নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
A. জীবন থেকে নেয়া
B. হাজার বছর ধরে
C. আরেক ফাল্গুন
D. পান্নামতি
সঠিক উত্তরঃ
A.
জীবন থেকে নেয়া
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- ধলা মিয়ার সঙ্গে খালেক ব্যাপারী ধমক-ধামকে কথা বলে কেন?
- শিক্ষিত মানুষের সংস্কৃতিই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই সংস্কৃতি। তাই অশিক্ষিত দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। এই সংগঠনের নেতাগণ সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। তেমনি একজন নেতা শাহ্ কদম আলী। নিজের পানি পড়ায় বিশ্বাস নেই তার। তাই চিকিৎসার জন্য ভক্তদের টাকা নিয়ে সিঙ্গাপুর যান। তবে গ্রামবাসীর মহৌষধ হলো শাহ্ কদম আলীর পড়া পানি।উদ্দীপকের শাহ্ কদম আলী 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ও কতটুকু ব্যাখ্যা কর।
- 'লালসালু' কত সালে প্রকাশিত হয়?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'র নাটক কোনটি?
- লালসালু' উপন্যাসে 'সিদ্ধ' ধানের ভাপের' শব্দটিকে কীসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
- গ্রামের স্কুলশিক্ষক বাবা তমিজুদ্দীন তাঁর ছেলে রাসেলকে শহরের বড়ো প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষার জন্য পাঠায়। রাসেল ডাক্তার হয়ে বাবার মুখ উজ্জ্বল করে ফিরে আসে গ্রামে। তার ইচ্ছা গ্রামের অসহায়, দুস্থ রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তুলবে এবং তাবিজ কবজ, ঝাড় ফুঁক ও পানিপড়া প্রভৃতি অন্ধবিশ্বাস থেকে গ্রামবাসীেেদর মুক্ত করবে। কিন্তু ব্যাপারটা গ্রামের মোড়ল করিম খান মেনে নিতে পারে না। রাসেল যাতে গ্রামের মানুষদের সচেতন করতে না পারে সেই চেষ্টা করতে থাকে সে, কিন্তু রাসেল কোন দিকে কর্ণপাত না করে এগিয়ে যায় নিজের লক্ষ্যের দিকে।"উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস উভয়ই অন্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন জনজীবনের আলেখ্য।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে?"- ব্যাখ্যা করো।
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারী শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্য বিয়ে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছেলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এখানে সেলাই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।উদ্দীপকের মনির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারলেও 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস সফল হয়নি।"- মন্তব্যটি বিচার করো।
- "গ্রামের মানুষ যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ"- ব্যাখ্যা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসে কোঁচবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় কে?
- মজিদের সাংঘাতিক কাজ হলো— মিথ্যা কবরকে মাজার বানানোকোনোমতে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকাধর্মের নামে নিজের আখের গোছানোনিচের কোনটি সঠিক?
- "মরা মানুষ জিন্দা হয় ক্যামনে?"- উক্তিটি কার?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
- ফকির মুন্সীর স্ত্রী মরিয়ম সহজ-সরল মেয়ে। স্বামীর প্রতি তারঅগাধ অটল বিশ্বাস। তার বিবেচনায় ফকির মুন্সী একজনকামেল ও পরহেজগার লোক। অথচ গ্রামের অশিক্ষিতসহজ-সরল মানুষের খোদাভীতিকে কাজে লাগিয়ে ফকিরমুন্সী নানা ফতোয়া জারি করে সাধারণ মানুষকে ঠকায় । 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সঙ্গে উদ্দীপকেরমরিয়মের সাদৃশ্য রয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'নিরাক পড়া' অর্থে কী বোঝানো হয়েছে?
