'মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে'। এখানে মহত্ত্ব কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
A.
ব্যঙ্গার্থে
B.
প্রশংসার্থে
C.
ক্ষোভার্থে
D.
নিন্দার্থে
সঠিক উত্তরঃ
A.
ব্যঙ্গার্থে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'বিলাসী' গল্পের কামাখ্যা কী?
- "বিলাসী" গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- বলিলাম, 'পৌঁছে দিতে হবে না, শুধু আলোটা'দাও।'- উক্তিটিতে ন্যাড়ার যে মনোভাব প্রকাশপেয়েছে—
- মহামারি কোভিডের সময় বাবুলের বাবার কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বাবুলের লেখাপড়া প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়। এ সময় সহপাঠী রানুর বাবা বাবুলকে গৃহশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। বাবুল যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে। কিন্তু তাদের পারিবারিক শত্রুর কারসাজিতে নিজের আড়ালে কিছু একটা ঘটতে থাকে। কিছুদিনের মধ্যেই সে টের পায়- তার পাড়া- প্রতিবেশী তাকে এড়িয়ে চলছে। সবাই বাবুল এবং রানুকে জড়িয়ে অপপ্রচারে বিশ্বাসী।উদ্দীপকে বর্ণিত সমাজচিত্রকে 'বিলাসী' গল্পের সমাজচিত্রের দর্পণ বলা যায় কি? যুক্তিসহ মত প্রকাশ করো।
- কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা নয়?
- যিনি প্রথম মন্ত্রলাভ করেন তাকে কী বলা হয়?
- 'বিলাসী' গল্পে কোন মোগল সম্রাটের নাম উল্লেখ আছে?
- 'বিলাসী' গল্পে সাপ ধরার বায়না এলে বিলাসী কী করতেন?
- 'বাবুরা, আমাকে একটিবার ছেড়ে দাও আমি রুটিগুলোঘরে দিয়ে আসি।'- বিলাসী এ কথা কেন বলেছিল? শিয়াল কুকুরে খেয়ে যাবেরোগা মানুষ সমস্ত রাত খেতে পাবে না মৃত্যুঞ্জয় মরে যাবেনিচের কোনটি সঠিক?
- শরৎচন্দ্রের 'মহেশ' গল্পে গফুরের প্রিয় গরুটির নাম মহেশ। দরিদ্র গফুর নিরীহ পশুটিকে ঠিকমতো খাবারের জোগান দিতে পারে না। ফসল নষ্ট করার জন্য তাকে জমিদারের শাস্তিও পেতে হয়েছে। একদিন তৃষ্ণার্ত মহেশ পানির জন্য গফুরের মেয়ে আমিনার মাটির পাত্র ভেঙে ফেলে। রাগান্বিত গফুর লাঙলের ফলা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মহেশ মারা যায়। গোহত্যার প্রায়শ্চিত্ত করতে গফুর রাতের আঁধারে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।গফুরের জীবনবাস্তবতার সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন ঘটনার সাদৃশ্য বিদ্যমান?
- 'যে বস্তুটি এই অসাধ্য সাধন করিয়া তুলিয়াছিল তাহারপরিচয় যদিও সেদিন পাই নাই, কিন্তু আর একদিন-পাইয়াছিলাম।'— এখানে 'বস্তুটি' বলতে 'বিলাসী'গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'সব লোকে কয় কী জাত সংসারে' এ গানে লালন ফকির মানুষের। জাত পরিচয় নিয়ে প্রশ্নউত্থাপন করেছেন। নিজে কোন ধর্মের বা জাতের, লালন সম্পর্কে এমন প্রশ্ন আগেও ছিল, এখনো আছে। জাতকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। জন্ম-মৃত্যুর সময় সব মানুষ তো একইভাবে আসে কিংবা যায়। তাই মানুষ জাত ও ধর্ম ভেদে যে। ডিন্নতার কথা বলে, লালন তা বিশ্বাস করেন না। লালনের মতে, ধর্মই তথ্য তথা মনুষত্ববে সুবোধই মানুষের প্রকৃত পরিচয়। সেজন্য জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।উদ্দীপকের জাত পরিচয়ের বিষয়টি 'বিলাসী' গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- দিবা রাত্রির কাব্য' কী?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী দেওয়া হয়-
- কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়তাইতে কী জাত ভিন্ন বলায়,যাওয়া কিংবা আসার বেলায়জাতের চিহ্ন রয় কার রে।উদ্দীপকটিতে 'বিলাসী' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বুঝিয়ে লেখো।
- 'বিলাসী' গল্পে মৃত্যুঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়ত?
- 'লালসালু' উপন্যাসে কোন অঞ্চলের জীবনের চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে?
- শরৎ সাহিত্যে সমাজের নিচু তলার মানুষ কীভাবে চিত্রিত হয়েছে?
- শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি কয় পর্বে বিভক্ত ?
- শহরে জরুরি কাজে এসেছে প্রীতিময় চাকমা। সকালথেকে ঘোরাঘুরি করে ক্ষুধার্ত হয়ে খাবার চাইলে হোটেলমালিক বলল, 'আদিবাসীদের জন্য দুই নম্বর বাসন আমার‘হোটেলে রাখি না।'প্রীতিময় চাকমার সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রেরমিল রয়েছে ?
- 'একলা যেতে ভয় করবে না তো?'- কে, কাকে এবং কেন এই উক্তিটি করেছিল? বুঝিয়ে লেখো।
- নিম্নের কে কবি নন?
- ‘নিকষা’ কে ছিলেন ?
- কার অপর নাম সৌমিত্রি ?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানী জমি, বসতবাড়ি, পুকুরসহ ক??েক একর সম্পত্তির মালিক ।এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্যাতি দেবর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একদিন এক শিশুকে দুর্ভিক্ষের কবল থেকে প্রাণে বাঁচিয়ে তুলে এনে লালনপালন করতে থাকে নিজ সন্তানের মতো। শিশুটি বড়ো হতে থাকে কিন্তু সম্পত্তির লোভে সৌদামিনীয় দেখর। দবর অভিযোগ তোলে রাস্তা। থেকে একটা অস্পৃশ্য সন্তানকে তুলে এনে নিজ ঘরে আশ্রয় নিয়েছে সৌদামিনী। সে জাতের দ্বিধান লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে। যে- সে যা করছে তা মহাপাপ, হিন্দু সমাজের জাত ধর্ম শেষ হলে গেল।(কাহিনি সূত্র: সৌদামিনী মালো- শওকত ওসমান)"মনোরঞ্জন যেন 'বিলাসী' গল্পের খুড়ারই প্রতিচ্ছবি।"- বিষয়টি মূল্যায়ন করো।