'দূরে কিংবা কখনো খুবই কাছে
যাচ্ছে শোনা ফুটফাট গুলির আওয়াজ, ত্রাসে
বুক কাঁপে, পারি না শুধোতে কে কোথায় গেল মরে,
দম বন্ধ করে চুপ করে পড়ে থাকি ঘরের কবরে।'
উদ্দীপকের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের সাদৃশ্য হলো-
- পঁচিশে মার্চের রাতের আক্রমণ
- মানুষদের ধরে ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া
- গুলির আওয়াজ শুনতে পাওয়া
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii ও iii
D.
i,ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
B.
i ও iii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- নুরুল হুদার সমস্ত ভালো লাগাটা চিড় খায় কখন?
- ‘ঐকতান’ শব্দের অর্থ-
- চিত্রে 'রেইনকোট' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখা করো।
- চারদিন ধরে বৃষ্টি। শনিবার রাতে কি মুষলধারেই যে হলো, রোববার তো দিনভর একটানা। গতকাল সকালের পর বৃষ্টি থামলেও সারাদিন আকাশ মেঘলা ছিল। মাঝে মাঝে এক পশলা বৃষ্টি এখন সন্ধ্যার পর বৃষ্টি নেই। ঘন ঘন মেঘ ডাকছে আর বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। বসার ঘরের জানালা দিয়ে তাকিয়ে ভাবছিলাম, আমার জীবনেও এতদিনে সত্যি সত্যি দুর্যোগের মেঘ ঘন হয়ে আসছে। এ 'রকম সময় করিম এসে ঢুকল ঘরে। সামনে সোফায় বসে বলল, ফুফুজান এ পাড়ার অনেকেই চলে যাচ্ছে বাড়ি ছেড়ে। আপনারা কোথাও যাবেন না? আরও একটা কথা শুনেছেন ফুফুজান? নদীতে নাকি প্রচুর লাশ ভেসে যাচ্ছে। পেছনে হাত বাঁধা, গুলিতে মরা লাশ।উদ্দীপকের প্রথমাংশের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- 'রেইনকোট' গল্পের নূরুল হুদা কোন বিষয়ের অধ্যাপক ছিলেন?
- 'সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- শুদ্ধরূপ কোনটি?
- মিলিটারির চাবুকের আঘাত নুরুল হুদার কাছে কি মনে হয়?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের হাতেম আলী 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং কেন?
- . নুরুল হুদার মৌনতা মিলিটারিদের মনে কোন বিশ্বাসসৃষ্টিতে সাহায্য করে?
- রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য কী?
- নির্ভুল শব্দগুচ্ছ
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসে উল্লিখিত সুদীপ্ত শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতের ভয়াবহতায় আতঙ্কগ্রস্ত একজন মানুষ। তাঁর যাপিত জীবন আতঙ্ক আর ভয়ের মধ্য দিয়ে কাটে। কারণ সে রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকার নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সেই হত্যাযজ্ঞ থেকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন পর্যন্ত রেহাই পায়নি। সুদীপ্ত শাহীন এর মাঝে বেঁচে আছেন এটা বিশ্বাস করতে তাঁর বিস্ময় লাগে। ২৬ মার্চের সূর্যোদয় দেখবার কথা তিনি ভাবতেও পারে না।উদ্দীপকে বর্ণিত সুদীপ্ত শাহীন 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? কীভাবে? বিচার করো।
- ‘রেইনকোট' গল্পে নুরুল হুদার কাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে ইচ্ছা করল?
- 'ভোর রাত থেকে বৃষ্টি'- কোন রচনার শুরুতেই উল্লিখিত হয়েছে?
- "রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইনটার, আর আমাদের জেনারেল..."
- রেইনকোট' গল্পে কোন বারের উল্লেখ নেই?
