মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

বেনাইন টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার পরজীবী কোনটি?

A. Plasmodium malariae
B. Plasmodium ovale
C. Plasmodium falciperum
D. Plasmodium vivax
JUUnit-DSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. Plasmodium vivax
Explanation: বেনাইন টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার পরজীবী হলো Plasmodium vivax। Option A (Plasmodium malariae) এবং Option B (Plasmodium ovale) ম্যালেরিয়ার ভিন্ন প্রকারের কারণ এবং Option C (Plasmodium falciparum) সবচেয়ে মারাত্মক ম্যালেরিয়া ঘটায়। নোট: Plasmodium vivax সাধারণত মৃদু প্রভাব ফেলে এবং পুনরায় সক্রিয় হওয়ার ক্ষমতা রাখে।
Another Explanation (5):

বেনাইন টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার পরজীবী কোনটি?

ম্যালেরিয়া এক ধরনের জীবাণুজনিত রোগ যা প্রতিস্বভাব (benign) ও ম্যালিগন্যান্ট (malignant) দুই ধরনের হতে পারে।
এখানে, Benign Tertian Malaria বা বেনাইন টারশিয়ান ম্যালেরিয়া সাধারণত Plasmodium vivax এর দ্বারা হয়।

বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা

ম্যালেরিয়ার পরজীবীর মধ্যে Plasmodium vivax একটি সাধারণ পরজীবী যা বেনাইন (benign) ধরনের ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে।
এটি সাধারণত কম জটিল প্রকৃতির হয় এবং আক্রান্ত ব্যক্তির জীবনযাত্রায় বড় ধরনের ক্ষতি করে না।

মূল কারণ ও বৈশিষ্ট্য:

  • পরজীবীর নাম: Plasmodium vivax 🦟
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য:
    - কম গুরুতর রোগ সৃষ্টি করে
    - সাধারণত দ্রুত নিরাময় হয়
    - রক্তে পুনরায় ফিরে আসার ক্ষমতা বেশি
  • প্রবণতা:
    - অল্প বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে বেশি দেখা যায়
    - আবহাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত

তালিকা: বিভিন্ন Plasmodium প্রজাতির তুলনা

প্রজাতির নাম শরীরের ক্ষতি আক্রান্তের সময়কাল উৎপত্তি
Plasmodium vivax Benign 🛡️ প্রায় 48 ঘণ্টা (Tertian) বিশ্বব্যাপী
Plasmodium falciparum ম্যালিগন্যান্ট 😈 প্রায় 48 ঘণ্টা (Tertian) বিশ্বব্যাপী
Plasmodium malariae সাধারণ 72 ঘণ্টা (Quartan) বিশ্বব্যাপী
Plasmodium ovale কম প্রায় 48 ঘণ্টা (Tertian) আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া

উপসংহার

সুতরাং, Benign Tertian Malaria এর পরজীবী হলো Plasmodium vivax 🩸💉। এটি সাধারণত কম জটিল রোগ সৃষ্টি করে এবং দ্রুত চিকিৎসা সম্ভব।

Option A Explanation:
  • নাম: Plasmodium malariae
  • প্রকার: পরজীবী প্রোটোজোয়া (প্রোটোজোয়া পরজীবী)
  • সংক্রান্ত রোগ: মালেরিয়া (Malaria)
  • প্রভাব: রক্তের লোহিত রক্তকণিকা আক্রান্ত করে, জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, অস্থিরতা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়
  • প্রজনন: মানসিক মধ্যবর্তী পরজীবী (অ্যামাইবোসিস বা অন্য কিছু নয়, বরং মালেরিয়ার জন্য প্রজনন করে)
  • আবাস: মানবদেহের রক্তপ্রবাহে থাকে এবং এদের মাধ্যমে রোগ ছড়ায়
  • সংক্রমণ পদ্ধতি: এঁড়ে বা মাছি দ্বারা সংক্রমিত হয়, যখন তারা আক্রান্ত রক্তের সাথে যোগাযোগ করে
Option B Explanation:
  • Plasmodium ovale একটি প্রোটজোয়া পরজীবী যা সাধারণত মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না।
  • এটি মূলত অস্ট্??েলিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • এটি মানুষের দেহে ইনফেকশন ঘটাতে সক্ষম হলেও, সাধারণত এটি খুব কম ক্ষেত্রে দেখা যায় এবং খুব বেশি গুরুতর রোগ সৃষ্টি করে না।
  • ইনফেকশন হলে এর লক্ষণগুলি সাধারণত হালকা হয় এবং চিকিত্সার মাধ্যমে সহজে নিরাময় হয়।
  • অন্য সাধারণ ম্যালেরিয়া পরজীবীদের মতো, এটি রক্তের লোহিত কণিকা আক্রমণ করে না বা মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করে না।
Option C Explanation:
  • অস্ত্রপাত ও লাল রক্তকণিকা:
    Plasmodium falciparum হলো একটি পরজীবী যা মানুষের লাল রক্তকণিকা আক্রমণ করে, ফলে ম্যালেরিয়া রোগের মূল কারণ হয়।
  • গুরুতর রোগের কারণ:
    এটি সবচেয়ে গুরুতর ও প্রাণঘাতী ম্যালেরিয়া প্রকার, যা দ্রুত এবং মারাত্মক রোগের কারণ হতে পারে।
  • প্রজনন:
    এই পরজীবীটি মানুষের মধ্যে এবং মৌমাছির মতো প্রজননকারী পতঙ্গের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
  • চিহ্ন ও লক্ষণ:
    জ্বর, কাঁপুনি, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, এবং অন্যান্য জটিল উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
    Plasmodium falciparum এর রক্তে রোম্বি বা ছোট কণিকার আকার অনেকটাই বড় এবং এটি রক্তের অন্যান্য পরজীবীর তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
Option D Explanation:
  1. প্রকার: প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর একটি প্রকার, যা মালেরিয়া (অ্যাক??উট বা ক্রনিক) রোগের কারণ।
  2. উদ্ভবস্থান: সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়, যেখানে জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয় বেশি থাকে।
  3. লক্ষণ:
    • অল্প সময়ের জন্য জ্বর আসে, যা পুনরাবৃত্তি হয়।
    • জ্বরের সময় কাঁপুনি হয়, যা সাধারণত ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
    • শরীরের অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
    • অন্য লক্ষণগুলোতে মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, পেশী ব্যথা থাকতে পারে।
  4. প্রজনন ও সংক্রমণ: প্যাথোজেনটি রক্তে প্রবেশ করে, এবং আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে অন্যান্য মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
  5. চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।