এম.এ. পাস রফিক বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথাবার্তা বলার সময় বলে নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে বিয়ে নয়। কিন্তু পিতৃহীন রফিক চাচার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে না। পর সম্পদ লোভী চাচার আদেশে তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। নিজের মতামত প্রকাশের মানসিক দৃঢ়তা না থাকার কারণে বিয়ে বাড়ীতে যৌতুকের মালামাল নিয়ে লোভী চাচার প্রশ্নের কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। রফিকও চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিয়ে বাড়ী থেকে অসহায়ের মত চলে আসে।
উদ্দীপকে বর্ণিত রফিক চরিত্রের সাথে 'অপরিচিতা'- গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি কার হাতের বাঁশরী?
- এয়ারিং কী?
- 'ধনীর কন্যা তাঁর পছন্দ নয়।'- কার এবং কেন? ব্যাখ্যা করো।
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায়বাহাদুরের হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলেন, শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয় টাকা শোধ করিয়া দিব। রায়বাহাদুর বলিলেন, টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।"উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি অপরিচিতা গল্পের একমাত্র বিষয় নয়।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- 'ঠাট্টার সম্পর্কটাকে স্থায়ী করিবার ইচ্ছা আমার নাই।' উক্তিটি-
- কল্যাণীর 'মাতৃআজ্ঞা'র ধরন আলোচনা কর।
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বাবা ছিলেন-
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শ্রী গীতা রাণী সরকার। লেখাপড়া শেষ করতেই ২৭ বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসে এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। গীতা রাণী লেখাপড়া শেষে একটি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। সমাজের অবহেলিত, পশ্চাৎপদ নারীদের গভীর মনোযোগ সহকারে শিক্ষাদান করেন। হঠাৎ প্রতিবেশী কালীচরণ রায় একটি সম্বন্ধ নিয়ে আসে। গীতা তাকে বিনয়ের সঙ্গে জানান- তিনি এখন আর বিয়ে করতে পারবেন না। কারণ, সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের শিক্ষার গুরুদায়িত্ব তিনি নিয়েছেন।উদ্দীপকের গীতা রাণীর সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'দেখি মেয়ের বিয়ে দেন কেমন করিয়া'- কথাটি কেন বলা হয়েছে?
- "কালে ইহাদের বংশে লক্ষ্মীর মঙ্গলঘট ভরা ছিল।" কার বংশের ঐতিহ্য বোঝাতে লেখক এ উক্তিটি ব্যবহার করেছেন
- আমাদের সমাজে ছেলে সন্তানের জন্ম হলে সবাই খুশি হয়। এর নেপথ্যে কারণ কন্যাসন্তানের বিয়ে দিতে দতে অনেক অনেক অর্থ সংকুলন করতে হয়। সামাজিক, ধর্মীয় এবং আইনগত কুপ্রথার কারণে প্রতিনিয়ত অনেক নারী স্ত্রী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মানুষ যত দিন ভোগবাদী চিন্তার চূড়ান্ত স্তর থেকে বেরিয়ে আসতে না পারবে, ততদিন এ ব্যাধি থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। মানুষের চিন্তার চিকিৎসা করাতে পারলে মানবতার জয়গান প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।উদ্দীপকের মানবতার জয়গানের বিষয়টি 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- “সমাজে প্রচলিত বিধিনিষেধ মেনে চলা বাঞ্চনীয়।” এ বাক্যে “বিধিনিষেধ” কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- হয়তো কিছুই নাহি পাবতবুও তোমায় আমি দূর হতে ভালোবেসে যাব।যদি ওগো কাঁদে মোর ভীরু ভালোবাসা,জানি তুমি বুঝিবে না তবু তারি ভাষা,তোমারি জীবনে কাঁটা আমি, কেন মিছে ভাব ||"উদ্দীপকে 'অপরিচিতা' গল্পের আংশিক ভাব প্রতিফলিত হয়েছে"- বিশ্লেষণ করো।
- ‘অপরিচিতা’ গল্পে কন্যাকে আশীর্বাদ করার জন্য যাকে পাঠানো হয়েছিল- সে সম্পর্কে নায়কের কী হয়?
- "ভালো মানুষ হওয়ার কোনো ঝঞ্ঝাট নেই"- ব্যাখ্যা কর।
- ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসটি কার লেখা?
- অপরিচিতা' গল্পে 'জড়িমা' শব্দের অর্থ কী?
- ২০১৪ সালে সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশের কত বছর পূর্ণ হয়?
- 'রক্তকবরী' কোন ধরনের রচনা?
- "অপরিচিতা" গল্পের নায়িকার নাম কী?
- '
- অনুপমকে 'মাকাল' ফলে'র সঙ্গে তুলনা করে বিদ্রূপ করেছিল কে?
- “সব ক টা জানালা খুলে দাও না* বাক্যে না” এর ব্যবহার:
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছু দিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গিয়াছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনও তাহার চেয়ে কিঞ্চিৎ উপরে আছে, সেই জন্য তাড়া।উদ্দীপকের বরের বাপের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা কোনটি?