একই উদ্ভিদের দুটি পুষ্পের মধ্যে স্বপরাগায়ন ঘটলে তাকে কি বলে?
SAUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ প্রজনননিষেক এবং নিষেকোত্তর পরিবর্তনসমূহ (Topic Practice)SAU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
অটোগ্যামি
Explanation:

Another Explanation (5):
অটোগ্যামি: একই উদ্ভিদের দুটি পুষ্পের মধ্যে স্বপরাগায়ন 🌱🌺
অটোগ্যামি (Autogamy) হলো স্বপরাগায়নের (Self-pollination) একটি বিশেষ প্রক্রিয়া। 🧐
অটোগ্যামি কি? 🤔
যখন একই উদ্ভিদের 🪴 দুটি ভিন্ন ফুলের 🌼🌸 মধ্যে পরাগরেণু স্থানান্তরিত হয় এবং নিষেক (Fertilization) ঘটে, তখন তাকে অটোগ্যামি বলে। অর্থাৎ, একটি ফুলের পরাগরেণু অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে পড়ে, কিন্তু গাছটি একই থাকে। 💯
অটোগ্যামির বৈশিষ্ট্য 📝
- এটি স্বপরাগায়নের একটি প্রকার। ✅
- পরাগায়ন একই উদ্ভিদের দুটি ফুলের মধ্যে ঘটে। 🌻
- নতুন উদ্ভিদে মাতৃ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ থাকে। 🧬
- генетическая বৈচিত্র্য (Genetic diversity) কম থাকে। 📉
অটোগ্যামির উদাহরণ 🪴
কিছু উদ্ভিদে অটোগ্যামি দেখা যায়, তাদের মধ্যে কয়েকটি হলো:
- ধান (Rice) 🍚
- গম (Wheat) 🌾
- বার্লি (Barley) 🌾
অটোগ্যামির সুবিধা ও অসুবিধা 📊
| বিষয় | সুবিধা 👍 | অসুবিধা 👎 |
|---|---|---|
| পরাগায়ন নিশ্চিতকরণ | পরাগায়নের জন্য অন্য কোনো উদ্ভিদের উপর নির্ভর করতে হয় না। 🎯 | নতুন বৈশিষ্ট্যের উদ্ভব হয় না। ❌ |
| বৈশিষ্ট্যের সংরক্ষণ | মাতৃ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য বংশ পরম্পরায় বজায় থাকে। ✅ | অভিযোজন ক্ষমতা কম থাকে। 😥 |
| নতুন প্রকরণ | নতুন প্রকরণ সৃষ্টি হয় না। ⛔ | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হতে পারে। 🤕 |
অটোগ্যামি প্রক্রিয়া ⚙️
অটোগ্যামি সাধারণত নিম্নলিখিত উপায়ে ঘটে:
- ক্লিষ্টোগ্যামি (Cleistogamy): ফুল না ফোটা অবস্থায় পরাগায়ন ঘটে। 🔒
- হোমোগ্যামি (Homogamy): ফুল ফোটার সময় একই সাথে পরাগধানী ও গর্ভমুণ্ড পরিপক্ক হয়। 🕰️
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 📌
অটোগ্যামি উদ্ভিদের বংশবিস্তারে সাহায্য করে, বিশেষ করে যখন পরাগযোগের জন্য অন্য কোনো মাধ্যম (যেমন: কীট, পাখি) 🦋🐦 পাওয়া যায় না। তবে, এটি উদ্ভিদের মধ্যে генетическая विविधता (genetic diversity) হ্রাস করে। 🤔
আশা করি, অটোগ্যামি সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊
Option A Explanation:
- গেইটোনোগ্যামি (Gaitonogamy): এটি একটি প্রজনন প্রক্রিয়া যেখানে একই ফুলের মধ্যে বা একই উদ্ভিদের মধ্যে স্বপরাগায়ন ঘটে। অর্থাৎ, একই ফুলের অঙ্কুর বা গাছের পুষ্প দ্বারা পরাগায়ন হয়।
- এটি সাধারণত স্বপ্রজনন বা স্বপরাগায়ন নামে পরিচিত।
- এতে পরাগাণু ও ডিম্বাণু একই ফুল বা উদ্ভিদের অংশ থেকে আসে।
- এটি প্রজননের জন্য জৈবিকভাবে সুবিধাজনক, কারণ এটি প্রজননের জন্য অন্য উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীলতা কমায়।
- তবে, এর ফলে জেনেটিক বৈচিত্র্য কমে যেতে পারে।
Option B Explanation:
- অর্থ: এলোগ্যামি হলো যখন একই প্রজাতির দুটি আলাদা উদ্ভিদের পুষ্পের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে।
- প্রকার: এটি একটি স্বপরাগায়নের প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি পারস্পরিক পরাগায়নের একটি রূপ।
- উদাহরণ: বিভিন্ন উদ্ভিদের মধ্যে পরাগায়ন, যেমন দুটি পৃথক গাছের মধ্যে পরাগের স্থানান্তর।
- প্রভাব: এটি সাধারণত বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে এবং প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
- জেনোগ্যামি: এটি এমন প্রক্রিয়া যেখানে ভিন্ন প্রজাতির বা ভিন্ন ধরণের উদ্ভিদের মধ্যে পুষ্পের মাধ্যমে পরাগায়ন ঘটে।
- এই প্রক্রিয়ায় পরাগের ট্রান্সফার হয় দুইটি আলাদা উদ্ভিদের মধ্যে, ফলে সংকর বা হাইব্রিড উৎপন্ন হতে পারে।
- জেনোগ্যামি সাধারণত প্রজনন বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি উদ্ভিদ বিজ্ঞান ও কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Option D Explanation:
- অটোগ্যামি: এটি একটি প্রজনন প্রক্রিয়া যেখানে একই উদ্ভিদের পুষ্পের স্বপরাগায়নের মাধ্যমে পরাগের গর্ভাশয়ে পরাগবীজ উৎপন্ন হয়।
- এই প্রক্রিয়ায় পরাগ এবং ডালপালা একই উদ্ভিদের অংশ থেকে আসে, ফলে জৈবিকভাবে স্বাভাবিকভাবে আত্মপ্রবেশ ঘটে।
- অটোগ্যামি সাধারণত হাইব্রিড বা প্রজননের জন্য সুবিধাজনক কারণ এতে স্বনির্ভর প্রজনন সম্ভব হয়।
- এটি প্রাকৃতিক বা কৃত্রিমভাবে হতে পারে, এবং এটি বিভিন্ন উদ্ভিদের মধ্যে জৈবিক প্রজনন সহজ করে তোলে।