'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী' বলতে কী বোঝায়?
- "এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।"- এ কথার তাৎপর্য কী?
- দুরন্ত পথিক দুর্বার তারুণ্যের প্রতীক। সে বিপ্লবের অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত মুক্তি সৈনিক। মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে সে দুর্গম পথে এগিয়ে চলে। তার শক্তি অবিনশ্বর। পথ চলতে সে কখনো থেমে যায় না। তার চেতনা দুর্বারকে জয় করে।উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার চেতনা সর্বজন কর্তৃক অনুকরণীয়- বিশ্লেষণ কর।
- 'আঠারো বছর বয়স 'কবিতায় পদবিন্যাস কেমন?
- প্রাণ দেয়া নেওয়ার ঝুলিটা থাকে না শূণ্য - পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- কিশোর তোমার দুই হাতে দুইসূর্য উঠেছে জেগে।মানুষের হাতে অবাক সূর্যোদয়,যায় পুড়ে যায় মর্ত্যের অমানিশাশঙ্কার সংশয়।"উদ্দীপকের 'শঙ্কার সংশয়' যদি নেতিবাচক হতো তাহলে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কবির আশঙ্কাও উন্মোচিত হতো।"-মন্তব্যটির যৌক্তিকতা বিচার করো।
- কবি আঠারো বছর বয়স কে কিসের সাথে তুলনা করেছেন?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করে বলেছেন, 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং হুড়াইতে ছড়াইতে আহার অন্ত'। কারণ, তাঁর কাছে যৌবন হলো অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। তা মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। ??ুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক। যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে। সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। আর বিপন্ন মানবতার পাশে সে দাঁড়ায় সেবাব্রতী ভূমিকা নিয়ে। উদ্দীপকের তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আঠারো বছর বয়সি তরুণদের কতটুক সাদৃশ্য লক্ষ করার মতো তা আলোচনা করো।
- মচমইল বাজারে প্রকাশ্যে তিনজন সন্ত্রাসী আক্রমণ করে তালেব মাস্টারকে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মোটরসাইকেলযোগে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এমন সময় ঘটনাস্থলে এসে পড়ে সাহসী এক তরুণ ফিরোজ। সে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে এবং একজনকে ধরে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। ফিরে এসে দেখে মাস্টার তখনও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন। কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসছে না, পুলিশি ঝামেলার ভয়ে। ফিরোজ কোনো কিছু না ভেবেই মাস্টার মশাইকে নিয়ে যায় মেডিকেলে।উদ্দীপকের মূলভাব 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাবের দ্যোতক- আলোচনা করো।
- তমাল ও পিয়াল দুই বন্ধু মেধাবী ছাত্র হিসেবে প্রশংসিত হয়েছিল পরিচিতজনের কাছে। কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর তমাল ঢাকা মেডিকেল কলেজে আর পিয়াল রাজধানীর একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি তমাল খেলাধুলা, বিতর্ক ইত্যাদিতেও অংশগ্রহণ করে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। অন্যদিকে পিয়াল খারাপ বন্ধুদের সংস্পর্শে পড়ে মাদকসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছে। দুই বন্ধুর জীবন আজ দুটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত।উদ্দীপকের আঠারো বছর বয়সের কোন কোন প্রবণতা ফুটে উঠেছে তা বুঝিয়ে লেখ।
- 'এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে।'- ব্যাখ্যা করো।
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই-যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যরে মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদায়ী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অন্ত। যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।উদ্দীপকের বক্তব্যের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য নির্দেশ করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
- “আঠারো বছর বয়স" কবিতাটি কোন ছন্দে লিখিত?
- আঠারো বছর বয়স কীসে বাঁচে?
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'-পরের চরণ কোনটি?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থটির নাম কী?
- কলেজে ওঠার পর রাতুল ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে, রাত জেগে স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে। বাবা-মায়ের সঙ্গেও বাজে আচরণ করে। অবশেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় রাতুল কিছু বাজে বন্ধুর পাল্লায় পড়েছে। রাতুল বুঝতে পারছে সে যা করছে ভুল করছে, কিন্তু এসব থেকে বেরিয়েও আসতে পারছে না।'অসৎ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে তরুণরা ভুল পথে পা বাড়াতে পারে" উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে তোমার মতামত দাও।
- 'আঠারো বছর বয়স' পথে-প্রান্তরে বহু কী ছোটায়?
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ, ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচারক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করেপুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা।আয় দুরন্ত, আয়রে আমার কাঁচা।"উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত বিষয়ের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে"- উক্তিটি বিচার করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য তার 'আঠার বছর বয়স' কবিতায় পদাঘাতে কী ভাঙ্গতে চেয়েছেন?
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'- ব্যাখ্যা কর।
- যেন গতিহীন, প্রাণহীন, সৃজনবিরাগী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রতিটি প্রাত্যহিক আজ। এ দেশের তরুপসমাজ এক অনিবার্য স্থবিরতায় ক্রমে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। মোবাইল ও মাদক তাদের এই অধঃপাতের প্রধান দুটি কারণ বলে মনে হয়। মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য যে আত্মমর্যাদা, ব্যক্তিত্ব, স্বনির্ভরতা, দুরন্ত গতিবেগ, সৃজন, নির্ভীকতা, পরোপকার, অসাম্প্রদায়িকতা, সংস্কৃতিবোধ ও স্বদেশপ্রেম তা থেকে এ দেশের যুবসমাজ নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। পক্ষান্তরে গেমিং, টিকটক করা বা দেখা, অনলাইন আসক্তি এবং নানা রকম নেশা গ্রহণে তারা এখন ডুবে আছে। আসুন এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজি।"এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে' উক্তিটির সার্থকতা উদ্দীপকে বর্ণিত 'মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্যর সাথে সম্পর্কিত।”- বিষয়টি আলোচনা করো।
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।''তারুণ্য শক্তিই পারে আগামী জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে।'- উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'আকাল' সুকান্ত ভট্টাচার্যের কী ধরনের রচনা?