‘সাম্যবাদী’ কবিতায় ৫ম ও ৬ষ্ঠ পংক্তিতে কয়টি জাতি-গোষ্ঠীর নাম আছে?
A. ৫
B. ৬
C. ৭
D. ৮
সঠিক উত্তরঃ
C.
৭
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- বঙ্গভাষা' কবিতায় ষটকের মিলবিন্যাস -
- “ঘােরতর কৃষ্ণবর্ণ”-কার সম্পর্কে কমলাকান্তের মন্তব্য?
- 'সকল দুশ্চিন্তা পরিত্যাগ করিয়া ধর্মাচরণে মন দাও'- কে, কেন বলেছিল?
- ফরিদপুর জেলার ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে নকশিকাঁথা। কাঁথা সেলাই করে অনেকেই সচ্ছলতার মুখ দেখেছে। নারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্ব-উদ্যোগে নকশিকাঁথার দোকান পরিচালনা করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। শহরের অলিগলিতে আজ চোখে পড়ে অসংখ্য হস্তশিল্পের দোকান। দোকানের পণ্যগুলো দেশের বাজার ছাড়িয়ে বিদেশের বাজারেও স্থান করে নিচ্ছে। তাই এখন এ জেলার স্লোগান হচ্ছে। "ফরিদপুরের নকশিকাঁথা, বাংলাদেশের গর্বগাথা"।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের বিষয়বস্তুর বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- 'সুবচন নির্বাসনে' নাটকটির রচয়িতা কে?
- রাজা দুষ্মন্ত শকুন্তলাকে 'বনলতা' বলেছেন যে জন্যে
- ‘সংস্কৃতি ও সংস্কৃতি সাধক’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ঐকতান' কবিতাটি কোন্ পত্??িকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- 'গাঙুর' নদীর উল্লেখ আছে কোন রচনায়?
- ” স্বর্ণশ্যাম বুক ছিঁড়ে/অস্ত্র হাতে নামে সাস্ত্রী কাপুরুষ,” কাদের কথা বলা হল?
- ' তরুছায়ামসী - মাখা ' - কোন রঙ এর প্রসঙ্গ?
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' রচনায় গল্প-প্রিয় চরিত্র কোনটি?
- ‘আমি পৃথিবীর কবি, _____’ অপূর্ণ এই পঙক্তির পরের অংশ কোনটি?
- ‘এইখানে এসে লুটাইয়া পড়ে সকল_____।’ - 'সাম্যবাদী' কবিতার এই চরণের শূন্যস্থানে কোনটি রয়েছে?
- 'অমোঘ' অর্থ কী?
- 'জাগাে অগণন ক্ষুধিত মুখের নীরব ভ্রুকুটি হেরি।'- কোন কবিতার পঙক্তি
- "পদ্মানদীর মাঝি" উপন্যাসে কুবেরের মেয়ের নাম কি?
- ‘জমিদার দর্পণ’ নাটকটি কে লিখেছেন?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের কীসের গান শোনায় ?
- সক্রেটিস ছিলেন বিশ্বখ্যাত দার্শনিক। তাঁর প্রচারিত'নিজেকে জানো' বক্তব্যটি সারা বিশ্বে আলোড়ন তুলেছে।তাঁর আপন সত্তাকে চেনার দর্শন আজও অমলিন।. উদ্দীপকের 'নিজেকে জানো' বক্তব্যটির সঙ্গে‘সাম্যবাদী' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিক কোনটি?
- জহির রায়হান রচিত ‘বরফ গলা নদী’ একটি-
- ‘কবর’ নাটকটির লেখক-
- কবর কবিতাটি কোন ধরনের রচনা?
- বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার -
- শিক্ষকতার দীর্ঘ জীবনে রহিম সাহেবের কাছে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় কখনো বড়ো হয়ে ওঠেনি। জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি আশপাশের মানুষদের মানবতাবাদে দীক্ষিত করা ছিল তাঁর জীবনব্রত। এখন তাঁর অবসর কাটে সামাজিক আর ব্যক্তি মানুষের কল্যাণকর্মে। ধর্মীয় গোঁড়ামি কিংবা অন্ধ সংস্কারের কারণে সমাজে যখন অনাচার দেখা দেয় তখন রহিম সাহেব সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের প্রায়ই চন্ডীদাসের সেই অমর উচ্চারণ মনে করিয়ে দিতেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।""উদ্দীপকটি ভাবগত দিক থেকে 'সাম্যবাদী' কবিতাকে ধারণ করেছে।"- মন্তব্যটি বিচার করো।