কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করেন?
A.
১৯১৫
B.
১৯১৬
C.
১৯১৭
D.
১৯১৮
সঠিক উত্তরঃ
C.
১৯১৭
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'মানুষ- ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম।' উক্তিটি কোন প্রবন্ধিকের-
- নজরুলের মতে, মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে কোন জিনিসটি ভালো?
- 'সম্মানের চিরনির্বাসন' কথাটির গভীরে কোন বিষয়টি নিহিত?
- 'যার ভিতরে ভয়, সেই বাইরে ভয় পায়।'- ব্যাখ্যা করো।
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- শিক্ষার লক্ষ্য হচ্ছে জ্ঞানচর্চা ও মনুষ্যত্বের বিকাশ সাধন। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষার লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার আগ্রহ কম। আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য তারা নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলে না। তাই আত্ম প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের খুঁটির জোরের আশ্রয় নিতে হয়। ফলে জ্ঞানার্জনের আনন্দ থেকে তারা দূরে সরে পড়ে। এভাবে তারা নিজেদের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে। পরিণতিতে তাদের মধ্যে জন্ম নেয় হতাশা ও পরনির্ভরশীলতা।"নিজের বিশ্বাস আর সত্যকে প্রকাশ করতে না জানলে তৈরি হয় পরনির্ভরতা" উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে মন্তব্যটি বিচার কর।
- মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে বেশি ভালো হলো-
- কত সালে কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল ?
- কোনটি সবচেয়ে বড়ো দাসত্ব?
- আলম একজন সংগঠক। এলাকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে তিনি 'কবি সুকান্ত পাঠাগার ও সংগীত বিদ্যালয়' নামে সংগঠন গড়ে তোলেন। তিনি মিথ্যাকে উড়িয়ে দিয়ে, সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে সংগঠনের রজতজয়ন্তী আয়োজন করেছেন। তিনি দমে যাওয়া মানুষ নন। তার সংগঠনের ছেলেমেয়েরা আজ গুণী শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসাবিদ আরও কত সফল মানুষ। তিনি আলোকিত মানুষ হিসেবে সকলের মন আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছেন।উদ্দীপকে আলমের নেতৃত্বের স্বরূপ 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।
- 'পৃথিবীতে এমন কেউ কেউ আছেনমিথ্যার সাথে করেন না আপসকোথাও মেকি দেখলেই ঝরেতাদের রোষকেউ কেউ বলে এটা তাদের দোষঅনেকেই, তাদের বাহবা দিয়ে বলেআছে বটে সাহস।'উদ্দীপকে বর্ণিত 'মিথ্যার সাথে করেন না আপস' উক্তিটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয় ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- "আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর" - কোন ধরণের গ্রন্থ?
- দেশের মঙ্গলের জন্য কাজী নজরুল ইসলাম কী নিয়ে পথে বের হয়েছিলেন?
- 'সম্মার্জনা' শব্দের অর্থ কী?
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।'-ব্যাখ্যা করো।
- 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' গ্রন্থেরে লেখক কে?
- 'আমি সে দাসত্ব হতে সম্পূর্ণ মুক্ত'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- ‘বাঁধন হারা’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
- কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে কীভাবে সত্যকে পাওয়া যায়?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য হলো-
- অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের মানুষ মামুন। ন্যায়-অন্যায়, 'ভালোমন্দ সব বিষয়েই তিনি রেগে যান। এজন্য পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকাবাসীও তার উপর বিরক্ত। কিন্তু মামুনের বক্তব্য তিনি কোনো ভুল বা অন্যায় করছেন না বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন এবং এ কারণে প্রয়োজনেই চিৎকার করেন, রাগ হয়ে যান। তবে একদিন তাকে এই রাগের খেসারত দিতে হয়। মামুনের সন্তান বাবার ভয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এরপর থেকে মামুন সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি বুঝতে পারেন সব সময় রেগে থাকার মাধ্যমে কোনো সমাধান হয় না। তিনি তার ভুল শুধরে নতুনভাবে জীবন যাপন করেন।"উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবিম্ব নয়।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- 'আমার পথ' রচনায় কাজী নজরুল ইসলাম কীসেরচেয়ে অহংকারকে ভালো বলেছেন?
- শিক্ষার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো নিজেকে জানা, পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত হওয়া। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষিত বেকারদের মধ্যে পরনির্ভরশীলতা বাড়ছে। নিজের সম্পর্কে জানলে আজ আর কেউ শিক্ষিত বেকার হয়ে বসে থাকত না। পরের উপর নির্ভরশীল থাকার জন্য শিক্ষিতদের মন আজ মানসিক দাসত্বে পরিণত হয়েছে।উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিক দিয়ে সংগতিপূর্ণ বলে তুমি মনে কর? বিস্তারিত 'আলোচনা কর।
- কারা বাইরের গোলামি থেকে রক্ষা পায় না?