ধলা মিয়া কেমন ধরনের মানুষ ছিল?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- লালসালু উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ত্রিপুরা রাজ মন্দিরের পুরোহিত রঘুপতি মিথ্যা ধর্মবোধ ও অন্ধসংস্কারের ধারক। মন্দিরে বলিদান প্রথার বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদের বাণী ধ্বনিত হয় অপর্ণার মধ্যে। তার ছাগ-শিশু বলির বিচার দাবি 'বিসর্জন' নাটকের বিরোধের বীজ। এ বীজ প্রথম বপিত হয় রাজার হৃদয়ে। আর এ বপিত বীজের কারণে রাজার বিরুদ্ধে বিরোধ, জয়সিংহের আত্মবিসর্জন, রঘুপতির প্রতিমা বিসর্জন এবং পরিণতিতে মাতৃরূপে অপর্ণার নিকট রঘুপতির দর্প চূর্ণ হয়।'প্রচলিত প্রথা ও কুসংস্কার কখনো ব্যক্তি ও সমাজের জন্য সহায়ক নয় বরং অন্তরায়' উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- ‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
- “রহিমাও কেঁপে ওঠে, কী একটা মহাভয় তার রক্ত শীতলকরে দেয়।"— 'লালসালু' উপন্যাসের উদ্ধৃতিতে রহিমারভয়ের কারণ-
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'— উক্তিটিরতাৎপর্য হলো—নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করাবিশেষ ক্ষমতার অধিকারী মনে করাঅন্ধভাবে বিশ্বাস করানিচের কোনটি সঠিক?
- তিন স্ত্রীর সাথে সংসার করেন আব্বাস আলী দফাদার। গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে আবার বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে আব্বাস আলী কোনো পরপুরুষের সামনে যেতে দেয় না। কখনও কথার অন্যথা হলে বউকে নানাভাবে শাসন করে। একদিন পাশের বাড়িতে টেলিভিশন দেখার অপরাধে ছোট বউকে সে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় বড় বউ খুব কষ্ট পায়। সারারাত সে ঘুমায় না। আবার কম বয়সী মেয়েটাকে যে ঘরে ডেকে নেবে সে সাহসও পায় না।উদ্দীপকে আব্বাস আলী দফাদার 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? নিজস্ব মতামত দাও।
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে ধলেশ্বরী গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটেছে দূরদূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিরন্বিত এমনই এক যুবক ইদ্রিসের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব-প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।"উদ্দীপকের ইদ্রিস ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়ের মধ্যেই অস্তিত্ববাদী চেতনা প্রতিফলিত।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় কেমনে'- উক্তিটি কার?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের ফরাসি অনুবাদক কে?
- মজিদ জমিলাকে মাজারে বেঁধে রেখেছিল- মনে খোদার ভীতি জাগানোর জন্যশাস্তি দেওয়ার জন্যতার বিদ্রোহী চেতনাকে বিনাশ করার জন্যনিচের কোনটি সঠিক?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'র মৃত্য হয়-
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে'- ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস?
- আরিফার বাবা মারা যাওয়ার পরে মায়ের স্নেহে চরম দারিদ্র্য সে লালিত-পালিত হয়। মা নিতান্তই বাধ্য হয়ে মধ্য বয়সি একজন লোকের সাথে আরিফার বিয়ে দেয়। স্বামীর বাড়িতে আরিফা গিয়ে দেখে তার স্বামী মহশিনের আরেকজন স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে। আরিফাকে কেন্দ্র করে সংসারে নতুন অশান্তি তৈরি হয়। বড়ো বউ কথায় কথায় আরিফার গায়ে হাত তোলে এবং সংসারের যাবতীয় কাজ তাকে দ্বারা করিয়ে নেয়। উপরন্তু বড়ো বউ আরিফার বিষয়ে স্বামীর কান ভারী করে। ফলে তার উপরে নেমে আসে অমানসিক নির্যাতন। আবার আরিফার স্বামী মহশিন চোরা কারবারির সাথে যুক্ত আছে, যে বিষয়টি আরিফা পুলিশকে জানিয়ে দেয়।উদ্দীপকে বর্ণিত বড়ো বউ এর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত রহিমা চরিত্রের তুলনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে ঝড় এলে হৈ হৈ করারঅভ্যাস কার?
- তাহেরের বাপ নিরুদ্দেশ হয়ে যায় কেন?
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বায়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।উদ্দীপকে উল্লিখিত চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের ভূমিকা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনাংশের সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য? আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে শিকারির একাগ্রতা কার চোখে?
- মাজারেরে পাশে দাঁড়িয়ে রহিমা কার জন্য শক্তি প্রার্থনা করে?
- আব্দুল জব্বার মৃধা নিঃসন্তান বলে তার মনে অনেক কষ্ট। সামাজিক পারিবারিকভাবে অনেক হেয় হতে হয় তাকে। একদিন সে তার স্ত্রী মেরিনাকে তার এমন অবস্থার কথা খুলে বললে নিজেই উদ্যোগী হয়ে স্বামীর বিয়ে দেয় মেরিনা, গরিব ঘরের অল্প বয়সি মেয়ে সুচরিতার সাথে বিয়ে দিয়ে ঘরে নিয়ে আসে। কিন্তু সুচরিতা বাবার বয়সি জব্বার মৃধাকে স্বামী বলে মেনেই নিতে চায় না। তাই তার মুখে থুথু দেয় ও ভেংচি কাটে ট। জব্বার মৃধা এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সুচরিতাকে অনেক কষ্টদায়ক শাস্তি দেয়। সন্তানতুল্য মেয়েটিকে কষ্ট পেতে দেখে মেরিনাও ভীষণ কষ্ট পায়। মনের অজান্তেই চোখ মোছে শাড়ির আঁচলে।সুচরিতা চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? আলোচনা করো।
- মহব্বত নগর আগমনের পূর্বে মজিদ কোথায় ছিল?
- 'লালসালু' উপন্যাসে অবিশ্রান্ত ঢোলক বেজে চলে কোথায়?
- এ পৃথিবীর মৎস্য-মাংসে আমাদের কিছু অধিকার আছে। খাইতে দাও- নহিলে চুরি করিব। আমাদের কৃষ্ণ চর্ম, শুষ্ক মুখ, ক্ষীণ সকরুণ মেও মেও শুনিয়া তোমাদিগের কি দুঃখ হয় না? চোরের দন্ড আছে, নির্দয়তার কি দণ্ড নাই? দরিদ্রের আহার সংগ্রহের দণ্ড আছে, ধনীর কার্পণ্যের দণ্ড নাই কেন? তুমি কমলাকান্ত, দূরদর্শী, কেন না আফিংখোর, তুমিও কি দেখিতে পাও না যে, ধনীর দোষেই দরিদ্র চোর হয়? পাঁচশত দরিদ্রকে বঞ্চিত করিয়া একজনে পাঁচ শত লোকের আহার্য সংগ্রহ করিবে কেন? যদি করিল, তবে সে আহার খাইয়া যাহা বাচিয়া পড়ে, তাহা দরিদ্রকে দিবে না কেন? যদি না দেয়, তবে দরিদ্র অবশ্য তাহার নিকট হইতে চুরি করিবে; কেননা, অনাহারে মরিয়া যাইবার জন্য এ পৃথিবীতে কেই আসে নাই।"সমাজের ভণ্ডামি ও কুসংস্কার দূর করতে 'লালসালু' পাঠ যৌক্তিকতার দাবি রাখে।"- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- লালসালু উপন্যাসে মজিদ কীভাবে তার প্রভাবপ্রতিষ্ঠিত করে?