‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা?' সংলাপটি বলেছে—
A.
হলওয়েল
B.
ওয়ালি খান
C.
ক্লেটন
D.
সিরাজ
সঠিক উত্তরঃ
C.
ক্লেটন
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মাসি-পিসি' গল্পে অসহায় নিঃস্ব দুই বিধবা নারীর অস্তিত্ব রক্ষার পাশাপাশি বিরূপ পরিবেশে থেকে আহ্লাদিকে রক্ষার জন্য যে প্রখর বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে তা গল্পটিকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। অত্যাচারী স্বামী, লালসা-উন্মত্ত জোতদার, দারোগা ও বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আহ্লাদিকে নিরাপদ। রাখার ক্ষেত্রে দুই বিধবা নারীর দায়িত্বশীল ও মানবিক জীবন-যুদ্ধ সত্যিই প্রশংসনীয়।উদ্দীপকের নারীদের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের নারী চরিত্রের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- ওয়াজ করিবার সময় পির সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়ে গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন।..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখমুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? আলোচনা করো।
- 'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ।'- বুঝিয়ে লেখো।
- 'আপনারা জাহেল, বে-এলেম, আনপাড়াহ্' এই উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- খোরশেদ আলী একজন পল্লি চিকিৎসক। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকজন তার কাছে আসে। তিনিও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী এলে তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কারণ তার কাছে মানুষের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড়ো নয়।উদ্দীপকে খোরশেদ আলীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রটির বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'নাফরমানি করিও না, খোদার উপর তোয়াক্কল রাখো।' উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
- কখন নিরাক পড়ে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ কে?
- 'আসলে সে ঠান্ডা, ভীতু মানুষ'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- লালসালু উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- “জনগণে যারা জোঁকসম শোষে, মহাজন তারেকয়।”— উদ্দীপকে এবং 'লালসালু' উপন্যাসেমহাজনদের বৈশিষ্ট্য কী?শোষকস্বার্থপরমানবতাবিরোধীনিচের কোনটি সঠিক?
- অর্জিত জ্ঞান মানুষের মূল্যবান সম্পদ। প্রকৃত শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত করে তোলে। জ্ঞানচর্চা না করে কোনো জাতি উন্নতির শিখরে পৌছাতে পারে না। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে আমরা এর সত্যতা সহজেই উপলব্ধি করতে পারি। শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করা তাই প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার- যার মাধ্যমে সে তার জাতিকে ক্রমমুক্তি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে?
- কোনটি সঠিক?
- ‘অমন করে হাঁটতে নাই’ কে বলে?
- 'দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা'- ব্যাখ্যা করো।
- বেচারার একটা বেশ দুঃখ ছিল। ছেলেপুলে নেই।সৌদামিনীর স্বামী স্থির করলো, আর একটি বিয়েইযুক্তিযুক্ত; অন্তত চেষ্টা করে দেখা যাক। বংশ তো গুমকরে দেওয়া চলে না। উদ্দীপকের সৌদামিনীর স্বামীর মধ্যে 'লালসালু'উপন্যাসের কোন চরিত্রের মানসিকতা বিদ্যমান?
- বাংলা ভাষায় উপন্যাস লেখায় সূচনা ঘটে কোন শতকে?
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ওনারে কন, খোদায় জানি আমার মওত দেয়।'- কে কার উদ্দেশ্যে উক্তিটি করে?
- 'লালসালু' উপন্যাসের 'মাছের পিঠের মতো মাজার'বলতে রূপক অর্থে বোঝানো হয়েছে—
- তাহেরের বাপ নিরুদ্দেশ হয়ে যায় কেন?
- 'দলিল দস্তাবেজ জাল হয়, কিন্তু খোদাতালার কালাম জাল হয় না।'- বুঝিয়ে লেখো।
- গ্রামে পীর সাহেবের প্রভাব ছিল ব্যাপক। তিনি হুজুর কেল্লা নামে পরিচিত। ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায় জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম' পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন। তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখ-মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল। কিন্তু এমদাদ শিক্ষিত যুবক। সে সমাজের মানুষের এমন প্রশ্নহীন আনুগত্যে অবাক হয়ে যেত।"উদ্দীপকের মানুষগুলোর সাক্ষাৎ পাওয়া যায় 'লালসালু' উপন্যাসে।”- বিশ্লেষণ করো।