সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটিবকত সালে প্রকাশিত হয়?
A.
১৯৬২
B.
১৯৬৩
C.
১৯৬৪
D.
১৯৬৫
সঠিক উত্তরঃ
D.
১৯৬৫
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মনীষী এরিস্টটল নাটকের কয়টি ঐক্যের কথা বলেছেন?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।'- ব্যাখ্যা করো।
- রুনু ও ঝুনু দু'বোন। রুনুর দুই সন্তান। ঝুনুর কোনো সন্তান নেই। তাই ঝুনু রুনুর সন্তানদের মাতৃস্নেহে বড় করে। কিন্তু এ স্নেহ বেশিদিন স্থায়ী লাভ করে না। কারণ রুনু-ঝুনুর বাবা তাঁর সমস্ত সম্পত্তি রুনুর দুই সন্তানকে উইল করে দেন। এতে ঝুনু মনঃকষ্ট নিয়ে বলে, আগে জানলে রুনুর সন্তানদের ছোটবেলায় মেরে ফেলতাম।"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক চিত্র মাত্র"- বিশ্লেষণ করো।
- সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছিনা তো?— উক্তিটি কার?
- 'দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়ে বড়'- উক্তিটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- নবাব আলীবর্দি খাঁর প্রিয়পাত্র কে ছিলেন?
- ব্যাংক ম্যানেজার মনোয়ার হোসেন অত্যন্ত সরলমনা ও উদার প্রকৃতির মানুষ। ব্যাংকের প্রতিটি কর্মচারীকে তিনি অগাধ বিশ্বাস করেন। তাঁর মামার অনুরোধে মাকসুদ হাসান নামের এক ব্যক্তিকে তিনি ক্যাশিয়ার পদে নিয়োগ দেন এবং সিন্দুকের চাবি হস্তান্তর করেন। একদিন রাতের অন্ধকারে নৈশ প্রহরীর সহায়তায় মাকসুদ হাসান ব্যাংকের সকল অর্থসম্পদ আত্মসাত করে আত্মগোপন করেন।উদ্দীপকের যে বিষয়গুলো 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তার তুলনামূলক আলোচনা করো।
- 'নবাব আলীবর্দী ইন্তেকাল করার আগের দিন থেকেই পোশাকটা তৈরি।'- জগৎশঠের এমন মন্তব্যের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- তামা-তুলসী গঙ্গাজল ছুঁয়ে ঈশ্বরের নাম শপথ করছি , আমার জীবন নবাবের কল্যাণে উৎসর্গীকৃত ।'সিরাজ-উ-দ্দৌলা নাটকে এ উক্তি কে করে ?
- ধনকুবের উত্তম দেবনাথ তার চাচাতো ভাইয়ের ষড়যন্ত্রে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন। সরল মনের মানুষ উত্তম দেবনাথ তাঁর ভাইকে বিশ্বাস করে ঠকেছেন। তিনি পুলিশের ভয়ে চোরের মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছে??। তাঁর স্ত্রী মাধবী ছোটো সন্তান নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঘোরেন। তার স্বামীর যখন এ দুরবস্থা, তখন তার কীসের অহংকার, কীসের কষ্ট।উদ্দীপকের মাধবী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের লুৎফা কোন দিক দিয়ে অভিন্ন? ব্যাখ্যা করো।
- তাই আজ হে স্বদেশ, হে জনতা, হাতিয়ার ধরো। শত্রুর শিবিরে আজ জোট বেঁধে প্রত্যেকেই পদাঘাত করো।উক্ত সাদৃশ্যের অন্তর্নিহিত কারণ- বাঙালির প্রতি সিরাজের আহ্বান ইংরেজদের সাথে যুদ্ধ ঘোষণাইংরেজদের প্রত্যক্ষভাবে হুমকি দেওয়ানিচের কোনটি সঠিক?
- দুর্গম গিরি কান্তার মরু, দুর্বার পারাবারলঙ্গিতে হবে রাত্রি নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার!দুলিতেছে তরি, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ,ছিঁড়িয়াছে, পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ?কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ।এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার।"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সম্পূর্ণ দিক প্রকাশিত হয়নি।"- যুক্তিসহ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।"বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়।"- এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনীর আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- সিকান্দার আবু জাফরের জন্মগ্রাম কোনটি?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসায় জাতীয়- আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। যারা এ হীন কাজে জড়িত ছিল তাদের সবাই বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সেনাবাহিনীর বিপথগামী সদস্য। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতে পারেননি যে তাঁকে কেউ মারতে পারে। উদ্দীপকের বিপথগামী সেনাসদস্যদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?
- কোলকাতা থেকে তাড়া খেয়ে ড্রেক দলবলসহ কোন জাহাজে আশ্রয় গ্রহণ করে?
- ওয়াটসনের সই জাল করে দিয়েছে কে?
- ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণের প্রাক্কালে ইংরেজবাহিনী সাদা নিশান উড়ায় কেন?
- পুরানগড়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মাতামুহুরী নদী। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে, তারা এলাকার ধানি জমিগুলোকে ইটভাটা বানিয়ে কৃষি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানোর কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন যজ্ঞে লিপ্ত হয়েছে। এলাকার পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যাবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়মূলক ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের নিকট এর প্রতিকার চায়। কিন্তু, ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই মানবিক বিপর্যয়ও ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।উদ্দীপকের পরিবেশবাদীদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের আদর্শিক মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
- 'রজার ড্রেক প্রাণভয়ে কুকুরের মতো ল্যাজ গুটিয়ে পালিয়েছে'- ব্যাখ্যা করো।
- আকবর সাহেবের কুপুত্র তানভীরকে পারিবারিক ব্যাবসারভাগ না দিয়ে আকমল সাহেবের ছেলে ইমরানকে ব্যাবসারএকচ্ছত্র কর্ণধার করে যান দাদা আশরাফউদ্দিন। এ নিয়েইআকবর সাহেব ভ্রাতুষ্পুত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন ।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে দিকের সাথেসঙ্গতিপূর্ণ—
- 'সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।'উভয় চরিত্রের সাদৃশ্যগত বৈশিষ্ট্য-ক্ষমতালিপ্সাবিশ্বাসঘাতকতাকাপুরুষতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে?'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করো।