- সন্তানকে রক্ষা করতে নিজের বুকে গুলি পর্যন্ত খেলেন লিপি মণ্ডল। এরপরও শেষ রক্ষা হলো না। ছয় বছরের শিশু পুত্র পরাগ মন্ডলকে দিন দুপুরে অপহরণ করে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা। শিশুটির এখনো কোনো খোঁজ নেই। এ ধরনের একটি ঘটনা তখনই ঘটে যখন আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে জনমনে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে।"উদ্দীপকের সন্তানহারা লিপি মণ্ডল যেন 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদারই প্রতিনিধিত্ব করে।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- প্রফেসর আকবর সাজিদকে প্রিন্সিপাল আজকালতোয়াক্কা করে কেন?
- ১৯ শে অক্টোবর ১৯৭১ সালে ঢাকার মতিঝিল এলাকায় একটি ব্যাংকের সম্মুখে পাকিস্তানি জঙ্গী সরকারের তাঁবেদারদের একটি মোটরগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। আমাদের দুঃসাহসিক বীর তরুণরা প্রকাশ্যে টহলরত হানাদার সৈন্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে উক্ত গাড়ির আসনের নিচে একটা 'টাইম বোমা' বসিয়ে দেয়। এরপর তাঁবেদাররা ব্যাংক লুট করে মোটরে আসনে গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত করে বোমাটি বিস্ফোরিত হলে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য গাড়িও একসঙ্গে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ফলে ঘটনাস্থলে ৫ জন তাঁবেদার খতম এবং কয়েকজন মারাত্মক আহত হয়। গেরিলা যোদ্ধাদের এরকম কর্মকাণ্ড অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তোলে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রেরণা জোগায়।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- হয়তোবা ইতিহাসে তোমাদের নাম লেখা রবে নাবড়ো বড়ো লোকেদের ভিড়ে জ্ঞানী আর গুণীদের আসরেতোমাদের কথা কেউ কবে না, তবু এই বিজয়ী বীর মুক্তিসেনাতোমাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হবে না।উদ্দীপকের মুক্তিসেনা যেন 'রেইনকোট' গল্পের মিন্টুকে মনে করিয়ে দেয়"- বর্ণনা করো।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ালপুরের, মাতব্বর খিজির আলি পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে হাত মেলায়। মুক্তিবাহিনীর সূদস্যদের জীবন সে বিপর্যস্ত করে তোলে। গৃহস্থের হাঁস-মুরগি, গোরু-ছাগল লুট করে পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্পে দিয়ে আসে। পাকিস্তানি সেনারাও তার পরামর্শ আমলে নিয়ে অভিযান চালায়।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সমগ্র ভাব ধারণ করেনি।"- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- রেডিও টিভিতে বিখ্যাত ও পদস্থ ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে প্রোগ্রাম করিয়েও কর্তাদের তেমন সুবিধা হচ্ছে না বোধ হয়। তাই বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীদের ধরে ধরে তাঁদের দিয়ে খবরের কাগজে বিবৃতি দেওয়ানোর কূটকৌশল শুরু হয়েছে। আজকের কাগজে ৫৫ জন বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীর নাম দিয়ে এক বিবৃতি বেরিয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সানন্দে এবং সাগ্রহে সই দিলেও বেশির ভাগ বুদ্ধিজীবী ও শিল্পী যে বেয়োনেটের মুখে সই দিতে বাধ্য হয়েছেন, তাতে আমার কোনো সন্দেহ নেই।[তথ্যসূত্র: 'একাত্তরের দিনগুলি'- জাহানারা ইমাম]উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কোন দিক থেকে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা, করো।
- 'রেইনকোট' গল্পে অফিসের জন্য কয়টি আলমারি আনা হয়েছিল?
- মমতাজ উদ্দীন আহমদ রচিত নাটক 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা'। এ নাটকের উজ্জ্বল চরিত্র। দারোগা নুর মোহাম্মদ। অর্থ পুরস্কারের লোভে তিনি আকৃষ্টি হননি। তাইতো ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক পুরস্কার ঘোষিত আসামি স্বদেশি আন্দোলনের নেতাকে হাতের নাগালে পেয়েও ছেড়ে দিয়েছেন। এভাবেই দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করে যাওয়া বিপ্লবী চেতনার সাথে একাত্ম হয়ে গেছেন তিনি।উদ্দীপকের দারোগা নূর মোহাম্মদের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা চরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে? বুঝিয়ে দাও।