ধ্বন্যাত্বক শব্দ কোন গুলো?
A. টাপুর-টুপুর
B. হাতাহাতি
C. ধীরে ধীরে
D. গলায় গলায়
সঠিক উত্তরঃ
A.
টাপুর-টুপুর
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাই তো।'- উক্তিটি কার?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- মাসি-পিসি' গল্পটি 'পূর্বাশা' পত্রিকায় কত বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়?
- বেতনভাতাদি বৃদ্ধির জন্য গোমতি গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করলে পুলিশতাদের কয়েকজনকে আটক করে। আটককৃত শ্রমিকরা তাদের মুক্তির দাবিতে অনশন ধর্মঘট শুরু করে। কারা কর্তৃপক্ষ নিজেদের নির্দোষ প্রমাণের জন্য নাকে নল ঢুকিয়ে খাবার সরবরাহ করে অনশনকারীদের।"উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় অস্তিত্ব সংগ্রামের লড়াই।" উদ্দীপক ও তোমার পঠিত রচনা অবলম্বনে কথাটির বিচার করো।
- মাসি-পিসি কেন কাছারি বাড়িতে যেতে রাজি হয়নি?
- স্বামীর মৃত্যুর পর প্রতিকূল পরিবেশে টিকতে না পেরেরোকেয়া ভাগলপুরে মেয়েদের স্কুল ও বৃদ্ধাশ্রমপ্রতিষ্ঠা করে নিজেকে শিক্ষা বিস্তার ও সমাজসেবারকাজে ব্যস্ত রাখেন । 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি উদ্দীপকেররোকেয়ার সাথে কীসে তুলনীয়?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে 'জগু আর সেই জগু নেই'—কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে?
- 'ও মাসি ও পিসি , রাখো রাখো । খপর আছে শুনে যাও" - উক্তিটি কার লেখা থেকে নেওয়া ?
- আহ্লাদিকে দেখে বুড়ো রহমানের চোখ ছল-ছল করে ওঠে কেন?
- কারণে-অকারণে বউকে প্রহার করা তাহেরের অভ্যাস।নির্যাতন সইতে না পেরে তার বউ অবশেষে আত্মহত্যা করে।তাহের পুনরায় বিয়ে করে এবং আবারও স্ত্রীর ওপর অত্যাচারশুরু করে।উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক হলো-
- অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত
- নিচের কোন রচনায় কলেরা মহামারির প্রসঙ্গ আছে?
- সাহস মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। ভয় মানুষকে মৃত্যুর আগেই মৃত্যুপথযাত্রী করে তোলেউদ্দীপকের মূলভাব প্রকাশ পেয়েছে 'মাসি- পিসি' গল্পের কোন চরিত্রে?
- আহ্লাদিকে জণ্ডর কাছে পাঠাতে মাসি-পিসি কেন চায়নি?
- 'মাসি-পিসি' কার রচনা?
- 'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়,'- এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- সালমার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা অসহায় হয়ে পড়ে। একদিকে অর্থকষ্ট,অন্যদিকে ষোলো বছর বয়সী সালমার সামাজিক নিরাপত্তা, সব মিলিয়ে সালমার মা দিশেহারা হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় সালমার বিধবা খালা তাদের বাড়িতে এসে সালমার দেখাশুনার ভার নেয়। সালমার মা-খালা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে নিজেদের খাওয়া পরা চালায়। এভাবেই তারা জীবনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করে।উদ্দীপকের নারীর যে সংগ্রামী চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা যেন 'মাসি-পিসি গল্পের মূল ভাবকে ইঙ্গিত করে।- মূল্যায়ন করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে চৌকিদারের নাম কী?
- সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার-আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।উদ্দীপকের চাচা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- নাপিত' শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ কোনটি?
- "প্রাগৌতিকহাসিক" গল্পটির রচয়িতা কে?
- চায়ের দোকান না কীসের দোকান তা বুঝিছি কৈলাশ' কথাটি দ্বারা যা বোঝানো হয়েছে-দোকানটি আসলে চায়ের দোকান ছিল নাদোকানটি ছিল নেশাজাতীয় দ্রব্যেরদোকানটি ছিল মনোহর জিনিসেরনিচের কোনটি সঠিক?
- বিপদে পড়লে ঘাবরে না গিয়ে বুদ্ধিমত্তার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা উচিত। 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন উক্তিটিতে এ বিষয়টি ফুটে ওঠে?
- 'নিজেকে তার ছ্যাচড়া, নোংরা, নর্দমার মতোলাগে।'- কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
- ছুটি রাণী বিধবা ও নিঃসন্তান। এ বিধবার নিকট-সম্পর্কের কেউ নেই। একদিন বাড়ির আঙিনার মন্দিরের পাশে বিশ-ঊর্ধ্ব একটি মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। সমস্ত ঘটনা শুনে মেয়েটিকে ঘরে নিয়ে আসেন। স্বামীর নির্দয়তায় ক্ষত-বিক্ষত মেয়েটিকে মায়ের স্নেহে আশ্রয় দেন। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোক সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চান। মেয়েটি কোনোভাবেই ফিরে যেতে রাজি নয়। ছুটি রাণীও মেয়েটিকে যেতে দেননি। এজন্য ছুটি রাণীকে সামাজিক নেতিবাচকতার মুখোমুখি হতে হয়। ছুটি রাণী মেয়েটিকে তার স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত ধন-সম্পত্তি উইল করে দেন।উদ্দীপকে উল্লিখিত মেয়েটি 'মাসি-পিসি' গল্পের 'আহ্লাদি'র সাথে কীভাবে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।