উদ্দীপক-১: শফিক সাহেব প্রতিদিন একশত টাকা করে ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেন। গরিবের দুঃখকে তিনি উপলব্ধি করতে পারেন বিধায় তিনি অধিক পরিমাণে গরিবদের আর্থিক সহায়তা করেন।
উদ্দীপক-২: রহমত সাহেব সচরাচর ভিক্ষা দেন না। তবে প্রতিবছর তিনি নিজ এলাকায় গমন করে একজন দরিদ্র ব্যক্তিকে দোকানঘর করে দিয়ে বা রিক্সা কিনে দিয়ে স্বাবলম্বী করে তোলেন।
উদ্দীপক-১ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটিকে তুলে ধরে? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগে' পঙক্তিটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
- ‘সতীশ’ এর সন্ধিবিচ্ছেদ-
- "তা করা হলেই মানব-কল্যাণ হয়ে উঠবে মানব-মর্যাদার সহায়ক।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ।'- কথাটি কে বলেছেন?
- 'আলমারি' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
- সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
- মানব-কল্যাণ' কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠবে?
- অনশন ধর্মঘটের ব্যাপারে আলোচনার কথা বলেবঙ্গবন্ধুকে কোন তারিখে জেলগেটে আনা হয়েছিল?
- 'Existentialism'-এর মূলকথা কী?
- 'সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসল।'- এ বাক্যের মর্মার্থ লেখো।
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- ‘জংশন’ শব্দটির উৎস ভাষা-
- জাতিকে কী-হিসেবে গড়ে তুলতে হবে?
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- শব্দের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
- ‘চতুষ্কোন’ এর সন্ধিবিচ্ছেদ-
- সমাজের ক্ষুদ্রতম অঙ্গ বা ইউনিট কোনটি?
- 'ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ।'- ব্যাখ্যা করো।
- ভেলরি টেইলর, বাংলাদেশের এক অকৃত্রিম বন্ধুর নাম। ৭২ বছর বয়সি মহান ব্যক্তি কর্মজীবনে লাভ করেছেন নানা স্বীকৃতিসহ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি। স্বেচ্ছাসেবা এবং সম্পূর্ণ আপন প্রচেষ্টায় সিআরপি প্রতিষ্ঠা করে তিনি দুস্থ, নিঃসহায় মানুষের জন্য বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে পঙ্গুত্বের শিকার হাজার হাজার মানুষকে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরিয়ে আনতে তার গড়া সিআরপি নজিরবিহীন ভূমিকা পালন করেছে।উদ্দীপকের সাথে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক তুলে ধরো।
- 'জগজ্জ্যোতি' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- প্রাবন্ধিক আবুল ফজল কোন আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন?
- ‘ডেঙ্গু' শব্দটি বাংলায় কোন ভাষা থেকে এসেছে?
- মানব-কল্যাণের উৎস কোথায় নিহিত?
- ‘ণ-ত্ব’ বিধান প্রযোজ্য হয় কোন শব্দে?