কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা কোনটি?
A. মুক্তি
B. বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী
C. হেনা
D. বিদ্রোহী
সঠিক উত্তরঃ
B.
বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী
Explanation: ‘বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম প্রকাশিত লেখা। এটি কবির ‘রিক্তের বেদন’ গ্রন্হের অন্তর্গত গল্প।
Related Questions (Any University/Year)
- নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস নয়?
- নিচের কোনটি কাজী নজরুলের প্রবন্ধ?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন?
- আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে আমরা পরাধীন যে কারণে-
- 'সবচেয়ে বড় দাসত্ব' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- প্রাবন্ধিক কাজী নজরুল ইসলামের মতে ভয় তাদের মধ্যে ।যারা শত্রুকে ভয় পায়যাদের ভেতরে ভয় আছেযারা আপন সত্যকে চিনতে ব্যর্থনিচের কোনটি সঠিক?
- স্বার্থ-সুখ চাহি না কো, আত্মনিষ্ঠ কেহ মোরা নয়;পরার্থে কবির বিশ্বে সর্ব বিসর্জনআমাদের আত্মত্যাগে প্রতিগৃহে নামিবে অভয়মর্ত্যের মাটিতে হবে স্বর্গের সৃজন।উদ্দীপকের সঙ্গে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- স্বামী বিবেকানন্দ আত্মবিশ্বাসকে একটি অতীব জরুরি গুণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিশ্বের ইতিহাস হলো কয়েকজন আত্মবিশ্বাসসম্পন্ন মানুষের ইতিহাস। নিজের উপর বিশ্বাস থাকলে তবেই অন্তরে দেবত্ব জাগ্রত হয়। তাই তিনি বলেন, 'তেত্রিশ কোটি দেব-দেবীতে বিশ্বাস থাকলেও কারো যদি আত্মবিশ্বাস না থাকে, তবে সে মুক্তি পাবে না।'উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- শোভনা গ্রামের শিক্ষিত পরোপকারী সন্তান সুভাষ। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবন মান পরিবর্তন, শিক্ষা বিস্তার ও বাল্যবিবাহ রোধে গড়ে তুলেছে 'যুব সংঘ' নামক একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন সে গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের জীবন মান উন্নয়নের চেষ্টা করে। এলাকার অনেকেই এ কাজকে প্রশংসা করলেও নিন্দুকেরা নিন্দা করতে ছাড়েনি। কিন্তু সুভাষ নিন্দুকদের কথায় কান না দিয়ে তার কাজে অটল থেকেছে। কারণ, সে জানে জাতি শিক্ষিত হলে সমাজের কুসংস্কার দূর হবে।উদ্দীপকের সুভাষ চরিত্রের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সংগতিপূর্ণ বিষয়ের যৌক্তিক রূপ তুলে ধরো।
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধে কোনটিকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- আত্মকৃত ভুলের শিক্ষা মানুষকে দুখে ও অনুশোচনার আগুনে পুড়িয়ে খাঁটি করে। মানব সভ্যতার ইতিহাসে ভুলের কার্যকারিতা তাই সত্যদঘাটনের শক্তির মতোই গুরুত্বপূর্ণ। উক্ত সাদৃশ্য 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে বাক্যকে সমর্থন করে-
- ‘মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম’ - কথাটি কে কোন রচনায় বলেছেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে বর্ণিত সত্য অন্তরে ধারণ করলে একজন মানুষ কী হবে?
- আবরার সাহেব ছোটোবেলা থেকেই নিজের কাজ নিজে করে অভ্যস্ত নন। ছাত্রজীবনে বন্ধুদের উপর নির্ভর করে পার হয়েছেন। এ অভ্যাসটি আজ তাঁর কর্মজীবনেও বহমান। অফিসে নিজের কাজ অন্যকে দিয়ে করিয়ে নিতে গিয়ে তাকে অনেক ছোটো হতে হয়। কর্তার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে গিয়ে ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলেন। অথচ তার বাল্যবন্দু লেনিন সাহেব সৎ এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। অর্থাৎ ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেও তারা উভয়ই পরস্পর বিপরীত বৈশিষ্ট্যের। লেনিন সাহেব বাল্যবন্ধুকে অন্যায্য কাজ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন এবং তিনি তাকে এটাও বোঝাতে চেষ্টা করেন আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা এবং কঠোর পরিশ্রমই মানুষকে সাফল্য এনে দেয়। উদ্দীপকের আরমান সাহেবের বৈশিষ্ট্যে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে উঠেছে তা বর্ণনা করো।
- নজরুলের সাম্যবাদী কবিতার ’গাহি সাম্যের গান’ চরনটির পরবর্তী চরণ হচ্ছে-
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কোন বিশ্বনেতার কথা বলা হয়েছে?
- কোনটি সবচেয়ে বড়ো দাসত্ব?
- 'মানুষ ভজলে/সোনার মানুষ হবি'-উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে-
- আত্মবিশ্বাসী মানুষই সাফল্যের পথে এগিয়ে যান। তিনি অন্যের মত ও পথের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেও নিজের সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। অন্যের উপর নির্ভরতা তার লক্ষ্য নয়। নিজেকে চিনে এবং নিজের বিশ্বাসকে বড় মনে করার মধ্য দিয়েই তিনি কল্যাণকর কিছু করতে পারেন।'আত্মনির্ভরশীলতার মধ্য দিয়েই একজন ব্যক্তি বা একটি জাতি উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছতে পারে। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- কোনটি নজরুল ইসলাম এর প্রবন্ধ গ্রন্থ?
- কী করলে আত্মনির্ভরতা আসে?
- 'কর্ণধার' শব্দটির অর্থ কী?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলামের মতে কে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?
- 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' কার লেখা?