জাতীয় দলের খেলোয়াড় মুন্না তিন বছরের শিশুপুত্রকে
হারিয়ে শোকে মোহ্যমান। না ফেরার দেশে চলে যাওয়া
পুত্রের শোক সামলাতে না পেরে সে খেলাধুলা ছেড়ে
দিয়েছে। তাইতো সে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান
গেমসে ফুটবল খেলায় অংশতো নেয়ই নি, এমনকি খেলা
দেখতেও যায় নি।
উদ্দীপকে ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় যুগপৎভাবে ফুটে উঠেছে—
- নির্লিপ্ততা
- স্মৃতিকাতরতা
- প্রিয়জন হারানোর বেদনা
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii ও iii
D.
i,ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
B.
i ও iii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।' উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তু ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে।' বুঝিয়ে লেখো।
- 'বসন্ত বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি, এ মোর মিনতি।' কোন কবিতা থেকে নেয়া?
- 'তরী তার এসেছে কি?' চরণাংশটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
- 'মাঘের সন্ন্যাসী' কথাটি আছে কোন কবিতায়?
- মনে পড়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি,লাখো বাঙালির কাতর চিত্তে করুণ আহাজারি,একুশ তুমি বাংলার মানুষের হৃদয়ভরা আশা,তোমার কারণে পেয়েছি আজ কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা,রক্ত ঝরাল, সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বার,বায়ান্নর সেই করুণ কাহিনি মনে পড়ে বরাবর,স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে সে বিষণ্ণ দিনের কথা,যত ভাবি ততই যেন মনে পাই বড়ো ব্যথা।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মর্মবাণীকে পুরোপুরি ধারণ না করলেও আত্মত্যাগ ও অধিকার আদায়ের কথাই বলে।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'নানা কবি ঢালে গান নানা দিক থেকে' – কোন কবিতার চরণ?
- রত্নার সন্তানটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন 'অটিস্টিক'। স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুর পর সে গার্মেন্টস-এ কাজ নেয়। রত্নার মা ছেলের দেখাশোনা করে। হঠাৎ একদিন রত্নার বাকশক্তিহীন ছেলেটি কোথাও চলে যায়। পাগলপ্রায় রত্না সবকিছু ছেড়ে তার হারানো ছেলেকে খুঁজে চলেছে।'প্রিয়জন হারানোর বেদনা কবিতা এবং উদ্দীপকে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত।'- তোমার মত দাও।
- মুন্না বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। হঠাৎ তার শিশুপুত্র সড়ক দুর্ঘটনায়নিহত হয়। পুত্রশোকে সে ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে।এমনকি ঈদের নামা?? পড়তেও যেতে পারেনি।উদ্দীপকে ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়যুগপৎভাবে ফুটে উঠেছে—নির্লিপ্ততাস্মৃতিকাতরতাপ্রিয়জন হারানোর বেদনানিচের কোনটি সঠিক?
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।উদ্দীপকে বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্রের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- কবি সুফিয়া কামালের প্রথম স্বামীর নাম কী?
- চারদিকে উৎসবের রঙ। নতুন বছরকে বরণ করার প্রাণান্তপ্রয়াস। সপ্তাহ দুয়েক আগে মাকে হারানো মেয়েটিকে শোকভোলাতেই নিয়ে এসেছে বান্ধবীরা। মায়ের স্মৃতি বুকে নিয়েওধীরে ধীরে মেয়েটি সহজ হয়ে উঠছে; উপভোগ করছে বর্ষবরণ। উদ্দীপকের 'বর্ষবরণ' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনবিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ‘তার পিঠে রক্তজবার মতো___ ছিলো’ শূন্যস্থানে কী হবে?
- 'পাথার' শব্দের অর্থ কী?
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জল, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সামগ্রিক ভাবনার সবটুকু ধরা পড়েছে বলে তুমি মনে করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই রাখিনি সন্ধান।'- কবির এই উদাসীনতার প্রকৃত ধারণ কী?
- 'তাহা???েই মনে পড়ে' কবিতায় উল্লেখ আছে যে দুটি ফলের-
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি গঠনরীতির দিকদিয়ে-
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জ??, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকের সেঁজুতি জামানের মনোভাব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় কার আগমনী গাণের কথা বলা হয়েছে?
- ভেতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা ঝাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাকভেতরে আমার ভেঙে পড়ে শধু পাড়।"কবিতাংশটুকুর কবির দহন যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির অন্তর্দহন।"-মূল্যায়ন করো।
- “এখনো দেখিনি তুমি ?” কহিলাম,“কেন কবি আজ এমন উন্মনা তুমি?কোথা তব নব পুষ্পসাজ ?” চরণ দুটি কোন কবিতার?
- বিষণ্ণ বিরহী বাতাস মনের জানালায় দেয় উঁকি। উন্মাদ মন আজ মাধবীর। পড়ন্ত বিকেলে দখিনের বারান্দায় বেদনার রাগিণী ওঠে তার। শোকের পাখায় ধেয়ে আসে বসন্ত। চৈত্রের খরায় শুকিয়ে গেছে বুক।' সেখানে শুধু ধু-ধু বালুচর। নেই তাতে জল, আছে কষ্টের হলাহল। । শীতের শুষ্কতা মুছে বসন্তের শূন্যতা চেপে ধরেছে তারে। কারণ, মাঘের শীতে প্রিয়জন তার গিয়েছে চলে না ফেরার দেশে।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বিশ্লেষণ করো।
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।উদ্দীপকের সুচিত্রা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির সাদৃশ্য তুলে ধরো।