শেখ মুজিবুর রহমান চিন্তাশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন কেন?
A.
ক্ষুধায়
B.
জ্ঞান না থাকায়
C.
শারীরিক দুর্বলতায়
D.
বুদ্ধি লোপ পাওয়ায়
সঠিক উত্তরঃ
C.
শারীরিক দুর্বলতায়
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- রুগ্নতাব্যঞ্জক অব্যয়
- “আওয়ামী লীগের কোনো কর্মীই বোধ হয় আর বাইরেনাই।”— উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে আওয়ামী লীগ কর্মীদের-
- বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগে অধ্যয়ন করতেন?
- 'ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।'- কেন?
- "মুক্তি দিলে খাব, না দিলে খাব না"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- 'যে হিমালয়ে বাস করিতেন , সেই হিমালয়ের তিনি যেন মিতা। ' বাক্যটি -
- জাহাজ ঘাটে শেখ মুজিবুর রহমান সহকর্মীদেরকাছে কী চাইলেন?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'- কোন প্রসঙ্গে লেখক এ কথা বলেছেন?
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উদ্দীপকের আলোকে পলাশি যুদ্ধে পরাজয়ের পরকে জনমত গঠনের মাধ্যমে প্রতিরোধের শেষ চেষ্টাকরেছিলেন?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় আর্মড পুলিশের সুবেদার কোথাকার লোক ছিলেন?
- "বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায় "- বুঝিয়ে লেখো।
- ‘মন দিয়া কর সবে বিদ্যা উপার্জন’ বাক্যে নিম্নরেখাঙ্কিত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আমরণ অনশনের সময় কতদিন পর থেকে খাবারের জন্য জোর করা হয়েছিল?
- 'আমলাতন্ত্র তাকে কোথায় নিয়ে গেল।'- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় এ উক্তিতে কার কথা বলা হয়েছে?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে ‘জুলিও কুরি' পদকে ভূষিত হন?
- 'বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু আশা করে।'- 'বায়ান্নর দিনগুলো রচনায় এই 'অনেক কিছু' হলো-
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'। বাক্যটি কোন রচনার অংশ?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গোপনে কয়েদিকে দিয়ে কাগজ আনালেন কেন?
- "আমলাতন্ত্র তাকে কোথায় নিয়ে গেল।" 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় এ উক্তিতে কার কথা বলা হয়েছে?
- 'নিজের ছেলেও অনেক দিন না দেখলে ভুলে যায়।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কথকের সভায় কী লক্ষ্যকরা যায়?
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সেদেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাজা রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান - ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।"উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের সার্বিক চিত্র ফুটে উঠেছে।"- মন্তব্যটির সত্যতা পরীক্ষার করো।
- পাশ্চাত্য সভ্যতার ইতিহাসে মহান দার্শনিক সক্রেটিস এর নাম উজ্জ্বল ও ভাম্বর হয়ে আছে। তিনি এমন এক দার্শনিক আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রবর্তক যা কিনা পাশ্চাত্য সভ্যতা, সংস্কৃতি ও দর্শনকে দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে প্রভাবিত করেছে। তিনি বলতেন "আমি জ্ঞানী নই, জ্ঞানানুরাগী মাত্র। একটি জিনিসই আমি জানি; আর সেটি হলো এই যে, আমি কিছুই জানি না।" না।” শাসকদের শা কোপনলে পড়ে জেলবন্দি হন। পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও যাননি। । এই মহান জ্ঞানীকে হেমলক পানে হত্যা করা হয়।উদ্দীপকের সক্রেটিসরে সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী চেতনা কতটুকু সংগতিপূর্ণ?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- "মাগো, ভাবনা কেন?আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলেতোমার তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে লড়তে জানিভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।"এভাবেই এই দেশকে ভালোবেসে এদেশের প্রতিবাদী মানুষ ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়েছেন।উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে আলোচনা করো।