'বিস্তারিত করিয়া কিছু বলা আমার পক্ষে অসম্ভব'- কেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- অপাদমস্তক স্বার্থন্ধ মানুষ সমীরণ বাবু। নিজের স্বার্থ আদায়ে তিনি সিদ্ধহস্ত। একমাত্র ছেলের বিয়েতে তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি তার শিক্ষিত ও যোগ্য ছেলের বিয়েতে কন্যাপক্ষের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের যৌতুক চান। সবকিছুই ঠিক ছিল- সুন্দরী কনে, কনের গহনা, পণের টাকা, নিমন্ত্রণ করা। কিন্তু গোল বাধল বিয়ের সভাতে। অর্থলোভী সমীরণ বাবু যৌতুক নিয়ে বাড়াবাড়ি এবং আপত্তিকর কিছু আচরণ করে বিয়ে ভেঙে দিতে চায়। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে তাঁর আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলে টিটন বেঁকে বসে। আজন্ম বাধ্যগত ছেলে টিটন তখন বাবার হীনমানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বলে, সে কেনাবেচা করতে আসেনি; কাউকে অপমান করতেও আসেনি; একজনকে জীবনসঙ্গী করতে এসেছে। তাই বিয়ে করে তাকে নিয়েই বাড়ি ফিরবে।উদ্দীপকের সমীরণ বাবুর সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- প্রজাপতি কে?
- পণপ্রথা বলতে কী বোঝো?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কবির কাব্যবৈশিষ্ট্যকে ‘চিত্ররূপময়' বলে অ্যাখ্যায়িত করেছেন?
- অনুপমের বাবার পেশা কী ছিল?
- 'কন্যার পিতা রামসুন্দর আমাদের রায় বাহাদুরের হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলেন, "শুভ কার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয়ই টাকাটা শোধ করিয়া দিব।" রায় বাহাদুর বললেন, "টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।" এই দুর্ঘটনায় অন্তঃপুরে একটা কান্না পড়িয়া গেল। ইতঃমধ্যে একটি সুবিধা হইল। বর সহসা তার পিতৃদেবের অবাধ্য হইয়া উঠিল। সে বাবাকে বলিয়া বসিল, "কেনাবেচা দরদামের কথা আমি বুঝি না; বিবাহ করিতে আসিয়াছি, বিবাহ করিয়া যাইব।"উদ্দীপকের বরের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের বৈসাদৃশ্য তুলে ধর।
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
- কোন লেখক জীবনানন্দের কবিত???কে ‘চিত্ররূপময়’ বলে আখ্যায়িত করেছেন?
- ‘অপরিচিতা' কোন পুরুষের জবানিতে লেখা গল্প?
- 'মধু সাধু খাঁ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- 'অপরিচিতা' গল্পের খাদযুক্ত গহনাটির নাম কী?
- 'লালসালু' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
- ’রাশি রাশি ভারা ভারা’ কোন পদের দৃষ্টান্ত?
- 'রেইনকোট' গল্পে 'আন অথারাইজড কনস্ট্রাকশন'বলতে বুঝানো হয়েছে—
- 'বাতাবি নেবুর, ফুল ফুটেছে কি?'- এ চরণটি দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে-
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিয়েহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে মেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহূদয়ের মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন যেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ, মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।উদ্দীপকের আলোকে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের পরিণতি বর্ণনা কর।
- কহিল সে কাছে সরে আসি' পরের পঙ্ক্তি কোনটি?
- আমাদের সমাজে ছেলে সন্তানের জন্ম হলে সবাই খুশি হয়। এর নেপথ্যে কারণ কন্যাসন্তানের বিয়ে দিতে দতে অনেক অনেক অর্থ সংকুলন করতে হয়। সামাজিক, ধর্মীয় এবং আইনগত কুপ্রথার কারণে প্রতিনিয়ত অনেক নারী স্ত্রী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মানুষ যত দিন ভোগবাদী চিন্তার চূড়ান্ত স্তর থেকে বেরিয়ে আসতে না পারবে, ততদিন এ ব্যাধি থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। মানুষের চিন্তার চিকিৎসা করাতে পারলে মানবতার জয়গান প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।উদ্দীপকের ভোগবাদী চিন্তার দিকটি 'অপরিচিতা' গল্পের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কেন তা ব্যাখ্যা করো
- হয়তো কিছুই নাহি পাবতবুও তোমায় আমি দূর হতে ভালোবেসে যাব।যদি ওগো কাঁদে মোর ভীরু ভালোবাসা,জানি তুমি বুঝিবে না তবু তারি ভাষা,তোমারি জীবনে কাঁটা আমি, কেন মিছে ভাব ||উদ্দীপকের কথকের মনের ভাব 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মনোভাবের সাথে কতটুকু সম্পর্কিত? আলোচনা করো।
- গৌরী ও সঞ্জয় অনেক দিন ধরে একই অফিসে চাকরি করছে কিন্তু সহকর্মীরা জানে না দুজনার অন্তরে গভীর ক্ষত। গৌরীকে নিজে পছন্দ করে বিয়ে করতে চেয়েছিল সঞ্জয়। বছর পাঁচেক আগে লোক খাওয়ানো নিয়ে বিয়ে ভেঙেছে তাদের। পিতৃহীন সঞ্জয় কাকার আশ্রয়ে মানুষ তাই তার দোষ জেনেও প্রতিবাদ করতে পারেনি। একদিন গৌরীর কাছে নিজের অসহায় অবস্থার কথা তুলে ধরে সঞ্জয়। বলে, তার জন্য সে সারা জীবন অপেক্ষা করবে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে গৌরী বলে, 'কী দরকার, এই তো বেশ আছি।'"এই তো বেশ আছি!'-গৌরীর এই উক্তিতে 'অপরিচিতা' গল্পের পরিণতি প্রতিফলিত হয়েছে"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- আব্দুল্লাহ আল মামুনের নাটক কোনটি?
- তাহার প্রার্থনা শুনিয়া আমি বলিলাম, না না আপনি এক মুহূর্তের জন্যও প্রাণনাশের আশঙ্কা করিবেন না; আপনি এই মুহূর্তে হইতে স্বাধীন; এই বলিয়া পথের স্বরূপ, সহস্র স্বর্ণমুদ্রার একটি থলি তাহার হস্তে দিয়া বলিলাম, আপনি অবিলম্বে প্রস্থান করুন এবং স্নেহাস্পদ পরিবারবর্গের সঙ্গে মিলিত হইয়া সংসার যাত্রা করুন। আপনাকে ছাড়িয়া দিলাম। এ জন্য আমার উপর খলিফার মর্মান্তিক ক্রোধ ও দ্বেষ জন্মিবে, তাহাতে সন্দেহ নাই। কিন্তু যদি আপনার প্রাণ রক্ষা করিতে পারি, তাহা হইলে সে জন্য অণুমাত্র দুঃখিত হইব না। 'উদ্দীপকের মতো মহানুভবতার অভাব ছিল বলেই সিরাজের জীবনে ট্র্যাজেডি নেমে এসেছে।'- মন্তব্যটি যথার্থতা নিরূপণ করো।
- একান্তই নির্জীব কোনো তেজ নাই কার?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত কোন নাটকটি কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন?