মাদার তেরেসা আশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারির সঙ্গে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরো অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। এক সময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারাজীবনে তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে। যে মানুষ হবে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন স্বাবলম্বী মানুষ। এজন্যই তাঁর চ্যারিটি'গতানুগতিক কোনো সেবা-সংস্থা নয়।
উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- এ বছরের কালবৈশাখী ঝড়ে বশিরের হালের গরু মারা যায় এবং ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। সবকিছু থাকার পরেও তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে, সে এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যায়। চেয়ারম্যান সাহেব সবকিছু শুনে একজোড়া হালের বলদ কিনে দেয় এবং আবার নতুন করে চাষাবাদ শুরু করতে বলে। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা মতো কঠোর পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসেই তার ঘরে, নতুন ফসল আসে।উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়? আলোচনা করো।
- কোন শব্দটি ব্যাকরণের আলোচ্যসুচীতে পড়ে না ?
- 'রাষ্ট্র জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক।'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে নিচের হাত বলতে বোঝানো হযেছে-
- ফুলপুর গ্রামের দরিদ্র চা-বিক্রেতা দাউদ। পিতৃহীন সংসারে পঙ্গু দাউদই একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। অভাব-অনটনের সংসারে কোনোভাবে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে। বসতঘরের দশাও বেহাল। গ্রামের সামর্থ্যবান অনেকের কাছে সাহায্য চেয়ে ব্যর্থ হয়ে শেষে দাউদ পরোপকারী ডাক্তার রেজাউলের কাছে সাহায্য চায় ভাঙা ঘরটা মেরামত করার জন্য। ডাক্তার সাহেব দাউদকে একটা পাকাঘর তুলে দেন।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্র ডাক্তার রেজাউলের ভূমিকা 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? তোমার যুক্তি দেখাও।
- রফিক ও শফিক দুই ভাই অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল। তবে প্রতিবছর ইদে জাকাত দেওয়া নিয়ে দুইজনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। রফিকের মতে জাকাতের টাকায় একাধিক শাড়ি, লুঙ্গি কিনে গরিবদের মাঝে বিতরণ করলে তাদের বস্ত্র চাহিদা লাঘব হবে এবং সে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলেও জনগণও তা অনুসরণ করবে। কিন্তু শফিক চায় এলাকার বস্তিতে কয়েকজন মহিলাকে সেলাই মেশিন কিনে দিলে বরং তারা কিছু আয় রোজগার করতে পারবে। আর এজন্য তিনি সব রকম সামাজিক প্রচারণার বিরোধী।উদ্দীপকের শফিকের উদ্যোগটি সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য কতটুকু যুক্তিযুক্ত? 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- 'লড়াই' মূলত কোন শব্দ ?
- আমাদের দেশে মানব-কল্যাণ আজ কী হিসেবে দৃশ্যমান?
- ‘অক্ষর' শব্দের কোন উচ্চারণটি শুদ্ধ?
- গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দান। উদ্দীপকের ভাব 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকেরপ্রতিফলন?
- লেখকের মতে, মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথে কেমন পৃথিবী রচনা সম্ভব?
- গড়ে ওঠে অরণ্যভেদী লোকালয়মানুষের শ্রমে,গড়ে ওঠে মধুকুঞ্জ বংশধারামানুষের প্রেমে কামে,জ্বলে ওঠে দাবানলমানুষের ক্রোধে,লোকালয় অরণ্য হয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব ব্যক্ত হয়েছে তা বর্ণনা কর।
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে কোন পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়?
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
- ণত্ব ও ষত্ব - বিধান কোন শ্রেনীর শব্দের অনুসৃত হয়?
- ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা কীসে প্রকাশ পায়?
- ভেলরি টেইলর, বাংলাদেশের এক অকৃত্রিম বন্ধুর নাম। ৭২ বছর বয়সি মহান ব্যক্তি কর্মজীবনে লাভ করেছেন নানা স্বীকৃতিসহ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি। স্বেচ্ছাসেবা এবং সম্পূর্ণ আপন প্রচেষ্টায় সিআরপি প্রতিষ্ঠা করে তিনি দুস্থ, নিঃসহায় মানুষের জন্য বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে পঙ্গুত্বের শিকার হাজার হাজার মানুষকে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরিয়ে আনতে তার গড়া সিআরপি নজিরবিহীন ভূমিকা পালন করেছে।"উদ্দীপকের ভেলরি টেইলরের কর্মকান্ড এবং 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশা যেন একই সূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- একটি রাষ্ট্রের বৃহত্তর দায়িত্ব কোনটি?
- নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল;গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত,বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মাইয়া, নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরিহিত তরে।কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- আমাদের প্রচলিত ধারণা আর। চলতি কথায় মানবকল্যাণ কথাটা অনেক খানি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- লেখকের মতে 'মানব-কল্যাণ' বলতে কী বোঝায়? বর্ণনা করো।
- পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!আপনাকে বিলাইয়া দীন-দুঃখীদের মাঝে,বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে বিকালে সাঁঝে।উদ্দীপকের 'সুখ' প্রকৃতপক্ষে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোথায় নিহিত রয়েছে? আলোচনা করো।
- ‘বাগ্মিতা’র শুদ্ধ উচ্চারণ