" আমার নাম? সত্যি বলেছে? আমার নাম বলেছে? "রেইনকোট গল্পে উক্তিটি কার?
A. আব্দুস সাত্তার
B. নুরুল হুদা
C. মিন্টু
D. আফাজ আহমেদ
সঠিক উত্তরঃ
B.
নুরুল হুদা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘একটা জিপ উড়াইয়া দিছে, কমপক্ষে পাঁচটা খানসেনাখতম।' তথ্যটি 'রেইনকোট গল্পের কোন চরিত্রেরমাধ্যমে জানা যায়?
- 'এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- 'সায়র' শব্দটির অর্থ কী ?
- মহাকাব্য 'রামায়ণ'-এ বর্ণিত হয়েছে-রাবণ যখন রাম-লক্ষ্মণের আক্রমণ থেকে লঙ্কা রাজ্য রক্ষায় সবংশে প্রাণপাত করে চলেছেন, তখন তাঁরই সহোদর বিভীষণ রামের পক্ষ অবলম্বন করে দেশের গোপন খবর ও নগরে প্রবেশের গোপন পথের সন্ধান রামকে জানিয়ে দিচ্ছে। শেষ পর্যন্ত রামের নিকট রাবণ পরাজিত হয়।"পরিণতি বিচারে উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পে পার্থক্য বিদ্যমান।"-উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করিমোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।"উদ্দীপকে 'মোরা' শব্দটি 'রেইনকোট' গল্পের কোনচরিত্রকে প্রতিনিধিত্ব করে?
- 'টুপির তেজ কী পানিতেও লাগল নাকি?' ব্যাখ্যা করো।
- "অপ্রিয়" অর্থে ব্যবহৃত হয় কোন বাগধারাটি ?
- সাদবীন একটি স্কুলে মালীর কাজ করে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজমান। হঠাৎ রাতে তার বাড়িতে আশ্রয় নেয় দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়। পরে জানতে পারে সে ছিল একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা। ভুলক্রমে তার একটি অস্ত্র ফেলে ভোররাতে সে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রটি হাতে নিলে সাদবীনের ভিতরে দ্রোহের ভাব লক্ষ করে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সে যুদ্ধে চলে যায় দেশ স্বাধীন করার জন্য।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- "রেইনকোট" গল্পের প্রেক্ষাপট কী?
- ‘অনুযোগ’ শব্দের অর্থ কী?
- 'মিলিটারি যাদের ধরে, মিছিমিছি ধরে না।' উক্তিটি করেছিল
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাহাত ভাবল, দেশের এই সংকটময়মুহূর্তে আমি নিশ্চিন্তে ঘরে বসে থাকতে পারি না। তাইএলাকার ১০ জন যুবকের সঙ্গে পরামর্শ করে পাড়িজমায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ।অনুচ্ছেদের রাহাত চরিত্রের ভাবনা 'রেইনকোট' গল্পেকার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়?
- 'সিচুয়েশন নর্ম্যাল '- ব্যাখ্যা করো?
- রেইনকোট' গল্পে কে দরজায় প্রবল কড়া নাড়ছিল?
- কলিমদ্দি দফাদারের বোর্ড অফিস শীতলক্ষ্যার তীরের বাজারে। । নদীর এপারে-ওপারে বেশ কিছু বড়ো বড়ো কল-কারখানা। এগুলো শাসনের সুবিধার্থে একদল খান সেনা বাজারসংলগ্ন হাই স্কুলটিকে ছাউনি করে নিয়েছে। কোনো কোনো রাত্রে গুলিবিনিময় হয়। কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতি আক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়, খান সেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না।উদ্দীপকটির শেষাংশের বক্তব্য 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ‘রেইনকোট' গল্পে ভীতু নুরুল হুদার সাহসী হয়ে ওঠারমূল কারণ-
- তালেব মাস্টার অত্যন্ত ভীতু প্রকৃতির একজন মানুষ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের জন্য তার দাদার ফাঁসি হয়। সেই দাদার একজোড়া বুট এখনো তাদের আলমারিতে রক্ষিত আছে। মাঝে মাঝে সে বুটজোড়া পায়ে দেন মাস্টার। শরীরে সাহস সঞ্চার হয়, শরীরে আলাদা একটা উত্তেজনা অনুভব করেন। মুক্তিযোদ্ধারা ব্রিজ-কালভার্ট উড়িয়ে দিয়েছে, মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগসাজশ আছে ভেবে পাকিস্তানিরা তাকে গ্রেফতার করে। তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চলে। কিন্তু পায়ে থাকা দাদার বুটজোড়া তাকে সাহসী করে তোলে। দেশপ্রেম তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। তাঁর মুখ থেকে একটি শব্দও বের করতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তানি সেনারা।উদ্দীপকের তালেব মাস্টারের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
- ১৯৭১ সালে সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে নান্দিনা গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্যরা আশ্রয় নেয়। তাদের নানাভাবে সাহায্য করতে থাকে ঐ গ্রামের আবুল মন্ডল। একদিন তার দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে পাকিস্তানি হাদানার বাহিনীর সদস্যরা অধ্যাপক সাজেদুল ইসলামকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। তাঁর কাছ থেকে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে জানতে চাইলেও তিনি তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান।উদ্দীপকের অধ্যাপক সাজেদুল ইসলাম যেন 'রেইনকোট' চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করেছে। তোমার মতামত ব্যক্ত কর।
- অযুত প্রাণের অগ্নিশিখায় সূর্য-কুঁড়িফৌজের হাঁকে কাঁপে থরথর দস্যুপুরী,নিমেষে ছড়ায়-তারই আওয়াজ দিগন্তরেমনে কি পড়ে?অযুত প্রাণের অগ্নিশিখার সূর্য-কুঁড়ি বলতে কী বোঝানো হয়েছে? 'রেইনকোট' গল্পের আঙ্গিকে আলোচনা করো।
- 'বন্দুকের গুলি ছোড়া অনুশীলনের জন্য স্থাপিত লক্ষ্য' কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ-
- তাম্রশাসন' বোঝায় -
- . নুরুল হুদার মৌনতা মিলিটারিদের মনে কোন বিশ্বাসসৃষ্টিতে সাহায্য করে?
- 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদাকে বাসস্ট্যান্ডে পৌছে বাসের জন্য কোন দিকে তাকাতে হয়?
- নিচের কোনটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা উপন্যাস?
- 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ ঢাকার চিত্র ফুটে উঠেছে। ওই সময়ে পাকিস্তানি মিলিটারি ঢাকা শহরকে পুরো নিয়ন্ত্রনে রেখেছিল। সময়ে- অসময়ে কারফিউ জারি করে মানুষকে ঘরে থাকতে বাধ্য করত। কখনো মানুষকে ধরে কিংবা বাস থেকে নামিয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে মেরে ফেলত। সেই পরিস্থিতিতেই বদিউল আলম তাঁর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা দল নিয়ে ঢাকায় ঢুকে বিভিন্ন অপারেশন চালাত। এভাবেই একদিন গুলিবিদ্ধ হন এবং মারা যান।উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্রটি 'রেইনকোট' গল্পের আরেক রূপ-ব্যাখ্যা কর।