কাজী নজরুল ইসলাম কোন কবিতা রচনার জন্য কারাবরণ করেন?
A. বিদ্রোহী
B. প্রলয়োল্লাস
C. আনন্দময়ীর আগমনে
D. নারী
সঠিক উত্তরঃ
C.
আনন্দময়ীর আগমনে
Explanation: কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬ খ্রি) তার ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাটি রচনার জন্য কারারুদ্ধ হন এবং এক বছরের জন্য সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। ‘প্রলয়শিখা’ গ্রন্হের জন্য তিনি ৬ মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। ‘বিদ্রোহী’ কবিতা রচনার জন্য তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কবি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- কবি নিজেকে কার শিষ্য বলে ঘোষণা করেছেন?
- “রাজবন্দীর জবানবন্দীর" রচিয়তা -
- ভারতবর্ষের ইতিহাসে ক্ষুদিরাম, মাস্টার দা সূর্যসেন'ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বিখ্যাত নাম। বৃটিশদের অত্যাচার থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করার মানসে নিজেদের বিপ্লবী হিসেবে গড়ে তোলেন। তাঁরা বৃটিশ শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও বিপ্লবের ঝান্ডা উড়িয়ে তাদের ভিত্তি প্রকম্পিত করেন।উদ্দীপকের ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোর সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার যে বিদ্রোহী মনোভাবের পরিচয় পাওয়া যায়- ব্যাখ্যা কর।
- "হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখন/জন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধান,গত আকালের মৃত্যুকে মুছে/আবার, এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।'হয় ধান নয় প্রাণ'-এ শব্দে/সারা দেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজ/মৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/ অবাক তাকিয়ে রয়,জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিক কোনটি? আলোচনা করো।
- বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকেআমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে,এতো বিদ্রোহ কখনো দেখেনি কেউ,দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ;স্বপ্ন-চূড়ার থেকে নেমে এলো সব-শুনেছ? শুনছ উদ্দাম কলরব?নয়া ইতিহাস লিখছে ধর্মঘট;রক্তে রক্তে আঁকা প্রচ্ছদপট।'প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত,দেখ আজ তারা সবেগে সমুদ্যত;"উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার স্মারক।" বিচার করো।
- একদল অভিযাত্রী পাহাড়ের চূড়ায় ওঠার তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যাত্রা শুরু করে। মাঝপথে শুরু হয় তীব্র ঝড়। সবাই সমস্বরে নিচে নামার জন্য চিৎকার করে। যাত্রীদের 'অধিনায়ক সবার সঙ্গে সুর না মিলিয়ে ১ বলেন, ভয় পাই না এই ঝড়কে। আরও বলেন, আমি নিজেই সাইক্লোন, এই মামুলি ঝড় আমার কী? আমি নিজেই সাইক্লোন মামুলি ঝড় আমার কী করবে?'- উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ পত্তি কোনটি?
- ‘সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
- কাজী নজরুল ইলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের কততম কবিতা?
- কবি নিজেকে 'অর্ফিয়াসের বাঁশরী' বলেছেন কেন?
- আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর,আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই বড়াই যে মোরে করেছে পর।যে মোরে করিল পথের বিবাগী-পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি,দীঘল রজনী তার তরে জাগি' ঘুম যে হরেছে মোর;আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তর ঘর।"উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রতিফলিত চেতনা 'বিদ্রোহী' কবিতার মর্মকথারই প্রতিরূপ।"- বিশ্লেষণ করো।
- নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহিদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে। এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনস দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। 'কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ' এরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরও উজ্জীবিত করে তোলে। উদ্দীপকের কোন দিকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র।বজ্রের হুংকারে শৃঙ্খল ভাঙতে সংগ্রামী জনতা অতন্দ্র।আর-নয়।তিলে তিলে বাঙালির এই পরাজয়।আর করি না করি না ভয়।জয় বাংলা বাংলার জয়।উদ্দীপকের 'শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র'- চরণের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য বর্ণনা করো। যৌক্তিকতা 'বিচার করো।
- তিথি অত্যন্ত রাগী প্রকৃতির মেয়ে। ক্রোধান্বিত হলেহিতাহিত জ্ঞান থাকে না। তিথির সাথে 'বিদ্রোহী'কবিতায় কার মিল রয়েছে?
- "হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখন/জন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধান,গত আকালের মৃত্যুকে মুছে/আবার, এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।'হয় ধান নয় প্রাণ'-এ শব্দে/সারা দেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজ/মৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/ অবাক তাকিয়ে রয়,জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবকে পুরোপুরি ধারণ করতে পেরেছে কি? উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার আলোকে পর্যালোচনা করো।
- ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?-প্রলয় নূতন সৃজন বেদন।আসছে নবীন জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন।তাই সে এমন কেশে বেশেপ্রলয় বলেও আসছে হেসেমধুর হেসে।ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর।তোরা সব-'জয়ধ্বনি কর।'উদ্দীপকে 'বিদ্রোহী' কবিতার সমগ্র দিক ফুটে উঠেছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- কবি কার কুঠার দিয়ে বিশ্বকে নিঃক্ষত্রিয় করবেন?
- 'বিদ্রোহী' কবিতার কবি কার বুকের ক্রন্দনশ্বাস?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোথা থেকে নিম্ন প্রাইমারি পাশ করেন?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় ইস্রাফিলের শিঙ্গার মহা হুংকার' দ্বারা নিচের কোনটিতে ইঙ্গিত করেছেন?
- 'আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ'!___ ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা?
- “বিদ্রোহী” কবিতায় বিশিষ্ট মুনি দুর্বাসার মায়ের নাম কী?