রোহান বাবু ভালো ঘর পেয়ে মেয়ের বিয়ে দিতে
উদ্যোগী হয়। এক্ষেত্রে সে বরপক্ষ থেকে দাবিকৃত দেনা-পাওনা চুকিয়ে দিয়ে মহা সাড়ম্বরে মেয়ে
বিয়ে সম্পন্ন করে।
উদ্দীপকের রোহান বাবুর সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের বৈসাদৃশ্য রয়েছে?
A.
শম্ভুনাথ
B.
মামা
C.
বিনু
D.
হরিশ
সঠিক উত্তরঃ
A.
শম্ভুনাথ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়’-পরের লাইনটি কী?
- প্রজাপতির দুই পক্ষ। বরপক্ষ এবং কন্যাপক্ষ। বরপক্ষ কন্যাপক্ষের কাছে নগদ পঞ্চাশ হাজার। টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার চেয়ে বসল। নিত্যানন্দ রায় কোনো কিছু বিবেচনা না না করে তাতেই মেয়ের বিয়ে দিতে সম্মত হয়ে গেল। তার মতে, এমন শিক্ষিত। ছেলে আর বনেদি পরিবার কিছুতেই হাতছাড়া করা যায় না। তার ইচ্ছায় যথারীতি আশীর্বাদ পর্ব শেষে শুভ বিবাহের দিন ধার্য হয়ে গেল। নিত্যানন্দ অনেক কষ্ট স্বীকার করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করার পরও নিতান্ত এক তুচ্ছ কারণে বিয়ের আসরেই এই বিয়ে ভেঙে যায়।উদ্দীপকের নিত্যানন্দ রায়ের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের শুম্ভুনাথের সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ছোট গল্পের জনক-
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায়বাহাদুরের হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলেন, শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয় টাকা শোধ করিয়া দিব। রায়বাহাদুর বলিলেন, টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।"উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি অপরিচিতা গল্পের একমাত্র বিষয় নয়।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- বাবার মোটা টাকার যৌতুকের দাবির কারণে সবুজের বিয়েভেঙে যেতে বসল। পিতার অনুগত সন্তান হওয়া সত্ত্বেওসবুজ শেষ পর্যন্ত বিনা যৌতুকে রথীকে বিয়ে করে আনল। উদ্দীপকের সবুজের বাবার আচরণ 'অপরিচিতা'গল্পের কোন চরিত্রকে স্মরণ করায়?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন স্থানে বসবাসের সময়টিকে 'ছোটগল্প রচনার স্বর্ণযুগ' হিসেবে বিবেচিত হয়?
- "সোনার তরী" কবিতাটি কোন ছন্দে র??িত?
- 'অপরিচিতা' গল্পটি প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়?
- আলেকজান্দ্রিয়া জাদুঘর মুখ্যত কি চর্চার কেন্দ্র ছিল?
- "আমার ভাগ্যে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চশরের কোনো বিরোধ নেই।"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- নিবেদিতা তার স্বামী প্লাবনসহ বইয়ের দোকানে এসে অবাক হলেন। ফোনে নিবেদিতা বই বিক্রেতাকে বইয়ের নাম, সংখ্যা, প্রকাশনী, কমিশন এবং সরবরাহের তারিখ প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত সব বলে দিয়েছিলেন। কিন্তু দোকানদার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বই সরবরাহের ন্যূনতম প্রস্তুতিও নেননি। একপর্যায়ে দোকানদার প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করলে নিবেদিতা মোবাইল থেকে প্রমাণ উপস্থাপন করলেন। প্লাবনের অনুরোধে নিবেদিতা দোকানদারের সাথে আর তর্কে জড়ালেন না। উদ্দীপকের প্লাবন ও 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মধ্যে সাযুজ্য নির্ণয় করো।
- ‘এ জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড়, না গুণেরহিসাবে।'— কথাটি দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে?
- রামসুন্দর বাবু বনেদি ঘর পেয়ে মেয়ে বিয়ে দিতে উদ্যতহন। এক্ষেত্রে তিনি বরপক্ষ থেকে দাবিকৃত দেনাপাওনাচুকিয়ে দিয়ে মহাসাড়ম্বরে মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন করেন। উদ্দীপকের রামসুন্দর বাবুর সাথে 'অপরিচিতা'গল্পের কোন চরিত্রের বৈসাদৃশ্য রয়েছে?
- 'অপিরিচিতা' গল্পটি প্রথম সংকলিত হয় কোন গ্রন্থে?
- 'এমন তো আর শুনি নাই' এ কথাটিতে 'অপরিচিতা' গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?
- অতুলনীয় মাতৃস্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃস্নেহের প্রাবাল্যে মানুষ আপনাকে হারাইয়া আসল শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। নিয়ত মাতৃস্নেহের অন্তরালে অবস্থান করিয়া আত্মশক্তির সন্ধান সে পায় না- দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত সন্তানের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'বিনুদার ভাষাটা অত্যন্ত ―।' শূন্যস্থানে কী বসবে?
- পড়াশোনা শেষ করে সবিতা এখন গ্রামের একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। বছর কয়েক আগে শহরের এক ধনী ব্যবসায়ীর ছেলের সঙ্গে তার বিবাহ স্থির হয়। পাত্রপক্ষ বিয়েতে মোটা অঙ্কের যৌতুক দাবি করলে তার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। সবিতা নিজেই যৌতুককে প্রত্যাখ্যান করে বিয়ে না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। পিতা-মাতা ও সহকর্মীদের অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি তার চিন্তা-চেতনায় কোনো পরিবর্তন আনেননি। তিনি, ছাত্র-ছাত্রীর প্রাণ। মায়ের মতো ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখেন সবাইকে। তিনি বলেন, 'দেশকে মাতৃজ্ঞানে সেবা করা, দেশকে ভালোবাসা প্রত্যেকের কর্তব্য।' পরহিতে জীবন উৎসর্গ করাই তার ধর্ম।উদ্দীপকের 'সবিতা' ও 'অপরিচিতা' গল্পের 'কল্যাণী' উভয়েই যৌতুকের শিকার।"- মন্তব্যটি -বিশ্লেষণ করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তী' গল্পে যৌতুকের বলি হৈমন্তী। মানসিক নির্যাতনের জর্জরিত হয়ে সে পিতা গৌরীশংকর বাবুকে খবর পাঠায় স্বামীগৃহ হতে তাকে পিত্রালয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। গৌরীশংকর বাবু মেয়ের র বাড়িতে এসে মেয়ের কষ্ট বুঝতে পারেন। কিন্তু ধনী বেয়াই- এর বিরুদ্ধে প্রতিকার করতে না পেরে নীরবে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বিদায় নেন। আর চরম পরিণতির দিকে এগিয়ে যায় হৈমন্তী।'উদ্দীপকের গৌরীশংকর বাবুর ভূমিকা যদি শম্ভুনাথ বাবুর মতো হতো, তাহলে হয়তো হৈমন্তীকে অকালে চলে যেতে হতো না।'-উক্তিটির পক্ষে যুক্তি দাও।
- নূপুরের ধ্বনিকে এককথায় কী বলে?
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় যে গাভির পরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে কী করে?
- ঠাকুর পরিবারের আসল পদবি ছিল-
- প্রমিত বানানের নিয়ম অনুসারে কোনটি শুদ্ধ নয়?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বছর বয়সে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান?