অক্সিজেনের ঘনত্বের পার্থক্যের কারণে প্রাণীর সাড়া প্রদানকে কি বলে?
সঠিক উত্তরঃ
D.
অ্যারোট্যাক্সিস
Explanation:


Another Explanation (5):
অ্যারোট্যাক্সিস প্রক্রিয়া:
অক্সিজেনের ঘনত্বের পার্থক্যে প্রাণীর সাড়া: অ্যারোট্যাক্সিস 🫁 ➡️ 🦠
অক্সিজেনের ঘনত্বের পার্থক্যের প্রতি প্রাণীর সাড়া প্রদানকে অ্যারোট্যাক্সিস (Aerotaxis) বলা হয়। এটি ট্যাক্সিসের একটি প্রকারভেদ। ট্যাক্সিস হলো কোনো উদ্দীপকের প্রভাবে জীবের স্থান পরিবর্তন বা চলন। অ্যারোট্যাক্সিসের ক্ষেত্রে, অক্সিজেন ঘনত্বের গ্রেডিয়েন্ট (gradient) উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।
অ্যারোট্যাক্সিসের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- উদ্দীপক: অক্সিজেন (O₂)
- সাড়া: চলন বা স্থান পরিবর্তন 🚶♀️🚶♂️
- ধরণ: ট্যাক্সিস (উদ্দীপকের প্রভাবে দিক-নির্দেশিত চলন)
- লক্ষ্য: অনুকূল অক্সিজেন ঘনত্বযুক্ত অঞ্চলের দিকে গমন 🎯
অ্যারোট্যাক্সিসের প্রকারভেদ:
অক্সিজেনের ঘনত্বের প্রতি সাড়া ইতিবাচক বা নেতিবাচক হতে পারে:
- ইতিবাচক অ্যারোট্যাক্সিস: অক্সিজেনের উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চলের দিকে চলন (যেমন, অবায়বীয় ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে)। ⬆️
- নেতিবাচক অ্যারোট্যাক্সিস: অক্সিজেনের নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলের দিকে চলন (যেমন, অবাধ শ্বসনকারী ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে)। ⬇️
অ্যারোট্যাক্সিসের গুরুত্ব:
- ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য অণুজীবের বেঁচে থাকার জন্য এটি অত্যাবশ্যকীয়।
- এটি তাদের অনুকূল পরিবেশে (যেখানে অক্সিজেনের সরবরাহ পর্যাপ্ত) টিকে থাকতে সাহায্য করে।
- রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর সংক্রমণ এবং বিস্তার প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে। 🦠➡️ host
- জটিল পরিবেশগত পরিস্থিতিতে (যেমন: মাটি, জল) মাইক্রোবিয়াল কমিউনিটির গঠনে সাহায্য করে। 🌍
- বায়োরিমিডিয়েশন (bioremediation) এবং অন্যান্য পরিবেশগত প্রক্রিয়ায় কাজে লাগে। 🌱
অ্যারোট্যাক্সিসের উদাহরণ:
| জীবের উদাহরণ | অ্যারোট্যাক্সিসের ধরণ | গুরুত্ব |
|---|---|---|
| Azotobacter (ব্যাকটেরিয়া) | ইতিবাচক অ্যারোট্যাক্সিস | মাটিতে নাইট্রোজেন ফিক্সেশন (nitrogen fixation)-এর জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। |
| Escherichia coli (ব্যাকটেরিয়া) | ইতিবাচক অ্যারোট্যাক্সিস | অক্সিজেন গ্রহণ করে শক্তি উৎপাদন। |
| কিছু মিথানোজেন (Archaea) | নেতিবাচক অ্যারোট্যাক্সিস | অক্সিজেন তাদের জন্য ক্ষতিকর। |
অ্যারোট্যাক্সিস প্রক্রিয়া:
অ্যারোট্যাক্সিস সাধারণত সংবেদী রিসেপ্টর (sensory receptors) এবং জটিল সংকেত পথ (signaling pathways) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই প্রক্রিয়াটি জীবকে অক্সিজেনের ঘনত্বে সামান্য পরিবর্তন সনাক্ত করতে এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দিতে সহায়তা করে। 🧬
আরও জানতে: মাইক্রোবায়োলজি, পরিবেশ বিজ্ঞান, বাস্তুবিদ্যা 🔬📚
Option A Explanation:
- থিগমোট্যাক্সিন (Thigmotaxis): এটি প্রাণীর একটি স্বাভাবিক আচরণ যেখানে তারা শারীরিক স্পর্শ বা স্পর্শ সংবেদনশীলতার উপর ভিত্তি করে পরিবেশের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেখায়। সাধারণত, এই আচরণটি প্রাণীর শারীরিক গঠন বা প্রজনন স্থানের সন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
- রিওট্যাক্সিস: এটি একটি বৈজ্ঞানিক শব্দ যা সাধারণত জীববৈচিত্র্য বা পরিবেশের বিভিন্ন পদ্ধতিতে জীবের প্রতিক্রিয়া বা সাড়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি জীবের পরিবেশের পরিবর্তন বা বাহ্যিক প্রভাবের প্রতি প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হয়।
- বিশেষ করে জলজ জীবের ক্ষেত্রে, যখন তারা পানি প্রবাহ বা স্রোতের মতো বাহ্যিক চাপের প্রতি সাড়া দেয়, তখন এই প্রতিক্রিয়াটিকেই রিওট্যাক্সিস বলা হয়।
- এটি জীবের স্বাভাবিক আচরণ বা অভিযোজনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
Option C Explanation: ```html
টেলেট্যাক্সিস
- একটি প্রাকৃতিক বা প্রতিক্রিয়াশীল প্রতিক্রিয়া যেখানে প্রাণী বা উদ্ভিদ পরিবেশের পরিবর্তনের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখায়।
- বিশেষ করে, এটি জীবের শারীরিক বা আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়া।
- উদাহরণস্বরূপ, অক্সিজেনের ঘনত্বের পরিবর্তনের কারণে প্রাণীর শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বা ধরণ পরিবর্তিত হতে পারে।
- এটি জীবের পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।
- শারীরিক বা আচরণগত পরিবর্তনসমূহের মাধ্যমে জীবের টেকসইতা বাড়ে।
Option D Explanation: ```html
- অ্যারোট্যাক্সিস: এটি একটি শব্দ যা সাধারণত জীবের পরিবেশের পরিবর্তনের প্রতি প্রতিক্রিয়া হিসেবে তার অভিযোজন বা প্রতিক্রিয়া বোঝায়।
- প্রতিবেশের পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জীবের শারীরিক ও আচরণগত পরিবর্তন ঘটে এই প্রক্রিয়ায়।
- এটি জীবের টিকে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি তাকে পরিবর্তিত পরিবেশে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।