মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

গর্ভকালীন সময়ে কোন টিকা নিতে হয়?

A. টিটেনাস
B. হাম
C. রুবেলা
D. পোলিও
NursingDiplomaজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানব জীবনের ধারাবাহিকতাইমপ্লান্টেশন (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. টিটেনাস
Explanation:

টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) থেকে বাঁচতে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের টিটি টিকা নিতে হয়

Another Explanation (5):

গর্ভকালীন সময়ে টিটেনাস টক্সয়েড (Tetanus Toxoid) টিকা 🤰💉

গর্ভকালীন সময়ে টিটেনাস টক্সয়েড (টিটি) টিকা মা ও শিশুর টিটেনাস রোগ প্রতিরোধের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নবজাতকের টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) এবং প্রসূতির টিটেনাস প্রতিরোধে সহায়তা করে।

কেন এই টিকা জরুরি? 🤔

  • নবজাতকের টিটেনাস মারাত্মক একটি রোগ, যা দূষিত সরঞ্জামের মাধ্যমে নাভির সংক্রমণ থেকে হতে পারে। 🤕
  • প্রসূতির টিটেনাসও জীবনঘাতী হতে পারে, বিশেষ করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে। 😥
  • টিটি টিকা গ্রহণ করলে মায়ের শরীরে টিটেনাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়, যা প্লাসেন্টার মাধ্যমে নবজাতকের শরীরেও যায় এবং তাকে সুরক্ষা দেয়। 🛡️

টিকার সময়সূচি 🗓️

সাধারণত, গর্ভবতী মহিলাদের জন্য টিটি টিকার সময়সূচি নিম্নরূপ:

  1. প্রথম ডোজ: গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে (যথা সম্ভব जल्दी)
  2. দ্বিতীয় ডোজ: প্রথম ডোজ নেওয়ার কমপক্ষে ৪ সপ্তাহ পর।
  3. যদি আগে টিটি টিকা নেওয়া থাকে: তাহলে পূর্ববর্তী টিকার ইতিহাস অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিতে হবে। 👩‍⚕️

টিকার ডোজ সংখ্যা 🔢

মোট ৫ ডোজ টিটি টিকা গ্রহণ করলে দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা পাওয়া যায়। সাধারণত:

  • পূর্বে টিকা না নেওয়া থাকলে: ২টি ডোজ গর্ভাবস্থায় এবং পরবর্তীতে আরও ৩টি ডোজ নেওয়া উচিত।
  • পূর্বে ২/৩ ডোজ নেওয়া থাকলে: বাকি ডোজগুলো গ্রহণ করতে হবে।

টিকা নেওয়ার নিয়মাবলী 📝

  • স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীর তত্ত্বাবধানে টিকা নিতে হবে। 🏥
  • টিকা নেওয়ার আগে স্বাস্থ্যকর্মীকে আপনার পূর্ববর্তী টিকার ইতিহাস সম্পর্কে জানাতে হবে। 🗣️
  • টিকা নেওয়ার পর সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (যেমন: হালকা জ্বর, ইঞ্জেকশন দেওয়ার স্থানে ব্যথা) হতে পারে, যা সাধারণত কয়েকদিনের মধ্যে সেরে যায়। 💪

টিটেনাস টক্সয়েড টিকার উপকারিতা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 📊

উপকারিতা 👍 পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 👎
নবজাতকের টিটেনাস থেকে সুরক্ষা 👶➡️🛡️ ইনজেকশন দেওয়ার স্থানে ব্যথা 🤕
প্রসূতির টিটেনাস থেকে সুরক্ষা 🤰➡️🛡️ হালকা জ্বর 🤒
দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা ⏳ মাথাব্যথা 🤕
কম খরচে সহজলভ্য 💸✅ ক্লান্তি অনুভব 😴

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ: গর্ভাবস্থায় টিটেনাস টক্সয়েড টিকা সম্পর্কে যেকোনো দ্বিধা বা প্রশ্ন থাকলে আপনার স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে আলোচনা করুন। 🙏

মনে রাখবেন, সুস্থ মা ও শিশু👶🤰 = সুস্থ ভবিষ্যৎ 🚀

Option A Explanation:
  • সংক্রমণ উৎস: টিটেনাস মূলত মৃতদেহ বা ক্ষতস্থানে থাকা ক্লোস্ট্রিডিয়াম টিটেনি নামক ব্যাকটেরিয়া থেকে হয়।
  • ব্যাকটেরিয়া ধরণ: এটি একটি অ্যানারোবিক, স্পোর-নির্মাতা ব্যাকটেরিয়া যা অঙ্গজীবাণুর মাধ্যমে জীবিত বা মৃত দেহ থেকে সংক্রমিত হতে পারে।
  • সংক্রমণের প্রক্রিয়া: ব্যাকটেরিয়ার স্পোরগুলো ক্ষতস্থানে প্রবেশ করে গ্ল্যান্ড বা টিস্যুতে বিকাশ ঘটায় এবং টেটানাস টক্সিন নিঃসরণ করে।
  • রোগের লক্ষণ: এটি একটি নিউরোঅ্যাকটিভ রোগ যা পেশীর কাঁপুনি, শক্তি, ও স্পাস্টিসিটি সৃষ্টি করে।
  • প্রতিরোধ: টিটেনাস প্রতিরোধের জন্য টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:

হাম

  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ
  • সংক্রমণের পথ: সংস্পর্শ, বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়
  • লক্ষণ: জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট
  • প্রতিরোধ: টিকা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও হস্তধোয়া
  • চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিক ও উপসর্গের চিকিৎসা
Option C Explanation:

রুবেলা (Rubella)

  • সংক্রমণের মাধ্যম: এটা সাধারণত বা বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেমন কাশির ও হাঁচির দ্বারা মুক্ত হওয়া ক্ষুদ্র ড্রপলেটের মাধ্যমে।
  • সংক্রমণের সময়কাল: সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে সংক্রমণের শুরু থেকে কয়েক দিন অবধি।
  • প্রতিকার: রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ। এটি সাধারণত শিশুদের জন্য দেওয়া হয় এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির অংশ।
  • উপসর্গ: হালকা জ্বর, চোখের জল, ঠাণ্ডা লাগা, ছোট ছোট লালচে দাগ বা ফুসকুড়ি দেখা যায়।
  • প্রভাব: প্রজনন কালে সংক্রমিত হলে গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে, যেমন জন্মের সময় শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
Option D Explanation:
  • পোলিও: পোলিও বা পোলিওমাইলাইটিস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা হয়।
  • এটি সাধারণত প্রধানত শিশুদের মধ্যে ঘটে, তবে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
  • রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জ্বর, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্যারালাইসিস বা অক্ষমতা হয়ে থাকে।
  • বিশেষ করে, পোলিও ভাইরাসের কারণে পেরেক বা পা এর অস্থিরতা বা পক্ষাঘাত দেখা দিতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
  • প্রতিরোধের জন্য মূল উপায় হলো পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা (ইনজেকশন বা ওরাল ভ্যাকসিন)।
  • সাধারণত, সঠিক চিকিৎসা না থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে রোগের প্রভাব স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অক্ষমতা হতে পারে।

একাউন্টে প্রবেশ করুন

Logo

স্টাডি ট্র্যাকার এবং অন্যান্য প্রিমিয়াম ফিচার ব্যবহার করতে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।