ব্রিটিশ শাসনামলে নীলকর সাহেবরা কৃষকদের অগ্রিম টাকা (দাদন) প্রদান করে নীল চাষ করতে বাধ্য করত। নগদ টাকা পেয়ে কৃষকরা কিছুদিন আরাম আয়েশে কাটাত। উৎপাদিত নীল যখন ইংরেজরা অতি স্বল্প মূল্যে নিয়ে যেতো তখন খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে উঠত। ক্ষুধায় কাতর মানুষগুলো আর দাদন নেবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলেও নগদ টাকার লোভ সামলাতে পারত না। বাধ্য হয়ে তারা অল্প অল্প জমি বিক্রি করত। ক্রমশ জমি কমতে থাকায় অভাব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠত। এভাবেই তারা অভাব-চক্রের মাঝে আবর্তিত হত।
উদ্দীপকের কৃষকের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের চাষার যাপিত-জীবনের কতটুকু মিল রয়েছে- আলোচনা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- আব্দুল মিয়া একজন কুমোর। সাত পুরুষ ধরে তার পরিবারের সবাই এই পেশায় জড়িত। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় তার আর্থিক অবস্থা আর আগের মতো নেই। তবে সে ভেঙে পড়েনি। পরিবারের সকলের সহযোগিতা ও. কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে সে অনেকটা আত্মনির্ভরশীল। পাশাপাশি সে সাত পুরুষের পেশাও ছাড়েনি। সময় পেলেই সে মাটির শৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করে বিক্রি করে।উদ্দীপকের 'সময়ের পরিবর্তন' কথাটির সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।
- 'শকুন্তলা' রচনায় উল্লিখিত সোমতীর্থের অন্য নাম -
- গাছের একটি শসা চুরির অপরাধে দরিদ্র বালক ফজলকে নির্দয়ভাবে প্রহার করেন ধনী গৃহস্থ কোবাদ আলী। বালকটি আর্তনাদ করে বলে আর সে কখনো কিছু চুরি করবে না। ঘটনাটি দেখে মনু মাস্টারের প্রাণ কেঁদে ওঠে। দরিদ্র বালক ক্ষুধার জ্বালায় চুরি করেছে। নগণ্য একটি অপরাধে এমন অমানবিক শান্তি। অথচ অন্যায়ভাবে কত মানুষের জমি দখল করে ধনী হয়েছেন কোবাদ আলী। মন খারাপ হলেও চোরের পক্ষ নিয়ে কথা বলার অবকাশ পান না মনু মাস্টার।উদ্দীপকের ফজল চরিত্রের সাথে 'বিড়াল' রচনার বিড়াল চরিত্রের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- মার্জার শব্দের অর্থ কী?
- “একটি তুলসী গাছের কাহিনী" - গল্পের পটভুমী কী?
- "পণ্ডিত সাহেব" গল্পের সম্মেলনটি কোথায় হয়েছিল?
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘বিড়াল' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত?
- শুনিতে পাই________ শত বৎসর পূর্বে ভারতবাসী অসভ্য ছিল।
- ছাতা ব্যবহারের অধিকার ছিল না কাদের?
- "অর্ধাঙ্গী" প্রবন্ধে উল্লেখ আছেঃ কোন দেশের মেয়েরা ব্যবহারের অধিকারী ছিল না?
- তপোবনের চতুর্থ লক্ষণ হিসেবে রাজা দুষ্মন্ত কোনটিতে চিহ্নিত করেছেনে?
- কমলাকান্ত কোন বর্ণের ছিল?
- ‘চাষাভূষার কাব্য’ কার সাহিত্যকর্ম?
- মোতাহের হোসেন চৌধুরীর ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে উল্লেখকৃত ‘Ripeness is all’ বা ‘পরিপক্বতাই সব’ উদ্ধৃতিটি কোন কবির?
- নিদাঘ শব্দের অর্থ কী?
- শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস কোনটি?
- ‘নীলদর্পণ’ নাটকটি কার লেখা?
- 'কমলাকান্তের জবানবন্দি '- রচনাটিতে ' কমলাকান্তের কথার মধ্যে কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
- লোকায়ত বিশ্বাস এই- শুকদেবপুর গ্রামে দূর অতীতে এক মহাপুরুষের জন্ম হয়েছিল। সকল ধর্মের অনুসারীরাই তাঁর কাছ থেকে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক মঙ্গল লাভের দিক নির্দেশনা পেতো। মানুষই সকল জ্ঞান আর প্রজ্ঞার আধার; প্রয়োজন কেবল সেই মানবাত্মার জাগরণ- ??ই ছিল মানবপ্রেমিক মহাপুরুষের সাধনার মূলকথা। তাঁর শিক্ষা ধারণ করে শুকদেবপুর গ্রাম সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির চরম শিখরে পৌঁছেছে। এখানে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা ধর্মভীরু হলেও তাদের মধ্যে নেই ধর্মীয় উন্মাদনা; ধর্ম তাদের কাছে শোষণহীন ন্যায় বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অবলম্বন।"উদ্দীপকের শুকদেবপুর গ্রামটি যেন 'সাম্যবাদী' সমাজেরই মূর্ত রূপ।"- মূল্যায়ন কর।
- নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক বলেছেন কে?
- নিচের যে উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ জীবনের চিত্র প্রাধান্য লাভ করেনি-
- প্রাচীন গ্রীসের স্থাপাত্য কলায় নন্দিত শহর কোনটি?
- মনে বুঝিলাম, ইহারা অন্য জাতের মানুষ'- হৈমন্তী' গল্পে এই বােধ কার?
- "মানচিত্র' নাটকটির রচয়িতা কে?
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্হ হচ্ছে–