'কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছু দিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোন রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গিয়াছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে আছে, সেই জন্যই তাড়া।'
উদ্দীপকের কন্যার বাপের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার সাদৃশ্য দেখাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ’চতুরঙ্গ’ কী ধরনের রচনা?
- কোনটি সঙ্গতিপূর্ণ জোড় নয়?
- রবীন্দ্রনাথের 'শেষের কবিতা' একটি-
- এ বছর রবীন্দ্রনাথের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির কত বছর পূর্ণ হল?
- 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ' কোথায় সংগঠিত হয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের বাবা কী করে জীবিকা নির্বাহ করতেন?
- স্বয়ংবরা শব্দের অর্থ কি?
- নাট্যকার মুনীর চৌধুরীর পেশা কী ছিল?
- কোনগুলো বর্গীয় বর্ণ নয়?
- প্রাতঃকালে স্মরণ করার যোগ্য-
- ‘চুনিয়া' আমার আর্কেডিয়া কবিতায় ‘চুনিয়া' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- সবেমাত্র ডাক্তারি পাশ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগদান করেছে পরেশ। এর মধ্যেই তার বাবা তাকে না জানিয়ে পাশের গ্রামে সুন্দরী শিক্ষিত এক মেয়ের সাথে বিয়ের ব্যবস্থা পাকা করে ফেলেছেন। ঘটকের মাধ্যমে পরেশ জানতে পেরেছে, ঘর সাজিয়ে দেওয়া ছাড়াও বরপক্ষকে মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে। সবকিছু জানার পর, কোনো বিনিময় ছাড়াই পরেশ বিয়ের পক্ষে মত দেয় এবং শেষ পর্যন্ত তার কথা সবাই মেনে নেয়।'অপরিচিতা' গল্পের উদ্দিষ্ট চরিত্র যদি উদ্দীপকের পরেশের মতো হতো, তাহলে গল্পের পরিণতি কেমন হতো? বিশ্লেষণ করো।
- বলিলেন, 'সে কী কথা। লগ্ন'- কে, কেন বলেছিল? প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বুঝিয়ে দাও।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস?
- 'পদ্মরাগ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সিদ্দিকা। ব্যারিস্টার লতিফ আলমাসের সঙ্গে তার বিয়ের কথা পাকা হয়। লফিতের চাচার ছিল সম্পদের লোভ কিন্তু সিদ্দিকার বড় ভাই সোলেমান তার বোনকে সম্পত্তি লিখে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। তাই চাচা লতিফ আলমাসকে অন্য এক বিত্তশালী বিধবার কন্যার সঙ্গে বিয়ে দেন। অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনার পর সিদ্দিকার সঙ্গে লতিফের যখন দেখা হয় তখন বিপত্নীক লতিফ সিদ্দিকাকে পুনরায় বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সিদ্দিকা সবকিছু জানার পর লতিফকে ক্ষমা করে কিন্তু সংসার করার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। কারণ ততদিনে সে নারী মুক্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত হয়ে জীবনের উদ্দেশ্যকে বদলে ফেলেছে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'অপরিচিতা' গল্পের মূল লক্ষ্য একই।"-বিশ্লেষণ কর।
- অনুপমের বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পরে মামা মামলাকরার পরিকল্পনা করেছিলেন কীসের জন্য?বিবাহের চুক্তিভঙ্গেআর্থিক ক্ষতি পোষাতেমানহানির দাবিতেনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘চিরকুমার সভা’ নাটকটির লেখক কে?
- 'ব্যতীত' শব্দের শুদ্ধ্ব উচ্চারণ কোনটি?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত " অপরিচিতা " গল্প কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ?
- অপাদমস্তক স্বার্থন্ধ মানুষ সমীরণ বাবু। নিজের স্বার্থ আদায়ে তিনি সিদ্ধহস্ত। একমাত্র ছেলের বিয়েতে তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি তার শিক্ষিত ও যোগ্য ছেলের বিয়েতে কন্যাপক্ষের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের যৌতুক চান। সবকিছুই ঠিক ছিল- সুন্দরী কনে, কনের গহনা, পণের টাকা, নিমন্ত্রণ করা। কিন্তু গোল বাধল বিয়ের সভাতে। অর্থলোভী সমীরণ বাবু যৌতুক নিয়ে বাড়াবাড়ি এবং আপত্তিকর কিছু আচরণ করে বিয়ে ভেঙে দিতে চায়। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে তাঁর আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলে টিটন বেঁকে বসে। আজন্ম বাধ্যগত ছেলে টিটন তখন বাবার হীনমানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বলে, সে কেনাবেচা করতে আসেনি; কাউকে অপমান করতেও আসেনি; একজনকে জীবনসঙ্গী করতে এসেছে। তাই বিয়ে করে তাকে নিয়েই বাড়ি ফিরবে।উদ্দীপকটি 'অপরিচিতা' গল্পের বক্তব্যকে কতটা ধারণ করতে পেরেছে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- লাবণীর বিয়ে। তার বাবা বলল, 'ছেলে পক্ষ এত ভালো যে, তারা কিছুই চায় না। কিন্তু আমার মন মানে না। এতবড়ো বাড়িতে তোকে খালি হাতে পাঠাই কী করে। তাই ভাবছি- যত ইলেকট্রনিক্স লাগে, সব তোর সঙ্গে পাঠাব।' লাবণী দৃঢ় কণ্ঠে বলল, 'না। আমার বিয়েটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাক, বাবা।'উদ্দীপকের লাবণী 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- 'মেয়ের চেয়ে মেয়ের বাপের খবরটাই, তাঁহার কাছে গুরুত্বর।'-ব্যাখ্যা করো।
- Change the narrative style by using direct speeches."Why are you crying? Do you have any problem?" asked the passer-by. "I am crying because I have none to look after me," said the street child. "Are you hungry?" "Yes, I am," said the boy.
- অনিমেষ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর বাবা-মার পছন্দ করা মেয়ে মাধুরীকে বিয়ে করে ঘরে আনে। অনিমেষের বাবা ও মা নিজ কন্যার মতোই মাধুরীকে প্রথমে সাদরে গ্রহণ করলেও কিছু দিনের মধ্যে যৌতুক না পাওয়ায় বকাঝকা করতে থাকে। তখন অনিমেষ তার বাবাকে খুব বিনয়ের সাথে বুঝিয়ে বলে যে, সে কোনো যৌতুক নেবে না। আর তারা যেন এ-ব্যাপারে মাধুরীকে কোনো কটুকথা না বলে।'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী যৌতুকের কারণে যেভাবে নিগৃহীত হয়েছে উদ্দীপকের মাধুরী সেই অর্থে সৌভাগ্যবতী'। উক্তিটির যথার্থতা নির্ণয় কর।