আমার পথ প্রবন্ধে পথ প্রদর্শক কে?
A. ধর্ম
B. দেশ
C. সত্য
D. নেতা
সঠিক উত্তরঃ
C.
সত্য
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘অন্তরে যাদের এত গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে?’ - কার রচনার অংশ?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' উক্তিটি করেছেন-
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, কী আমাদের নিষ্ক্রিয় করে তোলে?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটিতে কাজী নজরুল ইসলাম কোন সম্ভে দাম্ভিক হওয়ার কথা বলেছেন?
- 'আমার কর্ণধার আমি'- এ উক্তিটি কার?
- রাজবন্দির জবানবন্দি' প্রবন্ধগ্রন্থটি কার লেখা?
- 'একুশ মানে মাথানত না করা'- কার লেখা?
- 'যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।' বাক্যটি কোন রচনা থেকে সংকলিত হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে আত্মনির্ভরশীলতা আসে-
- আমি কবি-বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গান করার।'- বাক্যটি কোন রচনার অন্তর্ভুক্ত?
- আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লিইব. এর লেখক
- 'অন্তরে যাদের এত গোলামির ভান, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পারে কী করে?'- কথাটি কে লিখেছেন?
- নজরুলের মতে, ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে_____পাওয়া যায়।
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামে??কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- 'যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।'- কথাটি কোন রচনা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যকে কিসের মধ্যে পাওয়া যায়?
- যৌবনের গান’ কে লিখেছেন?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বা???্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।নিচের কোনটি ??পরের অনুচ্ছেদের সবচেয়ে সঠিক শিরোনাম হতে পারে?
- তরুনদের প্রানের ধর্মকে নজরুল কী নাম দিয়েছেন?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত উপন্যাস?
- 'মানুষ ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম'- কার বক্তব্য?
- আমার পথ' প্রবন্ধের উপজীব্য হলো-
- কাজী নজরুল ইসলাম কোনটিকে নমস্কার করেছেন?
- নীচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম এর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ?