'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে অঙ্ক সংখ্যা কত?
A.
এক
B.
দুই
C.
তিন
D.
চার
সঠিক উত্তরঃ
D.
চার
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'স্বার্থপর ক্লডিয়াস রাণীর সাথে হাত মিলিয়ে রাজাহ্যামলেটকে হত্যা করে।'উদ্দীপকের রাজা 'হ্যামলেট' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেকোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- অটোমান সাম্রাজ্যের একমাত্র অধিপতি সুলতান সুলেমান খান। সুলতানের নিকটস্থ ও পদস্থ সেনাপতিরা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তারা সুলতানকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। সুলতান তা জেনেও কোনো উপযুক্ত দণ্ডাদেশ দিতে অপারগ। হীন চক্রান্তের ফলে নৃশংসভাবে নিহত হয় সুলতান।'বিশ্বাসঘাতকরা কেবল অটোমান সাম্রাজ্যেই নয়, এই বাংলাতেই বিচরণ করেছে।'- উক্তিটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- কাদায় আটকে পড়ে আর্তনাদরত এক ২ সিংহের প্রতি সদয় হয়ে তাকে উদ্ধার করে একজন পথচারী। কিন্তু পরক্ষণে সে পথচারীকে সিংহটি খেতে চায়।উদ্দীপকের সিংহ এবং 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মোহাম্মদি বেগ কোন অর্থে অভিন্ন?
- মিরজাফর কোন দেশ হতে ভারতে আসেন?
- শহরে বড়োসড়ো এক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাকাত সরদার নিজাম ও তার দল। এ লক্ষ্যে শহরের প্রান্তে এক পরিত্যক্ত রাড়িতে তারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংগঠিত হতে থাকে। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে নগর পুলিশ পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সদলবলে নিজামকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে।ডাকাত দলের প্রস্তুতির বিষয়টিকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাথে তুলনা করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
- স্ত্রী জাএদা কর্তৃক বিষ প্রয়োগে মৃত্যুর পূর্ব সময়ে হাসানের উক্তি, শয্যার নিকটে জাএদাকে ডাকিয়া হাসান চুপি চুপি বলিতে লাগিলেন, 'জাএদা, তোমার চক্ষু হইতে হাসান বিদায় হইতেছে, আশীর্বাদ করি, সুখে থাকো। তুমি যে কার্য করিলে সমস্তই আমি জানিতে পারিয়াছি। তোমাকে বড়োই বিশ্বাস করিতাম। বড়োই ভালোবাসিতাম। তাহার উপর্যুক্ত কার্যই তুমি করিয়াছ। ভালো থেকো, সুখে থাকো, আমি তোমাকে ক্ষমা করিলাম।'"উদ্দীপকের সংকট ব্যক্তি পর্যায়ে হলেও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সংকট রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের।" বিশ্লেষণ করো।
- কে আল্লাহর কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করেছিল?
- 'কত বড়ো শক্তি, তবু কত তুচ্ছ।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার কে?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহা ধনবানঅসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান,কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমির হিতস্বজাতির সেবা যেবা করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সতুরঅতীব ঘৃণিত সেই পাষন্ড বর্বর।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মিরজাফর প্রধান সেনাপতি হওয়ার ফলে পলাশির যুদ্ধে সিরাজের পতন হয়েছে- উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
- খাল কেটে কুমির আনা' ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের কোন চরিত্র বাগ্গারায় উল্লিখিত কুমির চরিত্রের প্রতিভূ?
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- মুকিম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ময়লার ভাগাড়ের পাশে আট মাস বয়সী এক শিশুর কান্না শুনতে পান। পরম যত্নে বুকে তুলে নেন এবং নাম দেন আজমল। সে প্রায় ত্রিশ বছর আগের ঘটনা। তখন থেকেই তিনি আজমলকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করে তোলেন। নীচু মানসিকতার আজমল ছিল অত্যন্ত লোভী। সে সুযোগ খোঁজে আশ্রয়দাতার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করার। একদিন অস্ত্রের মুখে মুকিম সাহেবকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দিতে বাধ্য করে এবং স্বহস্তে আশ্রয়দাতাকে হত্যা করে আজমল।উদ্দীপকের আজমল চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- 'ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব'। বুঝিয়ে লেখ।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' কোন জাতীয় নাটক?
- "এতক্ষণে"-অরিন্দম কহিলা বিষাদেজানিনু কেমনে আমি লক্ষণ পশিলরক্ষঃপুরে হায়, তাত উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভনিতকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসবাবিজয়ী।নিজগৃহপত্র, আত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আমি রাজার আলয়ে?"উদ্দীপকের তস্কর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত____
- সুজন মিয়া এতিম আলীকে আদর, ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করে হাটবাজারে পাঠান বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করার জন্য। প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে প্রায়ই বলেন, আলীকে এত বিশ্বাস না করতে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে সুজন মিয়া মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করলে আলী গোপনে তার সব খবর। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেয়।, পরবর্তীকালে রাজাকার আর পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সুজন মিয়াকে ধরিয়ে দেয়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই'— ক্লাইভের একথার অর্থ কী?
- ঐতিহাসিক পলাশি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- ‘আমি জানি হি ইজ অ্যা ডেড হর্স’ -এখানে ‘ডেড হর্স’ বলতে বোঝানো হয়েছে-
- ইতিহাসের এক বীর চরিত্র মহীশূরের টিপু সুলতান। ইংরেজদের বিরুদ্ধে টিপু যুদ্ধ করে প্রাণ দিয়েছেন। চতুর ইংরেজ টিপুর দরবারের এক উচ্চাভিলাষী সেনাপতিকে হাত করেছিল। এই সেনাপতি গোপনে টিপুর সব খবর ইংরেজদের কাছে পৌঁছে দিত। যুদ্ধের এক পর্যায়ে সে দুর্গের দরজা খুলে দিলে ইংরেজরা দুর্গে প্রবেশ করে। নিজ লোকের বিশ্বাসঘাতকতায় টিপু প্রাণ হারান।'টিপু সুলতান এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার জীবনের নির্মম পরিণতি একই সূত্রে গাঁথা'- মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- শেক্সপিয়রের নাটক 'ম্যাকবেথে' রাজা ডানকানকে সেনাপতি ম্যাকবেথ নিমন্ত্রণ করেন। ভোজশেষে রাজা ঘুমাতে গেলে লেডি ম্যাকবেথের প্ররোচনায় নিজে রাজা হওয়ার আশায় ডানকানকে হত্যা করেন ম্যাকবেথ।উদ্দীপকের ম্যাকবেথ ও লেডি ম্যাকবেথ চরিত্র দুটি 'সিরাজউদ্দৌলার' নাটকের কোন কোন চরিত্রের সঙ্গে কতটুকু মেলে?
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান'। পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা, সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট সাজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটির শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট সাজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'সাজাহান'।