"চলে যায় মরি হায় বসন্তের দিন।
দূর শাখে পিক ডাকে বিরাম বিহীন।
অধীর সমীর- ভরে উচ্ছ্বসি বকুল ঝরে,
গন্ধ সনে হল মন সুদূরে বিলীন।
পুলকিত আম্রবীথি ফাল্গুনেরই তাপে,
মধুকর গুঞ্জরণে ছায়াতল কাঁপে।
কেন আজি অকারণে সারা বেলা আনমনে
পরানে বাজায় বীণা কে গো উদাসীন।"
উদ্দীপকের বসন্ত বর্ণনার সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বসন্ত বর্ণনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির মন বিষণ্ণতায় আচ্ছন্ন।যে কারণে—
- নাহি জানি, কেহ নাহি জানেতব সুর বাজে মোর গানেকবির অন্তরে তুমি কবিনও ছবি নও ছবি, নও শুধু ছবিউদ্দীপকের 'তব সুর বাজে মোর গানে' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার যে দিকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- সৈয়দ নেহাল হোসেন কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- জানি তোমার হৃদয় শূন্য,মন পোড়ে কার জন্য?উদ্দীপকের ‘কার' শব্দটি তাহারেই পড়ে মনেকবিতার কোন বিষয়কে স্মরণ করিয়ে দেয়?
- প্রথম মহিলা জাতীয় অধ্যাপকের নাম -
- 'শুনি নাই রাখিনি সন্ধান' বলতে কী বোঝায়?
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- সাঁঝের মায়া' কার লেখা?
- সাধারণত ঈদের দিন প্রচণ্ড আনন্দে মেতে ওঠেনীলিমা। সালামি নেওয়া, ঘোরাঘুরি করা এসব নিয়েইদিন কাটে তার। কিন্তু আজ মাকে মনে পড়ায় সেসবের কোনোটিই করতে ইচ্ছা হলো না তার ।নীলিমার কষ্টটুকু ‘তাহারে পড়ে মনে' কবিতায়কীভাবে প্রকাশিত হয়েছে?
- ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি সাজ সাজ রবে মেতে উঠলেও ডা. ইমরান তার পেশায় ব্যস্ত থাকায় কিছুই অনুভব করেননি। ডা. ইমরানের মধ্যে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কোন দিকটির দৃশ্যমান?
- "নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছো নয়নে নয়নে হৃদয় তোমারে পায় না জানিতে রয়েছো হৃদয়ে গোপনে" উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার যে বৈশিষ্ট্য প্রকটিত তা হলো-
- ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি এক নতুন সাজে সজ্জিত হয়। শীতের শুষ্কতা কাটিয়ে প্রকৃতি তখন নব যৌবন লাভ করে। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়, ফুলে ফুলে ভরে যায় অবারিত মাঠ-ঘাট ও বাগান। আমের মুকুল মৌ মৌ গন্ধে তখন চারদিক মুখরিত মুখারিত হয়ে ওঠে। এই ঋতুতে বিরহীদের মন প্রিয়জনের সান্নিধ্য খোঁজে। তাদের কথা বেশি বেশি মনে পড়ে। কারণ, প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রভাব তখন মানব মনে পড়ে। কবি-সাহিত্যিকগণ তখন নতুন নতুন সাহিত্য চর্চায় আত্মনিয়োগ করার অনুপ্রেরণা লাভ করেন।'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্র এবং উদ্দীপকের ঋতুরাজের রূপচিত্র একই অর্থে সমার্থক- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- 'রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া।'- উক্তিটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ভেতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা ঝাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাকভেতরে আমার ভেঙে পড়ে শধু পাড়।"কবিতাংশটুকুর কবির দহন যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির অন্তর্দহন।"-মূল্যায়ন করো।
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় দু'ধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা- তোমার মন ভালো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই বন্ধু। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'"আবিদের জবাবে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলবক্তব্যই প্রতিধ্বনিত হয়েছে"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- "কুহেলী উত্তলী তলে মাঘের সন্ন্যাসী"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কুহেলি উত্তরী তলে কে চলে গেছে?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
- বাঙালি নারীর আত্মজাগরণে যে নারীর অবদান বেশি, তিনি হলেন রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। বিবাহের পর উদার মানসিকতার অধিকারী স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের, পরম মমতায়। ও সহযোগিতায় এবং নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তিনি স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন। আত্মশুদ্ধি ও নিজের জানার জগৎকে পরিশুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে, তিনি সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর সাহিত্য সাধনায় বাঙালি মুসলিম নারী সমাজই মুখ্য হয়ে ওঠেন। সাহিত্য সাধনায় যখন তিনি নিয়োজিত তখন হঠাৎ করে • তাঁর প্রাণপ্রিয় স্বামী পরপারে যাত্রা করেন। এতে তিনি মর্মাহত হন। বিষাদপূর্ণ অন্তরে আপন কর্ম সম্পাদনের জন্য কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গালর্স স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে আজ বাঙালি নারী সমাজ মুক্ত-স্বাধীনভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করছেন।তুমি কি মনে করো যে উদ্দীপকের স্বামী বিয়োগের হাহাকার এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির অন্তরের হাহাকার একই সূত্রে গাঁথা? পক্ষে বা বিপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- জীবনের সব ক্ষেত্রে সফল আকাশ কিন্তু তার সাফল্য তারমাকে আলোড়িত করে না। মায়ের সমস্ত অন্তরজুড়েঅকালে হারিয়ে যাওয়া আবির।উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা উভয় ক্ষেত্রেইপ্রকাশিত—প্রিয়জন হারানোর বেদনাব্যক্তিজীবনের রিক্ততাসাফল্যের প্রতি উদাসীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে আছে তাহার জন্য। উদ্দীপকের 'তার' শব্দটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিষয়কে স্মরণ করায়?
- 'কহিল সে কাছে সরে আসি'- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় এ পঙক্তি কী প্রকাশ পেয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি তার সাথেঅভিযান করেছেন?
- 'বসন্ত বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি, এ মোর মিনতি।' কোন কবিতা থেকে নেয়া?