সিরাজউদ্দৌলা নাটকে দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের স্থান কোনটি?
A. ঘসেটি বেগমের বাড়ি
B. নবাবের দরবার
C. মীর জফরের আবাস
D. লুৎফুন্নিসার কক্ষ
সঠিক উত্তরঃ
B.
নবাবের দরবার
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'সেই অস্ত্র' কবিতায় কবি পৃথিবীতে কী ব্যাপ্ত করতে চেয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুরবাড়ি বাংলাদেশের-
- ‘অপরিচিতা’ গল্পটি কার জবানীতে লেখা?
- এ কেবল একটি মানুষের গলা'- একথা দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বিয়ে না করার সিদ্ধান্তেরকারণ কী ছিল?
- জ্বালিয়ে রেখেছি মনের প্রদীপআমার ডুলেডরা বাগানেতোমার ছোঁয়ায় ফুটুক ফুল,সান্ত্বনার আঙুলে দেখো পরগাছা আমারে ।উদ্দীপকে অনুপম চরিত্রের কোনটি রয়েছে?
- জীবনে একবার বিশেষ কাজে মামা কোথায় গিয়েছিলেন?
- কন্যাকে আশীর্বাদ করার জন্য কাকে পাঠানো হলো?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতি স্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনায়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পুরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে যে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয় মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়ে যায়।'মাতৃস্নেহের আধিক্যে পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়ে যায়।'- এই মন্তব্যের সাদৃশ্যমূলক প্রভাব রয়েছে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রে।- বুঝিয়ে লেখো।
- 'ছোটোদের সঙ্গে সে অনায়াসে এবং আনন্দে ছোটো হইয়া গিয়াছিল।'- উক্তিটির তাৎপর্য বর্ণনা করো।
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীকে আশীর্বাদ করতে যায় -
- 'অপরিচিতা' গল্পের শীর্ষ-মুহূর্ত (গ্রন্থিবন্ধন) কোনটি?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- ‘অপরিচিতা' গল্পের নায়কের নাম কী ?
- 'অপরিচিতা' গল্পে সরস রসনার গুণ আছে কার?
- লিটন শীল আর চন্দনা একে অপরের ভালো বন্ধু। ছাত্রজীবন থেকে তাদের মাঝে বেশ সখ্য আর জানা-শোনা। উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। চন্দনা এম.এ পাশ করে স্বল্প বেতনের একটা চাকরি করে। স্বল্প বেতনের জন্য মা-বাবাকে সাথে নিয়ে শরহতলিতে একটা পুরোনো ভাড়া বাসায় বাস করে। তার যাপিত জীবন আভিজাত্যের নয় নিম্নমধ্যবিত্তের। লিটন শীল সরকারি চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাবা বিক্রম ??ীলের কাছে চন্দনকে বিয়ে করার কথা জানালে বাবা বিক্রম শীল মেয়েকে এবং মেয়ের 'পরিবারকে দেখতে চান। মেয়ের পারিবারিক অবস্থা দেখে ফিরে এসে বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলেন, "মেয়ে দেখতে সুন্দর তবে এ বিয়ে হবে না।" বাবার এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনি লিটন শীল। কারণ বাল্যকাল থেকেই সে তার বাবার কথার অবাধ্য হয়নি কখনো।ওপরের উদ্দীপকে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? বিচার করো।
- 'রক্ত করবী’--কে রচনা করেন?
- প্রজাপতির দুই পক্ষ। বরপক্ষ এবং কন্যাপক্ষ। বরপক্ষ কন্যাপক্ষের কাছে নগদ পঞ্চাশ হাজার। টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার চেয়ে বসল। নিত্যানন্দ রায় কোনো কিছু বিবেচনা না না করে তাতেই মেয়ের বিয়ে দিতে সম্মত হয়ে গেল। তার মতে, এমন শিক্ষিত। ছেলে আর বনেদি পরিবার কিছুতেই হাতছাড়া করা যায় না। তার ইচ্ছায় যথারীতি আশীর্বাদ পর্ব শেষে শুভ বিবাহের দিন ধার্য হয়ে গেল। নিত্যানন্দ অনেক কষ্ট স্বীকার করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করার পরও নিতান্ত এক তুচ্ছ কারণে বিয়ের আসরেই এই বিয়ে ভেঙে যায়।উদ্দীপকের নিত্যানন্দ রায়ের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের শুম্ভুনাথের সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- 'এই তো আমি জায়গা পাইয়াছি।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'ঠাট্টার সম্পর্কটাকে স্থায়ী করিবার ইচ্ছা আমার নাই।' উক্তিটি-
- অফিস থেকে ফেরার পথে রাশেদ বাসে দীর্ঘদিন পর দেখতে পেল রাবেয়াকে। মনে পড়ল রাবেয়ার সাথে তার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পর হঠাৎ রাশেদের বাবা মোটা অংকের যৌতুক দাবি করে বসে মেয়ের বাবার কাছে। উচ্চশিক্ষিত সুদর্শন পুত্রের জন্য এটা নাকি তার ন্যায্য দাবি। রাবেয়ার বাবার যথেষ্ট সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি রাজি হলেন না যৌতুক দিতে। ক্ষোভে অপমানে তৎক্ষণাৎ ভেঙে দেন বিয়ে। ক্ষুব্ধ রাবেয়াও সমর্থন করে বাবাকে। বিয়ে ভেঙে গেলেও রাবেয়া থেমে থাকেনি। এক ব্যাংকারকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছে। চাকরি করছে একটা কলেজে।"উদ্দীপকের রাবেয়া 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী চরিত্রকে সম্পূর্ণভাবে ধারণ করে না"- স্বীকার কর কী? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নষ্টনীড়’ গল্পের একটি বিখ্যাত চরিত্র-
- ‘মৃন্ময়ী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ছোটগল্পের নায়িকা?
- অনুপমের বিবাহ যাত্রার বর্ণনা দাও।
- "আমার ভাগ্যে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চশরের কোনো বিরোধ নেই।"- বাক্যটির তাৎপর্য কী?