় তাঁর শরীর। তবু তিনি মুক্তিবাহিনীর কোনো খবর দেননা হানাদার বাহিনীকে।"দেশকে মুক্ত করার জন্য বাঙালি জনসাধারণের আত্মত্যাগই উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য।"-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'যেন বৃষ্টি পড়ছে মিন্টুর রেইনকোটের ওপর।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- ‘দুধভাতে উৎপাদত’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা কে?
- মহাকাব্য 'রামায়ণ'-এ বর্ণিত হয়েছে-রাবণ যখন রাম-লক্ষ্মণের আক্রমণ থেকে লঙ্কা রাজ্য রক্ষায় সবংশে প্রাণপাত করে চলেছেন, তখন তাঁরই সহোদর বিভীষণ রামের পক্ষ অবলম্বন করে দেশের গোপন খবর ও নগরে প্রবেশের গোপন পথের সন্ধান রামকে জানিয়ে দিচ্ছে। শেষ পর্যন্ত রামের নিকট রাবণ পরাজিত হয়।উদ্দীপকের বিভীষণ ও 'রেইনকোট' গল্পের প্রিন্সিপালের মধ্যে মিল আছে কি? বুঝিয়ে দাও।
- 'রেইনকোট' গল্পটির বিষয়বস্তু কী?