'উত্তরী' শব্দের অর্থ কী?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি 'মাঘের সন্ন্যাসী ' বলতে বুঝিয়েছেন?
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় সুধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা তোমার মন আলো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'উদ্দীপকের বাতেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? উভয়ের ভূমিকা তুলনা করো।
- ভেতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা ঝাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাকভেতরে আমার ভেঙে পড়ে শধু পাড়।"কবিতাংশটুকুর কবির দহন যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির অন্তর্দহন।"-মূল্যায়ন করো।
- অর্ঘ্য বিরচন' শব্দের অর্থ কী?
- 'নয়ন তোমার পায়না দেখিতে রয়েছো নয়নে নয়নে হৃদয় তোমায় পায় না জানিতে রয়েছো হৃদয় গোপনে 'নিচের কোন চরণটিতে উদ্দীপকের ভাবের প্রতিফলন লক্ষণীয়
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটির স্তবকসংখ্যা -
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন ঋতুকে কেন্দ্র করে রচিত?
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় ‘কহিল সে পরম হেলায়’ - এর পরের পংক্তিটি-
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জল, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সামগ্রিক ভাবনার সবটুকু ধরা পড়েছে বলে তুমি মনে করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা প্রথম কেন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- মনে পড়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি,লাখো বাঙালির কাতর চিত্তে করুণ আহাজারি,একুশ তুমি বাংলার মানুষের হৃদয়ভরা আশা,তোমার কারণে পেয়েছি আজ কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা,রক্ত ঝরাল, সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বার,বায়ান্নর সেই করুণ কাহিনি মনে পড়ে বরাবর,স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে সে বিষণ্ণ দিনের কথা,যত ভাবি ততই যেন মনে পাই বড়ো ব্যথা।উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বৈসাদৃশ্য দেখাও।
- জাতীয় দলের খেলোয়াড় মুন্না তিন বছরের শিশুপুত্রকেহারিয়ে শোকে মোহ্যমান। না ফেরার দেশে চলে যাওয়াপুত্রের শোক সামলাতে না পেরে সে খেলাধুলা ছেড়েদিয়েছে। তাইতো সে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ানগেমসে ফুটবল খেলায় অংশতো নেয়ই নি, এমনকি খেলাদেখতেও যায় নি।উদ্দীপকের মুন্না 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়?
- বিষণ্ণ বিরহী বাতাস মনের জানালায় দেয় উঁকি। উন্মাদ মন আজ মাধবীর। পড়ন্ত বিকেলে দখিনের বারান্দায় বেদনার রাগিণী ওঠে তার। শোকের পাখায় ধেয়ে আসে বসন্ত। চৈত্রের খরায় শুকিয়ে গেছে বুক।' সেখানে শুধু ধু-ধু বালুচর। নেই তাতে জল, আছে কষ্টের হলাহল। । শীতের শুষ্কতা মুছে বসন্তের শূন্যতা চেপে ধরেছে তারে। কারণ, মাঘের শীতে প্রিয়জন তার গিয়েছে চলে না ফেরার দেশে।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বিশ্লেষণ করো।
- (i) তোমাকে যে ভালোবাসি এ কথা বাতাসেও জেনেছেএই বার্তা মুখে করে প্রভাময়ী আলো নিয়ে যায়আমাদের প্রেমের রূপে নীলবর্ণ আকাশ টাঙ্গায়দিকে দিকে জাগে ভোর, বনভূমে পাখিরা সেজেছে।(ii) তুমি চলে গেছ কত যুগ কত বছর?এইমাত্র সমুখে ছিলে, পাত্রে জল কাঁপছে এখনোযেন কোনো এক স্বপ্নঘেরা বাগানে লুকানোতোমার প্রেমের রূপ, প্রতিশ্রুতি, মিথ্যের শব্দবহর।উদ্দীপকের (ii) অংশের, সঙ্গে সুফিয়া কামালের 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য বিচার করো।
- 'আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে রয়েছে তার জন্য।' উদ্দীপকের ‘তার' শব্দটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন বিষয়কে স্মরণ করায়?
- 'মাঘের সন্ন্যাসীর' সাথে কবি নিজেকে তুলনা করেছেন মাঘের যে বৈশিষ্ট্যের কারণে-
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও পিতা শামসুর রাহমান ও কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা। 'তাহারেই পড়ে মনে' মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।উদ্দীপকের রতনের সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির মিল কোথায়? যুক্তি দাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বর্ণনাকারী চরিত্র কোনটি?
- ‘তার পিঠে রক্তজবার মতো___ ছিলো’ শূন্যস্থানে কী হবে?
- বসন্ত কাকে স্মরণ করে পৃথিবীতে এসেছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কে গন্ধে অধীরআকুল হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছে?
- সালমা ও জামিল দাম্পত্য জীবনে সুখেই দিনাতিপাত করছিল। হঠাৎ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল জামিল। ছন্দপতন ঘটল সালমার সুখময় জীবনে। যদিও পরবর্তীকালে শামীম নামের এক ভদ্রলোকের সাথে সালমার আবার বিয়ে হয়। কিন্তু প্রথম স্বামীর স্মৃতি সে এক দিনের জন্যেও ভুলতে পারেনি। কারণ, সে ছিল তার সকল কাজের প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে সালমা প্রথম স্বামীর কথা স্মরণ করে একদম উদাসীন হয়ে যায় এবং স্বামীর কবরের পাশে বসে নীরবে অশ্রুপাত করে। কেননা তার সেই ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালেই তাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেছে।উদ্দীপকের জামিরের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।
- 'তাঁহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি গঠনরীতির দিক দিয়ে-
- চারদিকে উৎসবের রঙ। নতুন বছরকে বরণ করার প্রাণান্তপ্রয়াস। সপ্তাহ দুয়েক আগে মাকে হারানো মেয়েটিকে শোকভোলাতেই নিয়ে এসেছে বান্ধবীরা। মায়ের স্মৃতি বুকে নিয়েওধীরে ধীরে মেয়েটি সহজ হয়ে উঠছে; উপভোগ করছে বর্ষবরণ। উদ্দীপকের 'বর্ষবরণ' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনবিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?