তপু ভাগ্যান্বেষণে ঘুরতে ঘুরতে এসে হাজির হয় রাজধানী ঢাকায়। মিটফোর্ডে এক ফুটপাতে হোটেলে খেতে গিয়ে দেখতে পায় পাশের নর্দমায় অনেকগুলো ঔষধ পড়ে আছে। হোটেল বয়ের কাছে জানতে পারে এগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ কোম্পানি ফেলে গেছে। তার মাথায় বিদ্যুৎ খেলে যায়। সে ঐ ঔষধগুলো কুড়িয়ে নতুন প্যাকেটে মুড়ে কম দামে বিক্রি করতে থাকে। সাধারণ মানুষ কম দামে পেয়ে সরল বিশ্বাসে তার দোকান থেকে ঔষধ কিনে প্রতারিত হতে থাকে। আর তপু অল্পদিনে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বনে যায়।
'প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও তপু ও মজিদের লক্ষ্য এক'- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- 'ওনারে কন, আমার মওতের জন্য জানি দোয়া করে' উক্তিটি কার?
- সুবেদ আলি গ্রামের একজন অবস্থাসম্পন্ন মানুষ। সাদা মনের মানুষ হিসেবে গ্রামে তার একটা সুনাম আছে। পরোপকারী এবং সুখী বলেই সবাই তাকে জানে। প্রকৃতপক্ষে, ভেতরে তিনি সুখী ছিলেন না। বিয়ের বয়স দেড় যুগ গড়ালেও সন্তানের মুখ দেখেননি। বহুজনের কাছে স্বামী-স্ত্রী দুজনই চিকিৎসা নিয়েও ব্যর্থ হন। সুবেদ আলি একদিন শুনতে পান পাশের গ্রামের ফকির বাবার কেরামতির কথা। উপঢৌকনসহ সস্ত্রীক ছুটে যান তার কাছে। তাদের বিশ্বাস, ফকির বাবার ঝাড়ফুঁক পেলেই মনের আশা পূরণ হবে।"উদ্দীপকের সুবেদ আলির 'বিশ্বাস' আর 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামবাসীর বিশ্বাস যেন এক সুতোয় গাঁথা।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'বাহে মুলুক' কোথায় অবস্থিত?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে পদ্মাপাড়ের জেলে ও মাঝিদের জীবন সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। তাদের একমাত্র অবলম্বন, সুখ- দুঃখের সাথী পদ্মানদী। জীবন সংগ্রামী এসব জেলেদের মধ্যে কুবের ও তার সঙ্গীদের জীবনাচরণ নিয়ে আবর্তিত হয়েছে উপন্যাসের কাহিনী। বৈচিত্র্যহীন একঘেয়ে তাদের জীবন। ধনঞ্জয়ের নৌকায় মাছ ধরে, কুবের ও গণেশ। মালিক হিসেবে ধনঞ্জয় নেয় অর্ধেক আর কুবের ও গণেশ পায় বাকি অর্ধেক। এছাড়া মাছের সংখ্যা কম দেখিয়ে ধনঞ্জয় তাদের ঠকায়। সব বুঝেও তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। এই অবস্থা সর্বত্র, সব নৌকায়। শত শত নৌকায় শত শত কুবের ও গণেশ শ্রম দিয়ে মাছ ধরে। এক সময় কুবেরই কাহিনীর প্রাণকেন্দ্রে এসে দাঁড়ায় সে-ই পদ্মাপাড়ের সকল জেলে-মাঝিদের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই "পদ্মানদীর মাঝি" নামকরণের মধ্য দিয়ে ঔপন্যাসিক তার জীবন-সত্যকেই প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।উদ্দীপকের ধনঞ্জয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের তুলনা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসে পক্ষাঘাতে কষ্ট পাচ্ছে কে?
- মজিদের সহযোগী ব্যক্তিটির নাম কী?
- কোনটি সঠিক?
- শিমুলিয়া গ্রামের মানুষগলো অত্যন্ত পরিশ্রমী, তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠ ভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের। মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এরা লোকমান ফকিরের সাহায্য কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকে ঘরে হয়তো অভাব আছে কিন্তু দুঃখকষ্ট আছে কি না তা বোঝা দায়, তবে যেটুকু দুঃখ আসে তার কারণ লোকমানের মতো প্রতারক' শ্রেণির মানুষ। গ্রামের মানুষ সরল ধর্মপ্রাণ কিন্তু শিক্ষা ও ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা তাদের ঠকায়।'শিক্ষা ও ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকার কারণেই ভন্ড ধার্মিকদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পায়।'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের খন্ডাংশ মাত্র, সামগ্রিক চিত্র নয়।”- বিশ্লেষণ করো।
- 'দলিল-দস্তাবেজ জাল হয়, কিন্তু খোদাতালার কালাম জাল হয় না'- একথার তাৎপর্য কী?
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসটি কার রচনা?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- মহব্বতনগর গ্রামের মহিলাদের সাথে মজিদেরযোগসূত্ৰ—
- মজিদ আওয়ালপুর যায় কেন?- ব্যাখ্যা করো।
- "কেবল ধীরে ধীরে কাঠের মতো শক্ত হয়ে ওঠে তার মুখটা"- কার মুখ শক্ত হয়ে ওঠে এবং কেন?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
- "গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ"- মন্তব্যটি বুঝিয়ে লেখ।
- লালসালু উপন্যাসে কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও 'কারা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করেছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের ছোটো পুত্রবধূ 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে কীভাবে তুলনীয় বুঝিয়ে লেখো।
- মহব্বতনগর গ্রামের মানুষ গভীর আগ্রহে মজিদের প্রতিটি আদেশ পালন করে কারণ-
- নিচু একটা জায়গা ভরাট করে গ্রামের ছেলেরা খেলার মাঠ বানাবে বলে চেয়ারম্যানকে প্রস্তাব করল। কিন্তু কিছুদিন পরে চেয়ারম্যান সাহেব সেখানে এক বিশাল মার্কেট তৈরি করল ।উদ্দীপকের চেয়ারম্যান 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে ?
- করিম মুন্সীর স্ত্রী মোমেনা বেশ সহজ-সরল। স্বামীর প্রতিতার বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতা প্রবল। সাধারণ মানুষেরসারল্য ও খোদাভীতিকে পুঁজি করে তার স্বাম?? তাবিজ বিক্রিকরে এবং পানি পড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে।উদ্দীপকের করিম মুন্সী ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়েরই ব্যাবসার উৎস হলো— প্রতারণা মানুষের সরলতাধর্মভীতিনিচের কোনটি সঠিক?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'র নাটক কোনটি?
- ‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- বটতলী গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুংসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে মুনির কলেজে লেখাপড়া করে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করতে সে গ্রামে একটি নৈশবিদ্যালয় করতে চায়। এ বিষয়ে গ্রামে সভা বসলে, গ্রামের মাতব্বর এ প্রস্তাবে খুশি হয়ে মুনিরকে সহযোগিতা করতে আশ্বাস দেন।উদ্দীপকের মুনির চরিত্র 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।