আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলামের মতে কীভাবে আত্মনির্ভরতা আসে?
A. দুর্বলতাকে জয় করে
B. আত্নাকে চিনলে
C. দাসত্বকে ত্যাগ করে
D. মহাত্নাকে অনুসরণ করলে
সঠিক উত্তরঃ
B.
আত্নাকে চিনলে
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলামের মতে কীভাবে আত্মনির্ভরতা আসে? এখানে কাজী নজরুল ইসলামের আত্মনির্ভরতার ধারণা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. দুর্বলতাকে জয় করে: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. আত্মাকে চিনলে: সঠিক, এটি সঠিক উত্তর। C. দাসত্বকে ত্যাগ করে: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. মহাত্নাকে অনুসরণ করলে: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: 'আমার পথ' প্রবন্ধে আত্মনির্ভরতা আসে আত্মাকে চিনলে, যা নজরুল ইসলামের মূল ধারণা।
Related Questions (Any University/Year)
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ও ভাবের একাত্মতা' বলতে কি বুঝানো হয়েছে?
- যে চাঁদ সাগরে জোয়ার জায়গায়, সে হয়ত তাহার শক্তি সম্বন্ধে আজও না ওয়াফিক । এ বাক্যটি কোন রচনার?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- ‘যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না'- উক্তিটি কোন প্রবন্ধের ?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামে??কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধের বক্তব্য অনুসারে আত্মকে চেনার সহজ স্বীকারোক্তি হলো-
- রাজবন্দির জবানবন্দি' প্রবন্ধগ্রন্থটি কার লেখা?
- 'বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি' - এই উক্তি কোন লেখকের?
- যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান। উদ্ধৃতি টি কার?
- আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। কার উক্তি?
- “খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে.....” গানটি কার লেখা?
- "আমার পথ' প্রবন্ধে কোনটিকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয়েছে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে কীসের মধ্য দিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- সবগুলো গ্রন্থই কাজী নজরুল ইসলামের- এমন গুচ্ছ নয় কোনটি?
- 'একুশ মানে মাথানত না করা'- কার লেখা?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোনটিকে নমস্কার জানিয়েছেন?
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- “যে রাষ্ট্র হাতপাতা আর চাটুকারিতাকে দেয় প্রশ্রয়, সে রাষ্ট্র কিছুতেই আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারেনা।”- উক্তিটি কার?
- তরুনদের প্রানের ধর্মকে নজরুল কী নাম দিয়েছেন?
- 'যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।'- কথাটি কোন রচনা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- 'আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে'-উক্তিটিতে 'দৃষ্টিভঙ্গি' শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- আপনার সত্তাকে পথপ্রদর্শক কাণ্ডারি বলে জানা—
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।লোকায়ত জ??বন সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা আছে কাদের?