বিয়ের কয়েক বছরের মাথায় স্বামী মারা গেলে দুই সন্তান নিয়ে অকুল পাথারে পড়েন কুলসুম বিবি। তবে তিনি দিশেহারা না হয়ে সরকারি 'জয়িতা নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র' থেকে সেলাই মেশিন নিয়ে জীবনযুদ্ধে নেমে পড়েন।
উদ্দীপকে টিকে থাকার গল্প 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের মধ্য দিয়ে যেভাবে ফুটে উঠেছে-
- জীবন সংগ্রাম
- দৃঢ়তা
- প্রতিবাদ
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii ও iii
D.
i, ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
A.
i ও ii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- এইখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে,বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে,এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিওনা মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকের বুজির সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির অবস্থার তুলনা করো।
- দশম শ্রেণির ছাত্রী আসমা এক দরিদ্র পিতার সন্তান। গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি গওহর মণ্ডল জোরপূর্বক আসমাকে পুত্রবধু বানাতে চায়। হুমকি দেয় তুলে নিয়ে যাওয়ার। এই, পরিস্থিতিতে আসমার বান্ধবীরা পাশে এসে দাঁড়ায়। মন্ডলের বখাটে ছেলের হাতে পড়ে মেধাবী ছাত্রী আসমার লেখাপড়া ধ্বংস হোক তারা চায় না। বান্ধবীরা বিষয়টি স্থায়ীয় সাংবাদিক ও কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে জানায়। তারা দলবেধে স্কুলে যায় এবং পালা করে আসমার বাড়ি পাহারা দেয়। এতে দমে যায় গওহর মণ্ডল। জয় হয় সম্মিলিত প্রতিরোধের।উদ্দীপকের গওহর মণ্ডল 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- রোজগার করে কিছু উপার্জন করলেই মানিক দোকানে যায়। চা-সিগারেট খায়, আড্ডা দেয়, আবার বিপদগ্রস্ত মানুষ দেখলে তাকে আরও বিপদে ফেলে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করতে চায়।উদ্দীপকের তাহের 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি?
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।'- কেন? বুঝিয়ে দাও।
- নিজেকে তার হ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে।'- আহ্লাদির মনে এমন অনুভূতি সৃষ্টির কারণ-
- নিচের কোনগুলো সমাসনিষ্পন্ন শব্দ?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে অল্পদিন আগে কার মেয়েটা শ্বশুরবাড়িতে মরেছে?
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।উদ্দীপকের সাফিয়া 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির সাথে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ নামক উপন্যাসের উপজীব্য-
- আহ্লাদির বাবা-মা মারা গিয়েছিল কীভাবে?
- 'আহ্লাদি একটা অস্ফুট শব্দ করে, আর্তনাদের মতো।' ব্যাখ্যা কর।
- আহ্লাদি পরিবারের তিনজন সদস্য কোন অসুখেমারা গিয়েছিল?
- 'সে যেন অনুভব করে, সে-ই এখানকার কর্তা, সে-ই সর্বেসর্বা।'- উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে বক্তার-
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
- ‘প্রাগৌতিহসিক’ গল্পটি কার রচনা?
- সাঁওতাল পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন—
- হঠাৎ দাওয়া থেকে ছুটে এসে মুহূর্তে হালিমার চুলের গোছাটা ধরলআবুল। তারপর কোনো চিন্তা না করে সজোরে একটা লাথি বসিয়েদিল ওর তলপেটে। উহ্! মাগো বলে পেটটা চেপে ধরে মাটিতেবসে পড়ল হালিমা।উদ্দীপকের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে দিকটি সংগতিপূর্ণ—
- ‘প্রেম’ শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয়-
- নিচের কোন বানানটি বৈয়াকরনিক দিক থেকে যথাযথ?
- ছুটি রাণী বিধবা ও নিঃসন্তান। এ বিধবার নিকট-সম্পর্কের কেউ নেই। একদিন বাড়ির আঙিনার মন্দিরের পাশে বিশ-ঊর্ধ্ব একটি মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। সমস্ত ঘটনা শুনে মেয়েটিকে ঘরে নিয়ে আসেন। স্বামীর নির্দয়তায় ক্ষত-বিক্ষত মেয়েটিকে মায়ের স্নেহে আশ্রয় দেন। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোক সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চান। মেয়েটি কোনোভাবেই ফিরে যেতে রাজি নয়। ছুটি রাণীও মেয়েটিকে যেতে দেননি। এজন্য ছুটি রাণীকে সামাজিক নেতিবাচকতার মুখোমুখি হতে হয়। ছুটি রাণী মেয়েটিকে তার স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত ধন-সম্পত্তি উইল করে দেন।"উদ্দীপকের ছুটি রাণী, এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি একে অপরের পরিপূরক।"- বিশ্লেষণ করো।
- শফিক মিয়ার মেয়ে আমেনাকে বিয়ে দেয় অপেক্ষাকৃত দরিদ্র জমিরের সাথে। জমির সৎ, হৃদয়বানব, এবং স্ত্রীকে সে প্রাণাধিক ভালোবাসে কিন্তু আমেনা দরিদ্র জমিরের ঘর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসে।উদ্দীপকের জমিরের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের জগুর বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে আহ্লাদীর মুখে কে দেখতে পায় নিজ মেয়ের মুখের ছাপ?
- ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচারে দিশেহারা, পর্যুদস্ত দেশ। মাঠ-ঘাট পেরিয়ে মিলিটারি-রাজাকারের চোখ এড়িয়ে ভারতের আশ্রয় শিবিরের উদ্দেশ্যে ছুটে চলার প্রাণান্ত চেষ্টা বৃদ্ধা আদুরির। হঠাৎ খেতের মধ্যে গুলিবিদ্ধ মায়ের লাশের পাশে কান্নারত এক শিশুকে দেখে থমকে যায় আদুরি। নিঃস্ব কোলে তুলে নেয় অসহায় শিশুটিকে। আবারও ছুটতে থাকে আদুরি। শিশুটিকে যে বাঁচাতেই হবে-ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।'ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।'-এ উক্তিটি দ্বারা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির চারিত্রিক দৃঢ়তা ব্যাখ্যা করো।
- "শুনি রাজা কহে, “বাপু, জান তো হে, করেছি বাগানখানাপেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দীঘে সমান হইবে টানা ওটাদিতে হবে।"উদ্দীপকের রাজার সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যচরিত্র কোনটি?
- 'বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাই তো।'— 'মাসি-পিসি'গল্পের পিসির এই উক্তির মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে-