‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা’ - সংলাপটি কার?
A. হলওয়ে
B. ওয়ালিখান
C. ক্লেটন
D. ক্লাইভ
সঠিক উত্তরঃ
C.
ক্লেটন
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ইতিহাসের এক বীর চরিত্র মহীশূরের টিপু সুলতান। ইংরেজদের বিরুদ্ধে টিপু যুদ্ধ করে প্রাণ দিয়েছেন। চতুর ইংরেজ টিপুর দরবারের এক উচ্চাভিলাষী সেনাপতিকে হাত করেছিল। এই সেনাপতি গোপনে টিপুর সব খবর ইংরেজদের কাছে পৌঁছে দিত। যুদ্ধের এক পর্যায়ে সে দুর্গের দরজা খুলে দিলে ইংরেজরা দুর্গে প্রবেশ করে। নিজ লোকের বিশ্বাসঘাতকতায় টিপু প্রাণ হারান।উদ্দীপকের সেনাপতির সঙ্গে তোমার পঠিত নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- প্রাচীন গ্রিস প্রজাতন্ত্রী নগররাষ্ট্র ছিল। 'জুলিয়াস সিজার একজন সফল সেনাপ্রধান ছিলেন। কালক্রমে জুলিয়াস সিজার একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তাঁর এ নীতির সমর্থন দেন তাঁর স্নেহভাজন ব্রুটাস। পরবর্তীতে সিনেটররা রাষ্ট্রের কল্যাণার্থে সিজারকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেন। ব্রুটাস তখন ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে যোগ দেন। নিরস্ত্র সিজারকে সিনেটররা একের পর এক ছুরিকাঘাত করতে থাকে। যখন তাঁর প্রিয় ব্রুটাস তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন তখন সিজার হতবাক হয়ে বলে, Et tu, Brue অর্থ: ও ব্রুটাস তুমিও?'যুগে যুগে কালে কালে ব্রুটাসরা আছেন, থাকবেন'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি যাচাই করো।
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে 'স্ট্যান্ডিং লাইক পিলার্স' বলতে বোঝানো হয়েছে -
- 'স্বপ্ন ছোঁয়া' নামে একটি বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি দেশব্যাপী প্রসার লাভ করে। স্বপ্ন বিনিয়োগে মোটা অঙ্কের মুনাফা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা দেশের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যে কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোম্পানিটি এক রাতের মধ্যে সারা দেশ থেকে গায়েব হয়ে যায়। এই ভুয়া কোম্পানির কাছ থেকে দেশের সাধারণ মানুষ তাদের সর্বস্ব হারিয়ে দারুণভাবে প্রতারিত হয়।"উদ্দীপকের কোম্পানির উদ্দেশ্য এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বর্ণিত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্দেশ্য একই সূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের তৃতীয় অঙ্কে দৃশ্য সংখ্যা কত?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- উক্তিটি কার?
- কোন নদীর তীরে পলাশী অবস্থিত?
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করো।
- 'আমি দওলতের পূজারি।'- উক্তিটি কার?
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে উক্তিটি কার?
- "ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।" ব্যাখ্যা করো।
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- ব্যাংক ম্যানেজার মনোয়ার হোসেন অত্যন্ত সরলমনা ও উদার প্রকৃতির মানুষ। ব্যাংকের প্রতিটি কর্মচারীকে তিনি অগাধ বিশ্বাস করেন। তাঁর মামার অনুরোধে মাকসুদ হাসান নামের এক ব্যক্তিকে তিনি ক্যাশিয়ার পদে নিয়োগ দেন এবং সিন্দুকের চাবি হস্তান্তর করেন। একদিন রাতের অন্ধকারে নৈশ প্রহরীর সহায়তায় মাকসুদ হাসান ব্যাংকের সকল অর্থসম্পদ আত্মসাত করে আত্মগোপন করেন।উদ্দীপকের যে বিষয়গুলো 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তার তুলনামূলক আলোচনা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'আপনাদের কাছে আজআমি আমার অপরাধের বিচারপ্রার্থী।' সংলাপেব্যক্ত হয়েছে সিরাজের-
- 'তার নবাব হওয়াটাই আমার মস্ত ক্ষতি।'- ঘসেটি বেগমের এ উক্তির কারণ কী?
- "ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?”- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'নট্' ধাতুর অর্থ কী?
- 'যত দিন রবে পদ্মা, মেঘনা, গৌরী, যমুনা বহমানততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।'"উদ্দীপকের শেখ মুজিবুর রহমানের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ"- ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার সারা অস্তিত্বজুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কয়টি অঙ্ক রয়েছে?
- সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে কালী দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ায় শোকার্ত অপর্ণা রাজার কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারিণীর দুঃখ রাজাকে মর্মাহত করে। তিনি রাজ্যে পশুবলি বন্ধ করে দেন। কিন্তু রাজার এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজপুরোহিত রঘুপতি। পৌরহিত্যের দাম্ভিকতা নিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন তিনি। রাজার অনুজ নক্ষত্ররায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান। রাজা হবার স্বপ্নে বিভোর নক্ষত্ররায়ও রক্তসম্পর্ক ভ্রাতৃপ্রেম ভুলে গিয়ে রাজাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে।"উদ্দীপকের নক্ষত্ররায়ের মতো 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমও ক্ষমতালোভী।"- বিশ্লেষণ কর।
- রুনু ও ঝুনু দু'বোন। রুনুর দুই সন্তান। ঝুনুর কোনো সন্তান নেই। তাই ঝুনু রুনুর সন্তানদের মাতৃস্নেহে বড় করে। কিন্তু এ স্নেহ বেশিদিন স্থায়ী লাভ করে না। কারণ রুনু-ঝুনুর বাবা তাঁর সমস্ত সম্পত্তি রুনুর দুই সন্তানকে উইল করে দেন। এতে ঝুনু মনঃকষ্ট নিয়ে বলে, আগে জানলে রুনুর সন্তানদের ছোটবেলায় মেরে ফেলতাম।উদ্দীপকের ঝুনুর সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল আছে? বুঝিয়ে লেখো।
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করো।
- দশ গ্রামের মাতব্বর আশরাদ চৌধুরী নিঃসন্তান না হলেও কোনো পুত্রসন্তান নেই। বিত্তশালী চৌধুরী সাহেব তাই সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী করেন ভাইপো সজলকে। এতে ক্ষিপ্ত হয় তার অন্যান্য ওয়ারিশরা। চৌধুরী সাহেব সকলকে বোঝাতে পারলেও জামাতা আসমত সাহেবকে কোনোভাবে বোঝাতে পারেনি। তিনি শ্বশুরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।"উদ্দীপকটিতে চক্রান্তের আভাস থাকলেও তা সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সমগ্র ভাবধারাকে ধারণ করতে পারেনি।" এ বিষয়ে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।