বাংলাদেশের বিপদাপন্ন সরীসৃপ -
RUUnit-CSet-2জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনবাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় জীব - পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
Gavialis gangeticus
Explanation:

Another Explanation (5):
বাংলাদেশের বিপদাপন্ন সরীসৃপ: Gavialis gangeticus
Gavialis gangeticus, যা সাধারণত ঘড়িয়াল নামে পরিচিত, বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত বিপদাপন্ন সরীসৃপ প্রজাতি। এটি মূলত ভারত উপমহাদেশীয় অঞ্চলের বৃহৎ নদীগুলিতে পাওয়া যায়। ঘড়িয়াল তার লম্বা, সরু মুখ এবং দাঁতগুলোর জন্য সহজেই পরিচিতযোগ্য। বাংলাদেশে এই প্রজাতির সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। 😥
বৈশিষ্ট্য
- বৈজ্ঞানিক নাম: Gavialis gangeticus 🐊
- সাধারণ নাম: ঘড়িয়াল
- আকার: ৫-৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।📏
- ওজন: প্রায় ১৬০ কেজি পর্যন্ত।
- শারীরিক বৈশিষ্ট্য: লম্বা, সরু চোয়াল যা মাছ ধরতে বিশেষভাবে উপযোগী।
- আবাসস্থল: গভীর, দ্রুত প্রবাহিত নদী। 🏞️
- খাদ্য: প্রধানত মাছ। 🐟
বিপদাপন্নতার কারণ
ঘড়িয়ালের সংখ্যা হ্রাসের প্রধান কারণগুলো হলো:
- আবাসস্থল ধ্বংস: নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট হওয়া, যেমন - বাঁধ নির্মাণ, দূষণ ইত্যাদি। 🚧
- অবৈধ শিকার: চামড়া ও ঔষধ তৈরির জন্য শিকার। 🏹
- মাছ শিকারের জাল: মাছ ধরার জালে আটকে পড়া। 🎣
- ডিম সংগ্রহ: মানুষ ডিম সংগ্রহ করে বিক্রি করে দেয়। 🥚
সংরক্ষণ প্রচেষ্টা
বাংলাদেশে ঘড়িয়াল সংরক্ষণের জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
- সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা: ঘড়িয়ালের আবাসস্থলগুলোকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা। 🏞️
- প্রজনন কর্মসূচি: কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে সংখ্যা বৃদ্ধি করা। 🐣
- জনসচেতনতা বৃদ্ধি: স্থানীয় জনগণের মধ্যে ঘড়িয়াল সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। 📣
- আইন প্রয়োগ: অবৈধ শিকার বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা। ⚖️
সংক্ষিপ্ত তথ্যের তালিকা
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| IUCN Status | Critically Endangered (মহাবিপন্ন) ❗ |
| আবাসস্থল | পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর অববাহিকা। 🌊 |
| প্রধান হুমকি | আবাসস্থল ধ্বংস ও অবৈধ শিকার। 💔 |
ঘড়িয়াল বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এদের রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। 🙏 আসুন, আমরা সবাই মিলে এই মহাবিপন্ন প্রজাতিটিকে রক্ষার জন্য কাজ করি। 💪
আরো জানতে ভিজিট করুন: IUCN Red List 🌐
Option A Explanation:
- বৈজ্ঞানিক নাম: Rana temporaria
- পরিবার: Ranidae (সাধারণত "ফ্রগ" বা "ভ্যাগ" পরিবারের অংশ)
- অবস্থান: ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়, বিশেষ করে উত্তর ও মধ্য ইউরোপে।
- জীবনযাত্রা: জলাশয়, পুকুর, নালার পাশে বাস করে এবং জলজ ও স্থলজ জীবনযাত্রার মধ্যে পরিবর্তিত হয়।
- অবস্থা: অনেক সময় এই প্রজাতি বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে পাওয়া যায়, তবে কিছু অঞ্চলে এর বংশহানি বা বিপদাপন্ন অবস্থা দেখা যায়।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ছোট থেকে মাঝারি আকারের, ঝরঝরে দেহ, লম্বা পা, এবং গলার গানের জন্য পরিচিত।
Option B Explanation:
- নাম: Oreochromis niloticus
- সাধারণ নাম: নীল মাছ বা tilapia
- প্রকার: মিঠা পানির মাছ
- পরিচিতি: আফ্রিকার Nilotic অঞ্চলের স্থানীয় মাছ, যা মাছের চাষে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: দ্রুত বৃদ্ধি হয়, প্রজনন সহজ, এবং বিভিন্ন পরিবেশে টিকে থাকতে সক্ষম
- অভিযোগ: পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে যদি অপ্রয়োজনীয়ভাবে মুক্ত করা হয়, কারণ এটি স্থানীয় প্রজাতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে
Option C Explanation:
- শিক্ষা ও পরিচিতি: Gallus gallus হলো প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পাখি নয়, তবে এটি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিচিত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত "মূল" মুরগি বা দেশি হাঁসের জাত হিসেবে পরিচিত।
- বিশেষত্ব: এই পাখিটি মূলত খাদ্য ও কৃষি কাজে ব্যবহার হয় এবং তা মানুষের কাছে খুবই পরিচিত।
- বৈচিত্র্য ও প্রজনন: এটি বিভিন্ন রঙ ও জাতের হয়ে থাকে, তবে মূলত এর দেখানো বৈশিষ্ট্য হল এর লালচে বা বাদামী রঙের পালক।
Option D Explanation:
- নাম: Gavialis gangeticus
- সাধারণ নাম: গোয়ালিয়া বা গাঙের গিরগিট
- প্রজাতি: জলজ সরীসৃপ
- পরিবার: গ্যাভিয়ালিডি
- অবস্থান: মূলত ভারত ও বাংলাদেশে পাওয়া যায়
- প্রকৃতি: বিপন্ন বা বিপদাপন??ন বন্যপ্রাণী
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: দীঘল ঠোঁট, বিশাল দেহ, শক্তিশালী দন্ত
- আহার: মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী
- সংরক্ষণ অবস্থা: বিশ্বব্যাপী বিপন্ন বলে বিবেচিত