- "ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।"- বুঝিয়ে দাও।
- আটোয়ারী থানার 'বার আউলিয়া' নামক স্থানে বারোটি মাজার আছে। সেখানে বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ব্যবসা বাণিজ্য। নানারকম ব্যবসার মাঝে কিছু অসাধু ব্যক্তি ধর্মকে আশ্রয় করে মানুষ ঠকানোর কাজ করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে নেয়।উদ্দীপকের 'অসাধু ব্যক্তি' লালসালুর কোন চরিত্রটিকে ইঙ্গিত করে, বর্ণনা করো।
- রিকশাচালক সাহেব আলির মেয়ে সালেহা। প্রাইমারির পর পড়া হয়নি তার। বয়স হয়তো ১২ কি ১৩। বড়োই চঞ্চলা। তিন বোনের মধ্যে সে-ই বড়ো। এক আত্মীয়ের মাধ্যমে একদিন বিয়ের প্রস্তাব আসে সালেহার। ছেলে থাকে বিদেশে, দালানবাড়ি, অনেক টাকার মালিক। তবে শর্ত একটা, "আপাতত মোবাইল ফোনে বিয়ে; ছেলে দেশে ফিরলে বউকে তুলে নেবে। যত দিন না ফিরবে তত দিন বউয়ের খরচপত্র বাবদ টাকা পাঠিয়ে দেবে।" এমন প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার উপায় ছিল না দরিদ্র সাহেব আলির। নিয়ম মেনে বিয়ে। তারপর কয়েক বছর পর দেশে ফিরল ছেলে। ছেলের বয়স এখন পঞ্চাশ।"উদ্দীপকের সালেহার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের 'জমিলা' চরিত্রের বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- জালালের দুই বউয়ের মধ্যে মিমি ছোট। বয়স অল্প হওয়ারকারণে সংসার সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। হেসে-খেলেদিন কাটে তার। সুযোগ পেলেই সমবয়সী মেয়েদের সাথে গল্পগুজবে মেতে ওঠে সে।মিমির সঙ্গে উক্ত চরিত্রের সাদৃশ্য পাওয়া যায় - বয়সেমানসিকতায়বাল্যবিবাহেনিচের কোনটি সঠিক?
- রহিম উদ্দীন মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অনেক টাকা উপার্জন করেন। এলাকায় তাঁর দানে রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু তাঁর মনে সুখ নেই। তিনি নিঃসন্তান। অনেকেই তাঁকে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি।উদ্দীপকে প্রতিফলিত ইতিবাচক জীব-চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে শ্যামলছায়া গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটছে দূর-দূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিড়ম্বিত এমনই এক যুবক শফিকের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব- প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।উদ্দীপকে বর্ণিত অসহায় মানুষদের জীবনাচরণের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরর্তীকালে তিনি এই। এলাকায় বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।
- আশেকনগর গ্রামের এনায়েতউল্লাহ উত্তরাধিকারসূত্রে একজন পির। অঢেল তার ধনসম্পদ। কিন্তু ঘরে তার কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় মনে তার শূন্যতা। তাই বার্ষিক জলসা শেষ হওয়ার পরপরই এনায়েত দ্বিতীয় বিবাহ সেরে ফেলে। নতুন বউ অল্পবয়সী, দেখতে অতি নিরীহ গোছের-একেবারে এনায়েতের মনের মতো। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই সে বেরিয়ে আসে ঘোমটা থেকে, কথা বলে অনবরত এবং হাসতে থাকে খলখল শব্দে। পীর স্বামী তাকে মাজারের ভয় দেখায়, শরিয়ত-মারফত শেখায় এবং পাক মাজারের সঙ্গে ঠিকভাবে আচরণের জন্য শাসায়। কিন্তু নতুন বউ সারার মনে প্রবল বিদ্রোহ। সে তার বাবার বয়সী স্বামীকে কোনোমতেই সহ্য করতে পারে না। এনায়েত বিচলিত হয়।উদ্দীপকের সারার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।'অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই মানুষের সর্বোচ্চ সাধনা।' উক্তিটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।'- ব্যাখ্যা করো।