বিলাসী গল্পে ন্যাড়া কোথায় গিয়ে সিদ্ধ হয়ে এসেছে?
A. গরম জলে
B. কাশী
C. কামরূপ
D. মেঘালয়
E. উড়িষ্যা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো- বিলাসী কেন এ কথা বলল?
- বিলাসী' গল্পে ফুটে উঠেছে-বিশ শতকের সমাজচিত্ররক্ষণশীল মুসলিম সমাজচিত্ররক্ষণশীল হিন্দু সমাজচিত্রনিচের কোনটি সঠিক?
- মহুয়া শহরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। তার শহরে কাজ করার বিষয়টি গ্রামের কিছু মানুষ পছন্দ করে না। উপরন্তু তার নামে দুর্নাম রটনা করে। ঈদের ছুটিতে বাড়ি এলে গ্রামের মানুষগুলো মহুয়ার নামে বিচার বসায়। তারা মহুয়াকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু মহুয়া তাতে প্রতিবাদ করে। অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই কোথাও যাবে না।'বিলাসী ও মহুয়া পরস্পর বিপরীত চরিত্রের মানুষ।'- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- 'তাহার হাতের উল্টা পিঠ দিয়ে ঝর ঝর করিয়া রক্ত পড়িতেছিল।'-এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
- 'বিলাসী’ গল্পে উনিশ শতকের যে সমাজ-সংস্কারকের কথা আছে তাঁর নাম-
- বাংলা উপন্যাসের উদ্ভব ঘটে-
- 'সব লোকে কয় কী জাত সংসারে' এ গানে লালন ফকির মানুষের। জাত পরিচয় নিয়ে প্রশ্নউত্থাপন করেছেন। নিজে কোন ধর্মের বা জাতের, লালন সম্পর্কে এমন প্রশ্ন আগেও ছিল, এখনো আছে। জাতকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। জন্ম-মৃত্যুর সময় সব মানুষ তো একইভাবে আসে কিংবা যায়। তাই মানুষ জাত ও ধর্ম ভেদে যে। ডিন্নতার কথা বলে, লালন তা বিশ্বাস করেন না। লালনের মতে, ধর্মই তথ্য তথা মনুষত্ববে সুবোধই মানুষের প্রকৃত পরিচয়। সেজন্য জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।উদ্দীপকের বিষয়টি 'বিলাসী' গল্পের সাম??্রিক প্রতিচ্ছবি কি না তা বিচার করো।
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন, না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গেছে বটে, কিন্তু পণ্যের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে, সেই জন্যই তাড়া।উদ্দীপকে যে সামাজিক প্রথা বর্ণিত হয়েছে তা 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- ’বিলাসী’ গল্পটি কার জবানিতে রচিত-
- ন্যাড়া পরীক্ষার উত্তরপত্রে হুমায়ুনের পিতার নাম কী লেখে?
- 'বিলাসী' গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- "বিষহরির দোহাই বুঝি বা আর খাটে না ।"---- এটি বোঝা গেল কখন?
- ন্যাড়ার মাদুলি-কবচ কবরে দেওয়ার পরে তার কাছে আর কী অবশিষ্ট রইল?
- ‘ভুজ্যি উচ্ছুগা’ শব্দদ্বয় কোন গল্পে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ভয়ংকর এক সড়ক দুর্ঘটনায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা রায়হানকে পাশের বস্তির মেয়ে জাহানারা উদ্ধার করে নিয়ে আসে। স্মৃতি ফিরে পেলে রায়হান জানতে পারে তার জীবন বাঁচিয়েছে এই মেয়েটি। দীর্ঘদিন সেবা-যত্নের পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে সে। রায়হান মেয়েটির প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে তাকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসে। তার বাবা জাহানারাকে মেনে নেয় না। কিছু টাকা পয়সা দিয়ে তাকে-বিদায় করে দিতে চাইলে রায়হানও জাহানারার সাথে বস্তিতেই চলে যায় এবং সেখানেই সুখে সংসার বাঁধে।"উদ্দীপকের রায়হান এবং 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয় উভয়েই মানবিকতার মূর্ত প্রতীক।"- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- মৃত্যুঞ্জয়ের কত বিঘার বাগান ছিল?
- 'তিলাষ' শব্দটি দিয়ে 'বিলাসী' গল্পে বোঝানো হয়েছে-তিল পরিমাণ সময়ের অর্ধমুহূর্তমাত্রপরক্ষণেইনিচের কোনটি সঠিক?
- ব্রাহ্মণ বংশের শিক্ষিত ছেলে বিশ্বনাথ ভালোবেসে বিয়ে করে গ্রামের বেদে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত মেয়ে সানন্দাকে। রাশভারী বাবা হরিকান্ত তাতে রাজি না হয়ে বিশ্বনাথকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করে। বিশ্বনাথ ও সানন্দা আত্মনির্ভরশীল হয়ে এখন সুখে আছে।উদ্দীপকের বিশ্বনাথ চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- 'বিলাসী' গল্পে প্রাতঃস্মরণীয় স্বর্গীয় মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের ঘটনা কিসের পরিচয়?
- শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি কয় পর্বে বিভক্ত?
- কোনটি ঠিক?
- ন্যাড়ার মাদুলি-কবচ মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর সঙ্গে কোথায় গিয়েছিল?
- কে কবি নন?
- ভারতের অভিজাত এলাকায় অবস্থিত গ্লোরি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রায় সব ছাত্রছাত্রীই ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের। হঠাৎ একদিন বেশ কয়েকজন অভিভাবক স্কুলে এসে চিৎকার করে বলা শুরু করল যে তাদের জাত চলে গেছে, কারণ স্কুলের রান্নার মাসি নিম্ন সম্প্রদায়ের। তার হাতের রান্না খেয়ে তাদের সন্তানদের পাশাপাশি, তাদেরও মহাপাপ হয়েছে। তাই তাদের দাবি অবিলম্বে রান্নার মাসিকে চাকরিচ্যুত করতে হবে। কিন্তু স্কুলের প্রধান শিক্ষক অভিভাবকদের পক্ষ না নিয়ে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করলেন সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে ভালোবাসাই প্রকৃত ধর্ম।উদ্দীপকের অভিভাবকদের ভাবনার মধ্য দিয়ে 'বিলাসী' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?- আলোচনা করো।
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'"উদ্দীপকের সালেহা বেগমের ক্ষেত্রে 'বিলাসী' গল্পে 'ইহা আর এক শক্তি' উক্তিটি প্রযোজ্য হয়নি।"- বিশ্লেষণ করো।