a, ẞ, ४ রশ্মি যথাক্রমে-
SUSTUnit-Bপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরমাণুর মডেল ও নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানতেজস্ক্রিয়তা ও ক্ষয়ের সূত্র (Topic Practice)SUST - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
হিলিয়াম নিউক্লিয়াস, ইলেকট্রন, বিদ্যুৎ চুম্বক তরঙ্গ
Explanation: Solve: \(\alpha\)-হিলিয়াম নিঃস্রিয়াস, \(\beta\)-ইলেকট্রনের প্রবাহ, \(\gamma\)-তীব্র চৌম্বকীয় বিকিরণ।
Another Explanation (5):
তেজস্ক্রিয় রশ্মি: আলফা (α), বিটা (β), ও গামা (γ)
তেজস্ক্রিয়তা একটি পারমাণবিক ঘটনা। কিছু ভারী পরমাণু স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে গিয়ে ছোট পরমাণুতে পরিণত হয় এবং এই প্রক্রিয়ায় তারা বিভিন্ন কণা ও শক্তি নির্গত করে। এই নির্গত রশ্মিগুলোই মূলত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নামে পরিচিত। নিচে এই রশ্মিগুলোর বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো:
১. আলফা রশ্মি (α)
- গঠন: আলফা রশ্মি মূলত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস ⚛️। অর্থাৎ, এটি দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন দিয়ে গঠিত।
- আধান: এর আধান +2e (পজিটিভ)।
- ভর: আলফা কণার ভর অনেক বেশি (প্রোটনের ভরের প্রায় ৪ গুণ)।
- ভেদন ক্ষমতা: ভেদন ক্ষমতা খুবই কম। একটি কাগজের টুকরা দিয়েও এটিকে আটকানো যায়। 📃🚫
- আয়নন ক্ষমতা: আয়নন ক্ষমতা খুব বেশি। এটি বাতাসের গ্যাসীয় পরমাণুগুলোকে আয়নিত করতে পারে।⚡
- গতি: আলোর গতির প্রায় ৫-১০%। 🚗💨
- বিচ্যুতি: চৌম্বক ক্ষেত্র ও বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 🧲⚡
- উদাহরণ: ইউরেনিয়াম-২৩৮ (238U) আলফা কণা নিঃসরণ করে থোরিয়াম-২৩৪ (234Th) এ পরিণত হয়।
২. বিটা রশ্মি (β)
- গঠন: বিটা রশ্মি হলো ইলেকট্রনের স্রোত। 💫
- আধান: এর আধান -1e (নেগেটিভ)।
- ভর: ইলেকট্রনের ভর খুবই কম।
- ভেদন ক্ষমতা: আলফা রশ্মি থেকে বেশি, তবে গামা রশ্মি থেকে কম। কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়াম পাত দিয়ে এটিকে আটকানো যায়। 🛡️
- আয়নন ক্ষমতা: আলফা রশ্মি থেকে কম।
- গতি: আলোর গতির কাছাকাছি। 🚀✨
- বিচ্যুতি: চৌম্বক ক্ষেত্র ও বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। এদের বিচ্যুতি আলফা কণার চেয়ে বেশি।🧲⚡
- প্রকারভেদ: বিটা রশ্মি দুই প্রকার - বিটা নেগেটিভ (β-) ও বিটা পজিটিভ (β+)। বিটা পজিটিভ রশ্মি পজিট্রন নামে পরিচিত।
- উদাহরণ: কার্বন-১৪ (14C) বিটা কণা নিঃসরণ করে নাইট্রোজেন-১৪ (14N) এ পরিণত হয়।
৩. গামা রশ্মি (γ)
- গঠন: গামা রশ্মি হলো উচ্চ শক্তি সম্পন্ন তাড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। موجات كهرومغناطيسية
- আধান: এটি আধান নিরপেক্ষ। 😐
- ভর: এর কোন ভর নেই।
- ভেদন ক্ষমতা: ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। কয়েক সেন্টিমিটার পুরু সীসার পাত ভেদ করতে পারে। 🧱뚫기
- আয়নন ক্ষমতা: আয়নন ক্ষমতা খুবই কম।
- গতি: আলোর গতিতে চলে। 💡➡️
- বিচ্যুতি: চৌম্বক ক্ষেত্র ও বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। 🚫🧲🚫⚡
- উৎপত্তি: সাধারণত আলফা বা বিটা ক্ষয়ের পরে নিউক্লিয়াসের অতিরিক্ত শক্তি নির্গমনের ফলে গামা রশ্মি উৎপন্ন হয়।
- ব্যবহার: ক্যান্সার চিকিৎসায়, জীবাণুনাশক হিসেবে এবং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়। 🔬🩺
তুলনামূলক তালিকা:
| বৈশিষ্ট্য | আলফা রশ্মি (α) | বিটা রশ্মি (β) | গামা রশ্মি (γ) |
|---|---|---|---|
| গঠন | হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (4He) | ইলেকট্রন/পজিট্রন (e-/e+) | তাড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ (Photon) |
| আধান | +2e | -1e / +1e | 0 |
| ভর | 4 amu (একাডেমিক মাস ইউনিট) | 0.00055 amu | 0 |
| ভেদন ক্ষমতা | খুবই কম | মাঝারি | খুব বেশি |
| আয়নন ক্ষমতা | খুব বেশি | মাঝারি | খুব কম |
| গতি | কম (আলোর গতির ৫-১০%) | প্রায় আলোর গতি | আলোর গতি |
| চৌম্বক ক্ষেত্রে বিচ্যুতি | বিচ্যুত হয় | বিচ্যুত হয় | বিচ্যুত হয় না |
এই রশ্মিগুলো মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাই তেজস্ক্রিয় পদার্থ ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। ☢️⚠️
আশা করি এই ব্যাখ্যাটি আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