মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনাে এসিড হলাে -

A. গ্লাইসিন
B. সেরিন
C. ভ্যালিন
D. সিস্টিন
RUUnit-CSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ রসায়নঅ্যামিনো এসিড (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. ভ্যালিন
Explanation:

অত্যাবশ্যকীয় এসিডঃ যারা দেহাভ্যন্তরে সংশ্লেষিত হয়না। এদের সংখ্যা ৮ টি(লিউসিন,আইসোলিউসিন, লাইসিন,থ্রিওনিন,ভ্যালিন,মেথিওনিন,ফিনাইল এলানিন, ট্রিপটোফ্যান)। শিশুদের ক্ষেত্রে মোট ১০ টি।

Another Explanation (5): ```html

অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিড: ভ্যালিন 🧪

অ্যামিনো অ্যাসিড প্রোটিনের বিল্ডিং ব্লক। এর মধ্যে কিছু অ্যামিনো অ্যাসিড আমাদের শরীর তৈরি করতে পারে, আবার কিছু খাবার থেকে গ্রহণ করতে হয়। যে অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো শরীর তৈরি করতে পারে না, সেগুলোকে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিড বলে। ভ্যালিন उनमें से एक है। 😎

অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিডের তালিকা 📝

  • ভ্যালিন (Valine): পেশী গঠন ও মেরামতে সাহায্য করে। 💪
  • লিউসিন (Leucine): প্রোটিন সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ।
  • আইসোলিউসিন (Isoleucine): শক্তি উৎপাদন ও রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।
  • লাইসিন (Lysine): ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে।
  • মেথিওনিন (Methionine): শরীরের বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়ক।
  • ফিনাইল অ্যালানিন (Phenylalanine): মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়। 🧠
  • থ্রিওনিন (Threonine): রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • ট্রিপটোফ্যান (Tryptophan): ঘুম ও মেজাজ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 😴
  • হিস্টিডিন (Histidine): শিশুদের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। 👶

ভ্যালিনের উৎস 🥩🥦🥚

ভ্যালিন বিভিন্ন খাদ্যে পাওয়া যায়। নিচে কিছু প্রধান উৎসের তালিকা দেওয়া হলো:

  1. মাংস (Beef, Chicken, Fish)
  2. ডিম (Eggs) 🥚
  3. দুগ্ধজাত পণ্য (Dairy products) 🥛
  4. শস্য (Grains) 🌾
  5. বাদাম ও বীজ (Nuts and seeds) 🌰
  6. সয়াবিন (Soybeans)
  7. সবুজ শাকসবজি (Green leafy vegetables) 🥬

ভ্যালিনের উপকারিতা 💖

  • পেশী পুনরুদ্ধার এবং বৃদ্ধি: ভ্যালিন পেশী টিস্যু মেরামত করতে এবং নতুন পেশী তৈরি করতে সাহায্য করে।
  • শক্তি উৎপাদন: এটি গ্লুকোজের অভাবে শক্তি সরবরাহ করতে পারে।
  • নাইট্রোজেন ব্যালেন্স: শরীরে নাইট্রোজেনের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  • ক্ষত নিরাময়: দ্রুত ক্ষত সারাতে সহায়ক।

ভ্যালিনের অভাবজনিত সমস্যা ⚠️

শরীরে ভ্যালিনের অভাব হলে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন:

  • পেশী দুর্বলতা 😫
  • শারীরিক দুর্বলতা 🤕
  • মানসিক অস্থিরতা 😕
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া 🤒

অতিরিক্ত ভ্যালিন গ্রহণের ঝুঁকি ☢️

অতিরিক্ত ভ্যালিন গ্রহণ করলে কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, যদিও এটি বিরল। কিডনি ও লিভারের সমস্যা থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 👨‍⚕️

ভ্যালিন সম্পর্কিত তথ্য সারণী 📊

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
রাসায়নিক সূত্র C5H11NO2
আণবিক ওজন 117.15 গ্রাম/মোল
প্রকার অ্যালিপ্যাটিক, নন-পোলার
শ্রেণী অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিড

আশা করি, ভ্যালিন সম্পর্কে এই তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে। 😊

```
Option A Explanation:
  • গ্লাইসিন: এটি একটি সাধারণ অ্যামিনো অ্যাসিড যা প্রাকৃতিকভাবে প্রোটিনে পাওয়া যায়।
  • গ্লাইসিনের রাসায়নিক গঠন মূলত দুটি কার্বন পরমাণু, দুটি হাইড্রোজেন, একটি অ্যামিনো গ্রুপ এবং একটি কার্বক্সিল গ্রুপ নিয়ে গঠিত।
  • এটি একটি প্যারামেটিক অ্যামিনো অ্যাসিড, অর্থাৎ এর রেসিপি সাধারণত শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
  • সেরিন (Serine): এটি একটি অ্যামাইনো এসিড যা প্রোটিনের উপাদান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। এটি একটি নন-অ্যাপুরিন বা নন-প্রোটিন অ্যামাইনো এসিড নয়, বরং প্রোটিনের গঠন উপাদান।
  • অন্য কিছু অ্যামাইনো এসিডের মতো, এটি শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে অংশ নেয়, যেমন নিউরোট্রান্সমিটার সৃষ্টিতে সহায়তা করে।
  • সেরিন স্বাভাবিকভাবে বিভিন্ন খাদ্য উৎস থেকে পাওয়া যায়, যেমন ডাল, বাদাম, ডিম, এবং মাংস।
Option C Explanation:
  • ভ্যালিন একটি অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা শরীর নিজে তৈরি করতে পারে না এবং খাদ্য থেকে গ্রহণ করতে হয়।
  • এটি প্রোটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, বিশেষ করে পেশী গঠনে এবং পুনর্গঠনে সহায়ক।
  • প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে মাংস, ডিম, দুগ্ধজাত পণ্য, এবং বিভিন্ন শস্যের মধ্যে পাওয়া যায়।
  • বিজ্ঞানী ও গবেষকদের দ্বারা এটি প্রোটিন সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ অ্যামাইনো অ্যাসিড হিসেবে স্বীকৃত।
Option D Explanation:
  • সিস্টিন: সিস্টিন একটি অ্যামিনো অ্যাসিড যা প্রোটিনের গঠনমূলক উপাদান। এটি শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেমন কোষের বৃদ্ধি ও সংস্কার।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: সিস্টিনের সালফার সামগ্রী থাকায় এটি লালচে বা হলুদ রঙের হতে পারে, তবে এটি সরাসরি গাজরের রঙের সঙ্গে যুক্ত নয়।
  • উপস্থিতি: বিভিন্ন প্রোটিনে উপস্থিত থাকলেও, এটি মূলত খাবারের রঙ বা গাজরের মূলের হলুদ রঙের জন্য দায়ী নয়।